CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ে নতুন চিত্র: আক্রান্তদের বেশিরভাগই সমকামী

#
news image

দেশে বর্তমানে প্রায় ৮ হাজার ৫০০ জন এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে সংক্রমণের ধরনে নতুন একটি প্রবণতা দেখা গেছে, যা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের একটি বড় অংশ তরুণ বয়সী এবং শিক্ষার্থী শ্রেণির মধ্যে পড়ছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মধ্যেও সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে পাওয়া পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীতে সর্বোচ্চ এইচআইভি সনাক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। গত বছর ২৯৩ জন এইচআইভি রোগী শনাক্ত হন। চলতি বছরে নিয়মিত পরীক্ষায় প্রতি মাসে গড়ে ২৮ থেকে ৩০ জন নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে। এদের প্রায় ৭০ শতাংশই সমকামী।

অন্যদিকে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২৫ শয্যার বিশেষ ইউনিটে বর্তমানে রোগীদের চিকিৎসা চলছে। ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হাজারের বেশি পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে সংক্রমিতদের মধ্যে একটি বড় অংশ তরুণ বয়সী, যাদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ, অজ্ঞতা এবং সচেতনতার অভাবই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ঢাকার বাইরে যশোর জেলা হাসপাতালেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেখানে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে এবং তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ বয়সী।

জাতীয় এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির একজন কর্মকর্তা জানান, পূর্বে সংক্রমণ মূলত নির্দিষ্ট কিছু ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে বেশি দেখা গেলেও এখন তা তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে। তাই প্রতিরোধ, সচেতনতা এবং নিরাপদ আচরণ নিয়ে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইউএনএআইডিএস-এর ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত, এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশে ১৯৮৫ সালেই প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চিকিৎসা ও সচেতনতা কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

২৮ এপ্রিল, ২০২৬,  1:12 PM

news image
ইন্টারনেট

দেশে বর্তমানে প্রায় ৮ হাজার ৫০০ জন এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে সংক্রমণের ধরনে নতুন একটি প্রবণতা দেখা গেছে, যা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের একটি বড় অংশ তরুণ বয়সী এবং শিক্ষার্থী শ্রেণির মধ্যে পড়ছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মধ্যেও সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে পাওয়া পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীতে সর্বোচ্চ এইচআইভি সনাক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। গত বছর ২৯৩ জন এইচআইভি রোগী শনাক্ত হন। চলতি বছরে নিয়মিত পরীক্ষায় প্রতি মাসে গড়ে ২৮ থেকে ৩০ জন নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে। এদের প্রায় ৭০ শতাংশই সমকামী।

অন্যদিকে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২৫ শয্যার বিশেষ ইউনিটে বর্তমানে রোগীদের চিকিৎসা চলছে। ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হাজারের বেশি পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে সংক্রমিতদের মধ্যে একটি বড় অংশ তরুণ বয়সী, যাদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ, অজ্ঞতা এবং সচেতনতার অভাবই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ঢাকার বাইরে যশোর জেলা হাসপাতালেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেখানে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে এবং তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ বয়সী।

জাতীয় এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির একজন কর্মকর্তা জানান, পূর্বে সংক্রমণ মূলত নির্দিষ্ট কিছু ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে বেশি দেখা গেলেও এখন তা তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে। তাই প্রতিরোধ, সচেতনতা এবং নিরাপদ আচরণ নিয়ে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইউএনএআইডিএস-এর ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত, এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশে ১৯৮৫ সালেই প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চিকিৎসা ও সচেতনতা কর্মসূচি চলমান রয়েছে।