নিউজ ডেস্ক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬, 2:12 PM
দেখতে স্বর্গ, ভেতরে সংগ্রাম। এটি কোনো বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদ নয়। আধুনিক ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের ভিড়ে হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল সবুজে ঘেরা ছোট্ট এই বাড়িটি। মাটির তৈরি এই ঘরটি যেন এক টুকরো শান্তির ছবি, যেখানে প্রকৃতির ছোঁয়ায় মিশে আছে সরল জীবনের সৌন্দর্য।
গ্রামীণ এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশই বাড়িটিকে এনে দিয়েছে আলাদা পরিচিতি। ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে ছড়িয়ে পড়ে বাড়িটি পেয়েছে কোটি কোটি ভিউ। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এক নজর দেখতে।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শৈলাট গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা শান্ত পরিবেশের এই বাড়িতে বসবাস করেন বৃদ্ধ কৃষক দলা মিয়া ও তার স্ত্রী । বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একটি ছোট শোবার ঘর পাশেই রয়েছে রান্নাঘর, আর সেখানেই লালন-পালন করা হয় হাঁস-মুরগি। বাড়ির উঠানেই আছে একটি ছোট পুকুর চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ ধানক্ষেত যেন প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা এক শান্তির নিবাস।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, দলা মিয়ার বাড়িটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলেও বাস্তবে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দরিদ্র এই কৃষকের বাড়িতে নেই বিশুদ্ধ খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা, এমনকি স্যানিটেশন সুবিধাও অত্যন্ত নাজুক। তাদের অভিযোগ, কনটেন্ট ক্রিয়েটররা এই বাড়ি নিয়ে ভিডিও তৈরি করে কোটি কোটি ভিউ অর্জন করছেন এবং ডলার আয় করছেন। তবে সেই আয়ের কোনো প্রভাব পড়েনি এই পরিবারের জীবনে।
প্রায় ৪০ বছর আগে পৈতৃক ভিটার ২০ শতাংশ জমির ওপর তিনি এই বাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এই ভিটাতেই নিঃসন্তান দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে সংসার গড়ে তোলেন কৃষক দলা মিয়া।
নিউজ ডেস্ক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬, 2:12 PM
দেখতে স্বর্গ, ভেতরে সংগ্রাম। এটি কোনো বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদ নয়। আধুনিক ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের ভিড়ে হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল সবুজে ঘেরা ছোট্ট এই বাড়িটি। মাটির তৈরি এই ঘরটি যেন এক টুকরো শান্তির ছবি, যেখানে প্রকৃতির ছোঁয়ায় মিশে আছে সরল জীবনের সৌন্দর্য।
গ্রামীণ এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশই বাড়িটিকে এনে দিয়েছে আলাদা পরিচিতি। ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে ছড়িয়ে পড়ে বাড়িটি পেয়েছে কোটি কোটি ভিউ। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এক নজর দেখতে।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শৈলাট গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা শান্ত পরিবেশের এই বাড়িতে বসবাস করেন বৃদ্ধ কৃষক দলা মিয়া ও তার স্ত্রী । বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একটি ছোট শোবার ঘর পাশেই রয়েছে রান্নাঘর, আর সেখানেই লালন-পালন করা হয় হাঁস-মুরগি। বাড়ির উঠানেই আছে একটি ছোট পুকুর চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ ধানক্ষেত যেন প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা এক শান্তির নিবাস।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, দলা মিয়ার বাড়িটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলেও বাস্তবে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দরিদ্র এই কৃষকের বাড়িতে নেই বিশুদ্ধ খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা, এমনকি স্যানিটেশন সুবিধাও অত্যন্ত নাজুক। তাদের অভিযোগ, কনটেন্ট ক্রিয়েটররা এই বাড়ি নিয়ে ভিডিও তৈরি করে কোটি কোটি ভিউ অর্জন করছেন এবং ডলার আয় করছেন। তবে সেই আয়ের কোনো প্রভাব পড়েনি এই পরিবারের জীবনে।
প্রায় ৪০ বছর আগে পৈতৃক ভিটার ২০ শতাংশ জমির ওপর তিনি এই বাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এই ভিটাতেই নিঃসন্তান দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে সংসার গড়ে তোলেন কৃষক দলা মিয়া।