CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৯ মে, ২০২৬

মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু করলো ডিএনসিসি

#
news image

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা ও দূষণ মোকাবিলায় 'মিয়াওয়াকি' পদ্ধতিতে দেশের বৃহত্তম নগর বনায়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। 

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১১ নম্বর লেকপাড়ের গ্রিনবেল্ট এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, নগর জীবনে গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকে ডিএনসিসি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সবুজ পরিবেশ নগরবাসীর শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করবে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২.৬০ একর এলাকায় ৩৯ হাজার ৪০০টি গাছ লাগানো হবে। এতে ফলজ, ঔষধি, কাঠজাতসহ প্রায় ২৫০ প্রজাতির দেশীয় গাছ থাকবে। এর আগে প্রথম ধাপে ১৪ হাজার গাছ সফলভাবে রোপণ করা হয়েছে।

বিশেষ এই বনায়নে জাপানি মিয়াওয়াকি পদ্ধতির পাশাপাশি বায়োফিলিক ও বায়োমিমিক্রি নকশা অনুসরণ করা হয়েছে। লেকপাড় ঘেঁষে হাঁটার পথের পাশাপাশি এখানে উঁচু-নিচু টিলা তৈরি করা হয়েছে। গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য মাটির সঙ্গে বিশেষ জৈব সার ও ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা এখানে জাপানি ‘শিনরিন ইয়োকু’ বা ‘বন স্নান’-এর অভিজ্ঞতা পাবেন। 

ডিএনসিসির এই প্রকল্পে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন অধিদপ্তর, শক্তি ফাউন্ডেশন, গ্রিন সেভার্স, গ্রিন ভয়েস, ব্রাইটার্স, ইউথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, ওএবি ফাউন্ডেশন এবং যুব ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা।

এ ছাড়া সম্ভাব্যতা যাচাই ও সার্ভে কার্যক্রমে সহায়তা করছে ইডিফেস।

বায়ুমান বিশ্লেষণ ও করণীয় নির্ধারণে টাস্কফোর্স সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন ড. আহম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং রওফা খানম। মিয়াওয়াকি, বায়োফিলিক ডিজাইন ও ল্যান্ডস্কেপ ধারণায় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন আরহাম উল হক চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএনসিসি আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণের কর্মপরিকল্পনা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এর প্রথম বছরে অর্থাৎ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডিএনসিসি বলছে, এই নগর বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সবুজ অবকাঠামো গড়ে তুলে নগরের বায়ুমান উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে, ২০২৬,  11:29 AM

news image
সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা ও দূষণ মোকাবিলায় 'মিয়াওয়াকি' পদ্ধতিতে দেশের বৃহত্তম নগর বনায়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। 

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১১ নম্বর লেকপাড়ের গ্রিনবেল্ট এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, নগর জীবনে গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকে ডিএনসিসি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সবুজ পরিবেশ নগরবাসীর শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করবে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২.৬০ একর এলাকায় ৩৯ হাজার ৪০০টি গাছ লাগানো হবে। এতে ফলজ, ঔষধি, কাঠজাতসহ প্রায় ২৫০ প্রজাতির দেশীয় গাছ থাকবে। এর আগে প্রথম ধাপে ১৪ হাজার গাছ সফলভাবে রোপণ করা হয়েছে।

বিশেষ এই বনায়নে জাপানি মিয়াওয়াকি পদ্ধতির পাশাপাশি বায়োফিলিক ও বায়োমিমিক্রি নকশা অনুসরণ করা হয়েছে। লেকপাড় ঘেঁষে হাঁটার পথের পাশাপাশি এখানে উঁচু-নিচু টিলা তৈরি করা হয়েছে। গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য মাটির সঙ্গে বিশেষ জৈব সার ও ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা এখানে জাপানি ‘শিনরিন ইয়োকু’ বা ‘বন স্নান’-এর অভিজ্ঞতা পাবেন। 

ডিএনসিসির এই প্রকল্পে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন অধিদপ্তর, শক্তি ফাউন্ডেশন, গ্রিন সেভার্স, গ্রিন ভয়েস, ব্রাইটার্স, ইউথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, ওএবি ফাউন্ডেশন এবং যুব ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা।

এ ছাড়া সম্ভাব্যতা যাচাই ও সার্ভে কার্যক্রমে সহায়তা করছে ইডিফেস।

বায়ুমান বিশ্লেষণ ও করণীয় নির্ধারণে টাস্কফোর্স সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন ড. আহম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং রওফা খানম। মিয়াওয়াকি, বায়োফিলিক ডিজাইন ও ল্যান্ডস্কেপ ধারণায় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন আরহাম উল হক চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএনসিসি আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণের কর্মপরিকল্পনা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এর প্রথম বছরে অর্থাৎ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডিএনসিসি বলছে, এই নগর বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সবুজ অবকাঠামো গড়ে তুলে নগরের বায়ুমান উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।