CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৩ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

বিনা পারিশ্রমিকে বিএনপিকে প্রশিক্ষণ দিতে চান মেঘনা আলম

#
news image

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং সাম্প্রতিক সময়ে তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলা নানা আলোচনার বিষয়ে মুখ খুলেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মেঘনা আলম। শনিবার (৪ এপ্রিল) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক এবং দলীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

মেঘনা আলম তার পোস্টে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতার চেয়ারে বসার অনেক আগে থেকেই তার দুটি ব্যক্তিগত নম্বর মেঘনার কাছে ছিল। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নম্বরও তার সংগ্রহে ছিল।

তিনি বলেন, ‘ডিপ্লোম্যাটিক সার্কেলে কাজ করলে বা রাজনৈতিক শিক্ষাবিদ হলে অনেকের ব্যক্তিগত যোগাযোগ থাকা স্বাভাবিক।’ তবে সম্প্রতি মিডিয়ায় জনৈক ব্যক্তির মেঘনা আলমের নম্বর চাওয়ার বিষয়টিকে তিনি ‘রাজনৈতিক অপরিপক্কতা’ এবং ‘বাচালতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মেঘনা আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই একটি মন্তব্যের জেরে তারেক রহমানকে নিয়ে যে পরিমাণ চরিত্রহননমূলক কথা বলা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

তিনি মনে করেন, দলের কর্মী ও সমর্থকদের নিয়মিত রাজনৈতিক এবং মিডিয়া ট্রেনিং দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষ্যে তিনি কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই বিএনপিকে সহায়তা করতে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

নিজের যোগ্যতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে মেঘনা আলম উল্লেখ করেন, একজন মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যান্ডিডেট তাকে ‘ঘোস্ট রাইটার’ (নিভৃত লেখক) হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

তবে বাংলাদেশের অনেক মানুষ তাদের সীমিত সামাজিক বৃত্ত ও সুযোগের কারণে এটি বিশ্বাস করতে পারেন না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘ভদ্র উপায়ে নিজের যোগ্যতার জোরে কোনো নারী সম্মানিত হতে পারে, এই সত্যটি অনেকে মেনে নিতে পারেন না।’

দেশের মানুষের মানসিকতাকে নাজুক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলার সময় খুব সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অহেতুক বাচালতা কেবল ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নয়, বরং দলীয় প্রধানের সম্মানের ওপরও আঘাত হানতে পারে।

মেঘনা আলমের এই সাহসী ও বিশ্লেষণধর্মী পোস্টটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে এটি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে।

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল, ২০২৬,  1:51 PM

news image

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং সাম্প্রতিক সময়ে তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলা নানা আলোচনার বিষয়ে মুখ খুলেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মেঘনা আলম। শনিবার (৪ এপ্রিল) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক এবং দলীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

মেঘনা আলম তার পোস্টে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতার চেয়ারে বসার অনেক আগে থেকেই তার দুটি ব্যক্তিগত নম্বর মেঘনার কাছে ছিল। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নম্বরও তার সংগ্রহে ছিল।

তিনি বলেন, ‘ডিপ্লোম্যাটিক সার্কেলে কাজ করলে বা রাজনৈতিক শিক্ষাবিদ হলে অনেকের ব্যক্তিগত যোগাযোগ থাকা স্বাভাবিক।’ তবে সম্প্রতি মিডিয়ায় জনৈক ব্যক্তির মেঘনা আলমের নম্বর চাওয়ার বিষয়টিকে তিনি ‘রাজনৈতিক অপরিপক্কতা’ এবং ‘বাচালতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মেঘনা আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই একটি মন্তব্যের জেরে তারেক রহমানকে নিয়ে যে পরিমাণ চরিত্রহননমূলক কথা বলা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

তিনি মনে করেন, দলের কর্মী ও সমর্থকদের নিয়মিত রাজনৈতিক এবং মিডিয়া ট্রেনিং দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষ্যে তিনি কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই বিএনপিকে সহায়তা করতে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

নিজের যোগ্যতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে মেঘনা আলম উল্লেখ করেন, একজন মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যান্ডিডেট তাকে ‘ঘোস্ট রাইটার’ (নিভৃত লেখক) হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

তবে বাংলাদেশের অনেক মানুষ তাদের সীমিত সামাজিক বৃত্ত ও সুযোগের কারণে এটি বিশ্বাস করতে পারেন না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘ভদ্র উপায়ে নিজের যোগ্যতার জোরে কোনো নারী সম্মানিত হতে পারে, এই সত্যটি অনেকে মেনে নিতে পারেন না।’

দেশের মানুষের মানসিকতাকে নাজুক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলার সময় খুব সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অহেতুক বাচালতা কেবল ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নয়, বরং দলীয় প্রধানের সম্মানের ওপরও আঘাত হানতে পারে।

মেঘনা আলমের এই সাহসী ও বিশ্লেষণধর্মী পোস্টটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে এটি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে।