নিউজ ডেস্ক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬, 5:06 PM
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের উত্থাপিত দুটি বিশেষ অধিকারের নোটিশ কার্যপ্রণালী বিধির আওতায় না থাকায় খারিজ করে দিয়েছেন স্পিকার। সংসদের ফ্লোর পাওয়ার সিরিয়াল নির্ধারণে স্টাফদের সহযোগিতা নেওয়া এবং এশার নামাজের বিরতি সংক্রান্ত পৃথক দুটি নোটিশের বিষয়ে স্পিকার সংসদে তার রুলিং দেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান প্রথম নোটিশে উল্লেখ করে জানান, অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডার বা সম্পূরক প্রশ্ন করার জন্য অনেক সদস্য একসঙ্গে হাত তুললে স্পিকারের পক্ষে সবার সিরিয়াল মনে রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সামনের টেবিলে দায়িত্বরত কোনো স্টাফ যদি কে আগে হাত তুললেন সেই সিরিয়াল লিখে স্পিকারকে সহায়তা করেন, তবে সদস্যদের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
প্রস্তাবের জবাবে স্পিকার সংসদকে জানান, সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তারা তাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সংসদ পরিচালনায় সব ধরনের সহায়তা করে থাকেন। তবে কার্যপ্রণালী বিধির ৫৪(৩)-বিধি অনুযায়ী সংসদ সচিবালয় সম্পর্কে সরাসরি সংসদে প্রশ্ন তোলা বিধিসম্মত নয়। এ ধরনের কোনো পরামর্শ বা প্রশ্ন থাকলে সেটি কেবল ব্যক্তিগত চিঠিপত্রের মাধ্যমে স্পিকারকে জানানো যেতে পারে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, বৈধতার প্রশ্ন উত্থাপনের সাফল্য নির্ভর করে সরাসরি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার ওপর। তাই ১৬৪ বিধিতে এই নোটিশটি গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় নোটিশটি ছিল সংসদে এশার নামাজের বিরতি দেওয়া প্রসঙ্গে। নোটিশে সদস্য দাবি করেন, যোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের জন্য বিরতি দেওয়া হলেও এশার নামাজের ক্ষেত্রে কোনো বিরতি দেওয়া হচ্ছে না।
এর উত্তরে স্পিকার সংসদে জানান, প্রচলিত রেওয়াজ ও ঐতিহ্য অনুসারে বৈঠক চলাকালীন কেবল আসর ও মাগরিবের নামাজের বিরতি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এশার নামাজের জন্য সংসদে কখনোই বিরতি দেওয়ার প্রথা ছিল না। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, অধিবেশন চলাকালীন কোনো সদস্য চাইলে এশার নামাজ আদায় করে নিতে পারেন এবং এতে কোনো বাধা নেই। যেহেতু বিষয়টি সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের আওতায় পড়ে না, তাই ১৬৪ বিধিতে এই নোটিশটিও গ্রহণ করা গেল না বলে জানান তিনি।
নিউজ ডেস্ক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬, 5:06 PM
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের উত্থাপিত দুটি বিশেষ অধিকারের নোটিশ কার্যপ্রণালী বিধির আওতায় না থাকায় খারিজ করে দিয়েছেন স্পিকার। সংসদের ফ্লোর পাওয়ার সিরিয়াল নির্ধারণে স্টাফদের সহযোগিতা নেওয়া এবং এশার নামাজের বিরতি সংক্রান্ত পৃথক দুটি নোটিশের বিষয়ে স্পিকার সংসদে তার রুলিং দেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান প্রথম নোটিশে উল্লেখ করে জানান, অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডার বা সম্পূরক প্রশ্ন করার জন্য অনেক সদস্য একসঙ্গে হাত তুললে স্পিকারের পক্ষে সবার সিরিয়াল মনে রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সামনের টেবিলে দায়িত্বরত কোনো স্টাফ যদি কে আগে হাত তুললেন সেই সিরিয়াল লিখে স্পিকারকে সহায়তা করেন, তবে সদস্যদের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
প্রস্তাবের জবাবে স্পিকার সংসদকে জানান, সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তারা তাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সংসদ পরিচালনায় সব ধরনের সহায়তা করে থাকেন। তবে কার্যপ্রণালী বিধির ৫৪(৩)-বিধি অনুযায়ী সংসদ সচিবালয় সম্পর্কে সরাসরি সংসদে প্রশ্ন তোলা বিধিসম্মত নয়। এ ধরনের কোনো পরামর্শ বা প্রশ্ন থাকলে সেটি কেবল ব্যক্তিগত চিঠিপত্রের মাধ্যমে স্পিকারকে জানানো যেতে পারে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, বৈধতার প্রশ্ন উত্থাপনের সাফল্য নির্ভর করে সরাসরি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার ওপর। তাই ১৬৪ বিধিতে এই নোটিশটি গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় নোটিশটি ছিল সংসদে এশার নামাজের বিরতি দেওয়া প্রসঙ্গে। নোটিশে সদস্য দাবি করেন, যোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের জন্য বিরতি দেওয়া হলেও এশার নামাজের ক্ষেত্রে কোনো বিরতি দেওয়া হচ্ছে না।
এর উত্তরে স্পিকার সংসদে জানান, প্রচলিত রেওয়াজ ও ঐতিহ্য অনুসারে বৈঠক চলাকালীন কেবল আসর ও মাগরিবের নামাজের বিরতি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এশার নামাজের জন্য সংসদে কখনোই বিরতি দেওয়ার প্রথা ছিল না। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, অধিবেশন চলাকালীন কোনো সদস্য চাইলে এশার নামাজ আদায় করে নিতে পারেন এবং এতে কোনো বাধা নেই। যেহেতু বিষয়টি সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের আওতায় পড়ে না, তাই ১৬৪ বিধিতে এই নোটিশটিও গ্রহণ করা গেল না বলে জানান তিনি।