নিউজ ডেস্ক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬, 5:01 PM
গাজীপুরের শ্রীপুর চৌরাস্তা থেকে বরমী অভিমুখী নির্মাণাধীন সড়কে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এতে নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
সরেজমিনে দেখা যায়, এখনো সড়কটি আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এর মধ্যেই একাধিক স্থানে দৃশ্যমান ফাটল ও ক্ষতচিহ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই এমন অবস্থা হলে ভবিষ্যতে সড়কটি টেকসই হবে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে কিছুদিন পরই এটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ভালো একটি টেকসই সড়কের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু কাজের মান দেখে হতাশ হতে হচ্ছে। নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অন্যথায় সরকারি অর্থের অপচয় হবে।
জানা গেছে, প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি ঢালাই সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। শ্রীপুর পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অর্থায়নে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিয়ান এন্টারপ্রাইজ, যার মালিক ইমদাদুল হক।
গত ৪ মার্চ গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
সচেতন মহলের মতে, জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক নির্মাণের শুরুতেই ত্রুটি দেখা দেওয়া উদ্বেগজনক। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে মানসম্মত নির্মাণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহেদ আকতার জানান, এটি মূলত হেয়ার ক্র্যাক, বড় ধরনের ফাটল নয়। তাপমাত্রার কারণে এমনটি হতে পারে। পানি ব্যবহার করে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ নেই, কারণ রেডিমিক্স কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. নাহিদ ভূইয়া বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কাজের মধ্যে কোনো ত্রুটি থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজ ডেস্ক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬, 5:01 PM
গাজীপুরের শ্রীপুর চৌরাস্তা থেকে বরমী অভিমুখী নির্মাণাধীন সড়কে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এতে নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
সরেজমিনে দেখা যায়, এখনো সড়কটি আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এর মধ্যেই একাধিক স্থানে দৃশ্যমান ফাটল ও ক্ষতচিহ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই এমন অবস্থা হলে ভবিষ্যতে সড়কটি টেকসই হবে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে কিছুদিন পরই এটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ভালো একটি টেকসই সড়কের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু কাজের মান দেখে হতাশ হতে হচ্ছে। নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অন্যথায় সরকারি অর্থের অপচয় হবে।
জানা গেছে, প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি ঢালাই সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। শ্রীপুর পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অর্থায়নে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিয়ান এন্টারপ্রাইজ, যার মালিক ইমদাদুল হক।
গত ৪ মার্চ গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
সচেতন মহলের মতে, জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক নির্মাণের শুরুতেই ত্রুটি দেখা দেওয়া উদ্বেগজনক। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে মানসম্মত নির্মাণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহেদ আকতার জানান, এটি মূলত হেয়ার ক্র্যাক, বড় ধরনের ফাটল নয়। তাপমাত্রার কারণে এমনটি হতে পারে। পানি ব্যবহার করে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ নেই, কারণ রেডিমিক্স কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. নাহিদ ভূইয়া বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কাজের মধ্যে কোনো ত্রুটি থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।