CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

জেবা আমিনা খানের মনোনয়ন বৈধ, আপিল খারিজ

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী জেবা আমিনা খানের মনোনয়ন বৈধের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন এবং একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

ঢাকার বনানীর বাসিন্দা নাদিম মাহমুদ ও মাসুদ মৃধা নামে দুজন আলাদা অভিযোগ করেন। এর মধ্যে মাসুদ মৃধার পক্ষে কমিশনে অভিযোগ দাখিল করে রিসিভ কপি সংগ্রহ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হোসনে আরা।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, জেবা আমিনা খান বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগকারীর মতে, সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থী তার নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর সম্পদের পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। 

অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান এলাকায় ১০৮নং রোডের একটি প্লটে তার নামে মোট সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্ল্যাটের হোল্ডিং ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩২ লাখ টাকার বেশি।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব সম্পদের তথ্য হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কোম্পানির রেকর্ড উল্লেখ করা হয়েছে, জেবা আমিনা খানকে পরিচালক হিসেবে দেখানো হয়। কোম্পানিটি পরবর্তীতে বিলুপ্ত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তার জাতীয়তা, বসবাস এবং ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাইগ্যামি, জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ, সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগ। তবে এসব মামলার কোনোটিরই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা রায়ের বিষয়ে অভিযোগপত্রে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

অভিযোগকারী নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছেন, উল্লেখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হোক।

এ বিষয়ে ওই সময় সাংবাদিকদের অভিযোগকারী মাসুদ মৃধার আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেলের কথা অনুযায়ী লিখিত অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেবা আমিনা খান ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনয়নে ঝালকাঠি-২ আসনে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল, ২০২৬,  1:23 PM

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী জেবা আমিনা খানের মনোনয়ন বৈধের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন এবং একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

ঢাকার বনানীর বাসিন্দা নাদিম মাহমুদ ও মাসুদ মৃধা নামে দুজন আলাদা অভিযোগ করেন। এর মধ্যে মাসুদ মৃধার পক্ষে কমিশনে অভিযোগ দাখিল করে রিসিভ কপি সংগ্রহ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হোসনে আরা।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, জেবা আমিনা খান বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগকারীর মতে, সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থী তার নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর সম্পদের পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। 

অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান এলাকায় ১০৮নং রোডের একটি প্লটে তার নামে মোট সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্ল্যাটের হোল্ডিং ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩২ লাখ টাকার বেশি।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব সম্পদের তথ্য হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কোম্পানির রেকর্ড উল্লেখ করা হয়েছে, জেবা আমিনা খানকে পরিচালক হিসেবে দেখানো হয়। কোম্পানিটি পরবর্তীতে বিলুপ্ত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তার জাতীয়তা, বসবাস এবং ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাইগ্যামি, জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ, সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগ। তবে এসব মামলার কোনোটিরই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা রায়ের বিষয়ে অভিযোগপত্রে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

অভিযোগকারী নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছেন, উল্লেখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হোক।

এ বিষয়ে ওই সময় সাংবাদিকদের অভিযোগকারী মাসুদ মৃধার আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেলের কথা অনুযায়ী লিখিত অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেবা আমিনা খান ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনয়নে ঝালকাঠি-২ আসনে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।