নিউজ ডেস্ক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬, 3:48 PM
রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আয়োজনে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের মেধাস্বত্ব বিদেশে গিয়ে নিবন্ধন ও ট্রেডমার্ক পাওয়া বড় ধরনের প্রশাসনিক দুর্বলতা।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধাস্বত্ব দেশে ফিরিয়ে আনতে মেধা পাচার রোধ এখন সময়ের দাবি। বিদেশে পড়তে যাওয়া মেধাবীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য বড় বাজেট থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না, যা নিয়ে মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ গবেষণায় বরাদ্দের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান।
ভর্তি পরীক্ষার জটিলতা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা দেশের জনমিতিক সুবিধা কমিয়ে দিচ্ছে। এই অসামঞ্জস্য দূর করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমন্বিত শিক্ষাবর্ষ চালুর পরামর্শ দেন তিনি।
তরুণ প্রজন্মের আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান তরুণদের মধ্যে গভীর বিশ্লেষণের পরিবর্তে যেকোনো বিষয়ে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রবণতা বাড়ছে। তাদের মধ্যে দ্রুত পরিচিত পাওয়ার নেশা কাজ করছে, যা গবেষণা ও উদ্ভাবনের পথে বাধা। এমনকি তারা ইউনিফর্ম পরেও শিক্ষক বা মন্ত্রীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে দ্বিধা করছে না।
এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের গুজবের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
নিউজ ডেস্ক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬, 3:48 PM
রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আয়োজনে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের মেধাস্বত্ব বিদেশে গিয়ে নিবন্ধন ও ট্রেডমার্ক পাওয়া বড় ধরনের প্রশাসনিক দুর্বলতা।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধাস্বত্ব দেশে ফিরিয়ে আনতে মেধা পাচার রোধ এখন সময়ের দাবি। বিদেশে পড়তে যাওয়া মেধাবীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য বড় বাজেট থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না, যা নিয়ে মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ গবেষণায় বরাদ্দের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান।
ভর্তি পরীক্ষার জটিলতা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা দেশের জনমিতিক সুবিধা কমিয়ে দিচ্ছে। এই অসামঞ্জস্য দূর করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমন্বিত শিক্ষাবর্ষ চালুর পরামর্শ দেন তিনি।
তরুণ প্রজন্মের আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান তরুণদের মধ্যে গভীর বিশ্লেষণের পরিবর্তে যেকোনো বিষয়ে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রবণতা বাড়ছে। তাদের মধ্যে দ্রুত পরিচিত পাওয়ার নেশা কাজ করছে, যা গবেষণা ও উদ্ভাবনের পথে বাধা। এমনকি তারা ইউনিফর্ম পরেও শিক্ষক বা মন্ত্রীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে দ্বিধা করছে না।
এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের গুজবের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।