CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

‘খুব দ্রুতই আমরা এমন এক অস্ত্র দেখাবো, যা শত্রুরা সবচেয়ে বেশি ভয় পায়’

#
news image

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, খুব শিগগিরই ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এমন এক অস্ত্রের মুখোমুখি করবে, যা নিয়ে শত্রুপক্ষ গভীরভাবে আতঙ্কিত।

বুধবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “খুব দ্রুতই আমরা এমন একটি অস্ত্র উন্মোচন করব, যা শত্রুরা সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। এটি তাদের খুব কাছেই রয়েছে। আশা করি, এতে তাদের হার্ট অ্যাটাক হবে না।”

শাহরাম ইরানি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত আগ্রাসনের মাধ্যমে দ্রুত সাফল্য অর্জনের যে ধারণা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা করেছিল, তা এখন সামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হাস্যরসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংঘাত চলাকালে ইরানি নৌবাহিনী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের বিরুদ্ধে সাত দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব অভিযানের ফলে কিছু সময়ের জন্য জাহাজটি থেকে বিমান উড্ডয়ন ও সামরিক অভিযান ব্যাহত হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত ১০০ দফা পাল্টা হামলা পরিচালনা করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ জোরদার করতে নৌঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্ম ও অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে। তবে এসব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তারা কৌশলগতভাবে অচলাবস্থায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা তুলে ধরে ইরানের নৌপ্রধান বলেন, ইরান শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানি জাহাজ জব্দ করার অভিযোগ তুলে বলেন, এটি শুধু জলদস্যুতা নয়, বরং জিম্মি করার শামিল।

শাহরাম ইরানি বলেন, “আমেরিকানরা সোমালি জলদস্যুদের চেয়েও ভয়ংকর। সোমালি জলদস্যুরা দারিদ্র্যের কারণে এমন কাজ করত, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এতে জিম্মি পরিস্থিতিও যুক্ত করেছে।”

সবশেষে তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর এবং উপযুক্ত সময়ে এমন পাল্টা আঘাত হানা হবে, যা শত্রুদের জন্য অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

নিউজ ডেস্ক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  11:24 AM

news image
ইন্টারনেট

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, খুব শিগগিরই ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এমন এক অস্ত্রের মুখোমুখি করবে, যা নিয়ে শত্রুপক্ষ গভীরভাবে আতঙ্কিত।

বুধবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “খুব দ্রুতই আমরা এমন একটি অস্ত্র উন্মোচন করব, যা শত্রুরা সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। এটি তাদের খুব কাছেই রয়েছে। আশা করি, এতে তাদের হার্ট অ্যাটাক হবে না।”

শাহরাম ইরানি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত আগ্রাসনের মাধ্যমে দ্রুত সাফল্য অর্জনের যে ধারণা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা করেছিল, তা এখন সামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হাস্যরসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংঘাত চলাকালে ইরানি নৌবাহিনী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের বিরুদ্ধে সাত দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব অভিযানের ফলে কিছু সময়ের জন্য জাহাজটি থেকে বিমান উড্ডয়ন ও সামরিক অভিযান ব্যাহত হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত ১০০ দফা পাল্টা হামলা পরিচালনা করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ জোরদার করতে নৌঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্ম ও অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে। তবে এসব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তারা কৌশলগতভাবে অচলাবস্থায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা তুলে ধরে ইরানের নৌপ্রধান বলেন, ইরান শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানি জাহাজ জব্দ করার অভিযোগ তুলে বলেন, এটি শুধু জলদস্যুতা নয়, বরং জিম্মি করার শামিল।

শাহরাম ইরানি বলেন, “আমেরিকানরা সোমালি জলদস্যুদের চেয়েও ভয়ংকর। সোমালি জলদস্যুরা দারিদ্র্যের কারণে এমন কাজ করত, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এতে জিম্মি পরিস্থিতিও যুক্ত করেছে।”

সবশেষে তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর এবং উপযুক্ত সময়ে এমন পাল্টা আঘাত হানা হবে, যা শত্রুদের জন্য অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।