নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ আগস্ট, ২০২৬, 11:59 PM
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির দুই শীর্ষ নেতা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন সজ্জন, মার্জিত ও প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তাঁর বিনয়ী আচরণ, শালীন বক্তব্য, যুক্তিনির্ভর রাজনৈতিক অবস্থান এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে নিজস্ব একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।
একই সাথে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
তারা বলেন, একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন, পরিচ্ছন্ন ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
যৌথ বিবৃতিতে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছেই নয়, দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কাছেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন পরিচ্ছন্ন বিনয়ী ও ভদ্র রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও প্রতিপক্ষের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাবোধ ও সৌজন্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির নেতারা আরো বলেন , মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় তাঁর ব্যক্তিগত সততা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে প্রশংসিত। তিনি রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখেছেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বিএনপির মতো দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্বতা, ধৈর্য, সংযম এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, সংযম, মানবিক মূল্যবোধ এবং গণতান্ত্রিক চেতনা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবেন।
বিবৃতিতে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময়। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং পরবর্তীতে শিক্ষকতা ও পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বিএনপির মহাসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও সংযত ভাষায় বক্তব্য প্রদান এবং আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য নিরসনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। তাঁর ব্যক্তিত্বে রয়েছে ভদ্রতা, বিনয়, শালীনতা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার সমন্বয়। এ কারণেই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরোধী মতের অনেক নেতার কাছেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে শ্রদ্ধাভাজন ও গ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর মনোনয়ন দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ আগস্ট, ২০২৬, 11:59 PM
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির দুই শীর্ষ নেতা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন সজ্জন, মার্জিত ও প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তাঁর বিনয়ী আচরণ, শালীন বক্তব্য, যুক্তিনির্ভর রাজনৈতিক অবস্থান এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে নিজস্ব একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।
একই সাথে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
তারা বলেন, একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন, পরিচ্ছন্ন ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
যৌথ বিবৃতিতে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছেই নয়, দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কাছেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন পরিচ্ছন্ন বিনয়ী ও ভদ্র রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও প্রতিপক্ষের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাবোধ ও সৌজন্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির নেতারা আরো বলেন , মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় তাঁর ব্যক্তিগত সততা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে প্রশংসিত। তিনি রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখেছেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বিএনপির মতো দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্বতা, ধৈর্য, সংযম এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, সংযম, মানবিক মূল্যবোধ এবং গণতান্ত্রিক চেতনা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবেন।
বিবৃতিতে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময়। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং পরবর্তীতে শিক্ষকতা ও পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বিএনপির মহাসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও সংযত ভাষায় বক্তব্য প্রদান এবং আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য নিরসনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। তাঁর ব্যক্তিত্বে রয়েছে ভদ্রতা, বিনয়, শালীনতা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার সমন্বয়। এ কারণেই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরোধী মতের অনেক নেতার কাছেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে শ্রদ্ধাভাজন ও গ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর মনোনয়ন দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।