CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১ ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকার দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু ১৬০ রান করে কত রানে জিততে হবে বাংলাদেশের

বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল

#
news image

বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক কয়েকজনকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য ছিলেন না। এ ঘটনায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ফারুক ও তাঁর সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা কয়েকজনকে ধরে তল্লাশি করছেন। পরে কয়েকজনকে তাঁর সামনে আনা হলে তিনি তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে দুই যুবককে চড়-থাপ্পড় মারতে এবং প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে কয়েকজনকে পেটাতে দেখা যায়।

মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাভিদ রহমান তুষার বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় মুরব্বি ও অভিভাবকদের অনুরোধে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানের বিষয়ে পুলিশকে জানানো হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।


মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক জানান, ওই এলাকা তাঁর নিজের এলাকা। সেখান থেকে চার-পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে কী করব, তারা তো ছেড়ে দেয়। তাই উত্তমমাধ্যম দিয়ে আমরাও ছেড়ে দিয়েছি।’

আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, ‘বিএনপি নেতারা অভিযান সম্পর্কে আমাদের জানাননি। ওই অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশালের উপপরিচালক মো. তানভীর হোসেন খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি এ ধরনের অভিযান চালাতে পারেন না। তাঁর দপ্তরের পাশেই বিএনপি নেতাদের অভিযানের বিষয়টি পরে জেনেছেন বলে জানান তিনি।


বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান জানান, মাদক নির্মূলে তিনি একমত। তবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করবে প্রশাসন। দলের নেতা-কর্মীরা পুলিশকে সহায়তা করতে পারেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু আল রায়হান বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অভিযান চালানোর এখতিয়ার নেই। ওই বিএনপি নেতা আইনবহির্ভূত কাজ করেছেন। স্থানীয়রা মাদকসহ কাউকে আটক করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দেবে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ অক্টোবর, ২০২৬,  11:51 PM

news image

বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক কয়েকজনকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য ছিলেন না। এ ঘটনায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ফারুক ও তাঁর সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা কয়েকজনকে ধরে তল্লাশি করছেন। পরে কয়েকজনকে তাঁর সামনে আনা হলে তিনি তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে দুই যুবককে চড়-থাপ্পড় মারতে এবং প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে কয়েকজনকে পেটাতে দেখা যায়।

মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাভিদ রহমান তুষার বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় মুরব্বি ও অভিভাবকদের অনুরোধে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানের বিষয়ে পুলিশকে জানানো হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।


মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক জানান, ওই এলাকা তাঁর নিজের এলাকা। সেখান থেকে চার-পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে কী করব, তারা তো ছেড়ে দেয়। তাই উত্তমমাধ্যম দিয়ে আমরাও ছেড়ে দিয়েছি।’

আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, ‘বিএনপি নেতারা অভিযান সম্পর্কে আমাদের জানাননি। ওই অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশালের উপপরিচালক মো. তানভীর হোসেন খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি এ ধরনের অভিযান চালাতে পারেন না। তাঁর দপ্তরের পাশেই বিএনপি নেতাদের অভিযানের বিষয়টি পরে জেনেছেন বলে জানান তিনি।


বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান জানান, মাদক নির্মূলে তিনি একমত। তবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করবে প্রশাসন। দলের নেতা-কর্মীরা পুলিশকে সহায়তা করতে পারেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু আল রায়হান বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অভিযান চালানোর এখতিয়ার নেই। ওই বিএনপি নেতা আইনবহির্ভূত কাজ করেছেন। স্থানীয়রা মাদকসহ কাউকে আটক করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দেবে।’