CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা!

#
news image

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসি-তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্বীকৃত বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘জিয়া পরিষদ’-এর একটি কমিটি অনুমোদনকে কেন্দ্র করে ব্যাংক পাড়ায় চরম চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে, স্থায়ী কমিটিকে পাশ কাটিয়ে এবং লাখ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে এই ‘ভুয়া’ কমিটি দেওয়া হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, তথাকথিত ১২১ সদস্যের এই কমিটির খবর কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ পেলেও, গত তিন দিনেও মূল কমিটির কোনো অনুলিপি কোথাও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি কমিটিতে পদ পাওয়া কর্মকর্তাদের অনেকেই জানেন না যে তারা এই তালিকায় আছেন!
জিয়া পরিষদের গঠনতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো পর্যায়ের কমিটি অনুমোদনের জন্য প্রথমে প্রস্তাবিত তালিকা সংগঠনের স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে পেশ করে যাচাই-বাছাই করতে হয়। এরপর চূড়ান্তভাবে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব যৌথ স্বাক্ষরে তা অনুমোদন দেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৩ জুন জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদ সম্পূর্ণ একক এখতিয়ারে, নিজের স্বাক্ষরে জনতা ব্যাংকের এই কমিটি অনুমোদন দেন। গঠনতন্ত্রে চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের পক্ষে অন্য কারও এভাবে কমিটি অনুমোদনের কোনো বিধান বা নজির নেই। ব্যাংক পাড়ার জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে স্পষ্ট জালিয়াতি এবং প্রতারণা বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, জনতা ব্যাংকের বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন সেলিম এবং হাফিজুর রহমানকে সুবিধা দিতেই এই পকেট কমিটি সাজানো হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই ভুয়া কমিটি বাগিয়ে নিতে আব্দুল্লাহিল মাসুদকে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে। এর আগেও ২০১৯ সালে গুরুতর অসদাচরণের দায়ে সাইফুল আবেদীন সেলিমকে জিয়া পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু গত মাসেও স্থায়ী কমিটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একক স্বাক্ষরে সেলিমের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেন এই আব্দুল্লাহিল মাসুদ। বারবার একই ধরনের সাংগঠনিক অপরাধ করলেও মাসুদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র হতাশা বিরাজ করছে। জনতা ব্যাংকে সাইফুল আবেদীন সেলিম একজন চতুর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ব্যাংকটির শীর্ষ নির্বাহী (চেয়ারম্যান ও এমডি)-দের ব্ল্যাকমেইল করার এক অভিনব কৌশলের অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, সেলিম প্রথমে নিজেই ছদ্মনামে বা টাকার বিনিময়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পোর্টালে খবর প্রকাশ করান। এরপর সেই নিউজের লিংক নিজের বিশ্বস্ত লোক দিয়ে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে দেন। চারদিকে শোরগোল উঠলে সেলিম নিজেই আবার ‘ত্রাতা’ বা ‘ওঝা’ সেজে শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে হাজির হন এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের প্রশাসনিক আনুকূল্য আদায় করেন। আর এই প্রশাসনিক আনুকূল্য ব্যবহার করেই তিনি বদলি বাণিজ্য, পদোন্নতি বাণিজ্য, সুদ মওকুফ সুবিধা এবং এয়ারপোর্ট বুথ থেকে নিয়মিত মাসোহারা নেওয়াসহ কোটি কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইফুল আবেদীন সেলিমের চাকরির মেয়াদ আর মাত্র চার মাস বাকি রয়েছে। অবসরে গেলেই তার এই কোটি কোটি টাকার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। তাই অবসরের পরও যেন দুই বা তিন বছরের জন্য জিয়া পরিষদের ব্যানারে জনতা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখা যায় সেই লক্ষ্যেই তিনি এই ভুয়া কমিটি বানিজ্যে মেতে উঠেছেন। এই কমিটিকে ঢাল বানিয়ে তিনি ব্যাংকের প্রশাসনকে জিম্মি করে লুটপাট চালিয়ে যাওয়ার সেফ প্যাসেজ বা ‘সার্টিফিকেট’ খুঁজছেন।
ক্ষোভে ফুঁসছে মতিঝিল পাড়া: জিয়া পরিষদের নামে এমন নজিরবিহীন জালিয়াতি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় মতিঝিল ব্যাংক পাড়ার জাতীয়তাবাদী ঘরানার কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ঘুষের বিনিময়ে জনতা ব্যাংকের কমিটি অনুমোদন এবং ব্যাংক ক্ষতিকারক চক্রের সাথে আঁতাত করার বিষয়ে জিয়া পরিষদের মূল নেতৃত্বের কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি। ব্যাংক পাড়ার আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহিল মাসুদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তার ও সাইফুল আবেদীন সেলিমের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য তদন্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ কর্মকর্তারা। সাধারণ নেতাকর্মী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের মুখে মুখে এখন একটাই গুঞ্জন—”মাসুদ আর ভালো হইলো না।”
এই বিষয় জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুল লতিফ বলেন, কমিটির নামে টাকা পয়সা নেয়ার খবর আমার জানা নেই। জনতা ব্যাংকে এখন পর্যন্ত কোন কমিটি দেয়া হয়নি। পত্রিকার নিউজের ব্যপারে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি এই সম্পর্কে জানা নেই। বর্তমানে আমি দেশে বাইরে আছি। দেশে আসলে কথা বলবো।
এই বিষয় জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ বলেন, কমিটি তো সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব দিয়েছেন, এখানে আমার কমিটি বানিজ্যের কোন বিষয় নেই। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন মিডিয়ায় একটি কমিটি ছাপা হয়েছে। আপনি চাইলে জনতা ক্যাংকের নেতাদেও কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।
এই বিষয় সাইফুল আবেদীন তালুকদার (সেলিম) বলেন, দুইজন সম্মানিত ব্যাক্তি এই কমিটি দিয়েছে। তারা টাকার বিনিময় কমিটি দেবে এটা কি কারো বিশ্বাসযোগ্য। নতুন কমিটির বিষয় জানতে চাইলে সেলিম বলেন, গত পরশুদিন কমিটি প্রকাশ হয়েছে। আপনার সঙ্গে দেখা হলে কমিটির কাগজ দেয়া যেত। চাঁদা তোলার বিষয় তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা আমাকে ঘায়েল করার জন্য এসব প্রপাগান্ডা ছরাচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন, ২০২৬,  12:18 PM

news image
সংগৃহীত

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসি-তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্বীকৃত বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘জিয়া পরিষদ’-এর একটি কমিটি অনুমোদনকে কেন্দ্র করে ব্যাংক পাড়ায় চরম চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে, স্থায়ী কমিটিকে পাশ কাটিয়ে এবং লাখ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে এই ‘ভুয়া’ কমিটি দেওয়া হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, তথাকথিত ১২১ সদস্যের এই কমিটির খবর কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ পেলেও, গত তিন দিনেও মূল কমিটির কোনো অনুলিপি কোথাও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি কমিটিতে পদ পাওয়া কর্মকর্তাদের অনেকেই জানেন না যে তারা এই তালিকায় আছেন!
জিয়া পরিষদের গঠনতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো পর্যায়ের কমিটি অনুমোদনের জন্য প্রথমে প্রস্তাবিত তালিকা সংগঠনের স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে পেশ করে যাচাই-বাছাই করতে হয়। এরপর চূড়ান্তভাবে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব যৌথ স্বাক্ষরে তা অনুমোদন দেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৩ জুন জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদ সম্পূর্ণ একক এখতিয়ারে, নিজের স্বাক্ষরে জনতা ব্যাংকের এই কমিটি অনুমোদন দেন। গঠনতন্ত্রে চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের পক্ষে অন্য কারও এভাবে কমিটি অনুমোদনের কোনো বিধান বা নজির নেই। ব্যাংক পাড়ার জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে স্পষ্ট জালিয়াতি এবং প্রতারণা বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, জনতা ব্যাংকের বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন সেলিম এবং হাফিজুর রহমানকে সুবিধা দিতেই এই পকেট কমিটি সাজানো হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই ভুয়া কমিটি বাগিয়ে নিতে আব্দুল্লাহিল মাসুদকে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে। এর আগেও ২০১৯ সালে গুরুতর অসদাচরণের দায়ে সাইফুল আবেদীন সেলিমকে জিয়া পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু গত মাসেও স্থায়ী কমিটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একক স্বাক্ষরে সেলিমের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেন এই আব্দুল্লাহিল মাসুদ। বারবার একই ধরনের সাংগঠনিক অপরাধ করলেও মাসুদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র হতাশা বিরাজ করছে। জনতা ব্যাংকে সাইফুল আবেদীন সেলিম একজন চতুর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ব্যাংকটির শীর্ষ নির্বাহী (চেয়ারম্যান ও এমডি)-দের ব্ল্যাকমেইল করার এক অভিনব কৌশলের অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, সেলিম প্রথমে নিজেই ছদ্মনামে বা টাকার বিনিময়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পোর্টালে খবর প্রকাশ করান। এরপর সেই নিউজের লিংক নিজের বিশ্বস্ত লোক দিয়ে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে দেন। চারদিকে শোরগোল উঠলে সেলিম নিজেই আবার ‘ত্রাতা’ বা ‘ওঝা’ সেজে শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে হাজির হন এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের প্রশাসনিক আনুকূল্য আদায় করেন। আর এই প্রশাসনিক আনুকূল্য ব্যবহার করেই তিনি বদলি বাণিজ্য, পদোন্নতি বাণিজ্য, সুদ মওকুফ সুবিধা এবং এয়ারপোর্ট বুথ থেকে নিয়মিত মাসোহারা নেওয়াসহ কোটি কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইফুল আবেদীন সেলিমের চাকরির মেয়াদ আর মাত্র চার মাস বাকি রয়েছে। অবসরে গেলেই তার এই কোটি কোটি টাকার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। তাই অবসরের পরও যেন দুই বা তিন বছরের জন্য জিয়া পরিষদের ব্যানারে জনতা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখা যায় সেই লক্ষ্যেই তিনি এই ভুয়া কমিটি বানিজ্যে মেতে উঠেছেন। এই কমিটিকে ঢাল বানিয়ে তিনি ব্যাংকের প্রশাসনকে জিম্মি করে লুটপাট চালিয়ে যাওয়ার সেফ প্যাসেজ বা ‘সার্টিফিকেট’ খুঁজছেন।
ক্ষোভে ফুঁসছে মতিঝিল পাড়া: জিয়া পরিষদের নামে এমন নজিরবিহীন জালিয়াতি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় মতিঝিল ব্যাংক পাড়ার জাতীয়তাবাদী ঘরানার কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ঘুষের বিনিময়ে জনতা ব্যাংকের কমিটি অনুমোদন এবং ব্যাংক ক্ষতিকারক চক্রের সাথে আঁতাত করার বিষয়ে জিয়া পরিষদের মূল নেতৃত্বের কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি। ব্যাংক পাড়ার আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহিল মাসুদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তার ও সাইফুল আবেদীন সেলিমের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য তদন্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ কর্মকর্তারা। সাধারণ নেতাকর্মী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের মুখে মুখে এখন একটাই গুঞ্জন—”মাসুদ আর ভালো হইলো না।”
এই বিষয় জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুল লতিফ বলেন, কমিটির নামে টাকা পয়সা নেয়ার খবর আমার জানা নেই। জনতা ব্যাংকে এখন পর্যন্ত কোন কমিটি দেয়া হয়নি। পত্রিকার নিউজের ব্যপারে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি এই সম্পর্কে জানা নেই। বর্তমানে আমি দেশে বাইরে আছি। দেশে আসলে কথা বলবো।
এই বিষয় জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ বলেন, কমিটি তো সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব দিয়েছেন, এখানে আমার কমিটি বানিজ্যের কোন বিষয় নেই। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন মিডিয়ায় একটি কমিটি ছাপা হয়েছে। আপনি চাইলে জনতা ক্যাংকের নেতাদেও কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।
এই বিষয় সাইফুল আবেদীন তালুকদার (সেলিম) বলেন, দুইজন সম্মানিত ব্যাক্তি এই কমিটি দিয়েছে। তারা টাকার বিনিময় কমিটি দেবে এটা কি কারো বিশ্বাসযোগ্য। নতুন কমিটির বিষয় জানতে চাইলে সেলিম বলেন, গত পরশুদিন কমিটি প্রকাশ হয়েছে। আপনার সঙ্গে দেখা হলে কমিটির কাগজ দেয়া যেত। চাঁদা তোলার বিষয় তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা আমাকে ঘায়েল করার জন্য এসব প্রপাগান্ডা ছরাচ্ছে।