নিউজ ডেস্ক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬, 12:11 PM
অবশেষে মানহানি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা। সোমবার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করার আদেশ দেন।
জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেতে সোমবার সকালে সশরীরে হাইকোর্টে উপস্থিত হন আমির হামজা। গত ২১ এপ্রিল একই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ মার্চ, যখন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে আলোচনায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে গত ২ এপ্রিল অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। ওই দিনই আদালত তাকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে হাজির হওয়ার সমন দিলেও তিনি উপস্থিত না হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে আদালত সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাকে জামিন দেন। এর ফলে আপাতত গ্রেপ্তারের হাত থেকে রেহাই পেলেন এই সংসদ সদস্য ও বক্তা। এই ঘটনাটি বর্তমানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬, 12:11 PM
অবশেষে মানহানি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা। সোমবার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করার আদেশ দেন।
জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেতে সোমবার সকালে সশরীরে হাইকোর্টে উপস্থিত হন আমির হামজা। গত ২১ এপ্রিল একই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ মার্চ, যখন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে আলোচনায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে গত ২ এপ্রিল অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। ওই দিনই আদালত তাকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে হাজির হওয়ার সমন দিলেও তিনি উপস্থিত না হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে আদালত সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাকে জামিন দেন। এর ফলে আপাতত গ্রেপ্তারের হাত থেকে রেহাই পেলেন এই সংসদ সদস্য ও বক্তা। এই ঘটনাটি বর্তমানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।