CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

বৃষ্টি হলেই ঘুম পায় কেন?

#
news image

ধরুন, বাইরে টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছে। আপনি জানালার পাশে বসে আছেন, হালকা ঠান্ডা হাওয়া। আর হঠাৎই চোখে ঘুম নেমে আসছে। প্রশ্ন হলো- কেন বৃষ্টি হলেই আমাদের এত ঘুম পায়? এটা কি শুধু অলসতা? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ?

বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ শুধু সুন্দরই না। এটা আসলে আমাদের মস্তিষ্কের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এই ধরনের শব্দকে বলা হয় হোয়াইট নয়েজ। হোয়াইট নয়েজ এমন এক ধরনের শব্দ যা সব ফ্রিকোয়েন্সিকে একসাথে মিশিয়ে দেয়।

ফলে বাইরে হঠাৎ গাড়ির হর্ন, মানুষের কথা এসব বিরক্তিকর শব্দ আমাদের কানে কম পৌঁছায়। এর ফলে ব্রেইন ধীরে ধীরে ‘রিল্যাক্স মোড’-এ চলে যায়। ঠিক যেভাবে আমরা ঘুমানোর আগে শান্ত মিউজিক শুনি।

বৃষ্টির দিনে আকাশ মেঘলা থাকে। সূর্যের আলো অনেকটাই কমে যায়। আমাদের শরীর কিন্তু আলো-অন্ধকারের উপর নির্ভর করে কাজ করে। এটাকে বলা হয় র্কাডিয়ান রিদম। যখন আলো কমে যায়, আমাদের ব্রেইন মনে করে ‘এখন হয়তো বিশ্রামের সময়।’ ফলে শরীর নিজে থেকেই ধীরে ধীরে ঘুমের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে-হরমোন। কম আলোতে আমাদের শরীরে
মেলাটোনিন বেশি পরিমাণে তৈরি হয়। এই হরমোনের কাজই হলো শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করা। রাতে যেমন অন্ধকার হলে ঘুম আসে, ঠিক তেমনই বৃষ্টির মেঘলা পরিবেশেও এই হরমোন বাড়তে থাকে।

বৃষ্টি নামলেই আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যায়। আর ঠান্ডা পরিবেশ আমাদের শরীরের জন্য একটা ‘স্লিপ-ফ্রেন্ডলি’ কন্ডিশন। আমাদের শরীরের তাপমাত্রা একটু কমে গেলে ঘুম আসা সহজ হয়। তাই অনেকেই এসি চালিয়ে বা ঠান্ডা ঘরে ভালো ঘুমাতে পারেন। বৃষ্টির দিনটা ঠিক সেই পরিবেশটাই তৈরি করে দেয় ন্যাচারালভাবেই।

বৃষ্টির দিনে আমাদের মুডও বদলে যায়। অনেকেই বাইরে যেতে চান না, কাজের চাপও কম থাকে। এই সময় আমরা একটু স্লো হয়ে যাই। এছাড়া মাইন্ড আর বডি দুটোই স্লো হয়ে যায়। এই অলসতা আর শান্ত পরিবেশ ঘুমের প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

নিউজ ডেস্ক

২৮ এপ্রিল, ২০২৬,  1:11 PM

news image
সংগৃহীত

ধরুন, বাইরে টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছে। আপনি জানালার পাশে বসে আছেন, হালকা ঠান্ডা হাওয়া। আর হঠাৎই চোখে ঘুম নেমে আসছে। প্রশ্ন হলো- কেন বৃষ্টি হলেই আমাদের এত ঘুম পায়? এটা কি শুধু অলসতা? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ?

বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ শুধু সুন্দরই না। এটা আসলে আমাদের মস্তিষ্কের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এই ধরনের শব্দকে বলা হয় হোয়াইট নয়েজ। হোয়াইট নয়েজ এমন এক ধরনের শব্দ যা সব ফ্রিকোয়েন্সিকে একসাথে মিশিয়ে দেয়।

ফলে বাইরে হঠাৎ গাড়ির হর্ন, মানুষের কথা এসব বিরক্তিকর শব্দ আমাদের কানে কম পৌঁছায়। এর ফলে ব্রেইন ধীরে ধীরে ‘রিল্যাক্স মোড’-এ চলে যায়। ঠিক যেভাবে আমরা ঘুমানোর আগে শান্ত মিউজিক শুনি।

বৃষ্টির দিনে আকাশ মেঘলা থাকে। সূর্যের আলো অনেকটাই কমে যায়। আমাদের শরীর কিন্তু আলো-অন্ধকারের উপর নির্ভর করে কাজ করে। এটাকে বলা হয় র্কাডিয়ান রিদম। যখন আলো কমে যায়, আমাদের ব্রেইন মনে করে ‘এখন হয়তো বিশ্রামের সময়।’ ফলে শরীর নিজে থেকেই ধীরে ধীরে ঘুমের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে-হরমোন। কম আলোতে আমাদের শরীরে
মেলাটোনিন বেশি পরিমাণে তৈরি হয়। এই হরমোনের কাজই হলো শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করা। রাতে যেমন অন্ধকার হলে ঘুম আসে, ঠিক তেমনই বৃষ্টির মেঘলা পরিবেশেও এই হরমোন বাড়তে থাকে।

বৃষ্টি নামলেই আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যায়। আর ঠান্ডা পরিবেশ আমাদের শরীরের জন্য একটা ‘স্লিপ-ফ্রেন্ডলি’ কন্ডিশন। আমাদের শরীরের তাপমাত্রা একটু কমে গেলে ঘুম আসা সহজ হয়। তাই অনেকেই এসি চালিয়ে বা ঠান্ডা ঘরে ভালো ঘুমাতে পারেন। বৃষ্টির দিনটা ঠিক সেই পরিবেশটাই তৈরি করে দেয় ন্যাচারালভাবেই।

বৃষ্টির দিনে আমাদের মুডও বদলে যায়। অনেকেই বাইরে যেতে চান না, কাজের চাপও কম থাকে। এই সময় আমরা একটু স্লো হয়ে যাই। এছাড়া মাইন্ড আর বডি দুটোই স্লো হয়ে যায়। এই অলসতা আর শান্ত পরিবেশ ঘুমের প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।