CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১০ জুন, ২০২৬

রাজধানীতে প্রবাসীর ৮ টুকরো মরদেহ, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

#
news image

রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় উদ্ধার হওয়া খণ্ডিত মরদেহের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি সৌদি প্রবাসী মুকাররম বলে জানা গেছে। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে প্রেমিকা ও তার এক বান্ধবী মিলে তাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৮ মে) তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাঁচ লাখাধিক টাকা আত্মসাৎ করার পর মুকাররমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ৮ টুকরা করে পলিথিনে ভরে ময়লার মধ্যে ফেলে দেয়া হয়।

এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা ১ম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি ৭ টুকরো অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা উদ্ধার করা যায়নি।

মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ওই ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করলেও প্রথমদিকে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নিউজ ডেস্ক

১৮ মে, ২০২৬,  1:13 PM

news image
সংগৃহীত

রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় উদ্ধার হওয়া খণ্ডিত মরদেহের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি সৌদি প্রবাসী মুকাররম বলে জানা গেছে। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে প্রেমিকা ও তার এক বান্ধবী মিলে তাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৮ মে) তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাঁচ লাখাধিক টাকা আত্মসাৎ করার পর মুকাররমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ৮ টুকরা করে পলিথিনে ভরে ময়লার মধ্যে ফেলে দেয়া হয়।

এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা ১ম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি ৭ টুকরো অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা উদ্ধার করা যায়নি।

মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ওই ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করলেও প্রথমদিকে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।