নিউজ ডেস্ক
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 12:06 PM
তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে এসি এখন বিলাসিতা ছাড়িয়ে প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের চড়া অঙ্ক অনেকের জন্যই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ এসির রিমোটের সঠিক ব্যবহার এবং কিছু কৌশল জানলে ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলও রাখা সম্ভব সাধ্যের মধ্যে।
তাপমাত্রা নির্ধারণে মিতব্যয়ী হওয়া
অতিরিক্ত ঠান্ডার আশায় অনেকেই এসির তাপমাত্রা ১৮ বা ২০ ডিগ্রিতে সেট করেন, যা বিদ্যুৎ বিল দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির আদর্শ তাপমাত্রা হওয়া উচিত ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই মাত্রায় এসি চললে যেমন আরামদায়ক পরিবেশ বজায় থাকে, তেমনি যন্ত্রটির ওপর চাপ কম পড়ায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
ইকো মোড ও ফ্যানের সমন্বয়
আধুনিক অধিকাংশ এসিতেই ‘ইকো’ (Eco) বা পাওয়ার সেভিং মোড থাকে। দীর্ঘ সময় এসি চালানোর ক্ষেত্রে এই মোডটি ব্যবহার করলে সাধারণ মোডের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চলাকালীন হালকা গতিতে সিলিং ফ্যান চালু রাখলে ঠান্ডা বাতাস দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে এসিকে ঘর ঠান্ডা করতে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না।
ফিল্টার পরিষ্কারের গুরুত্ব
এসির কার্যকারিতা অনেকাংশেই নির্ভর করে এর পরিচ্ছন্নতার ওপর। বিশেষ করে ইনডোর ইউনিটের ফিল্টারে ধুলোবালি জমলে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয় এবং ঘর ঠান্ডা হতে দেরি হয়। এতে এসি দীর্ঘ সময় সচল থাকে এবং বিল বেড়ে যায়। তাই অন্তত প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখা জরুরি।
প্রাকৃতিক তাপ নিয়ন্ত্রণ
দিনের বেলা ঘরে সরাসরি রোদ ঢুকলে এসির কার্যকারিতা কমে যায়। ভারী পর্দা ব্যবহার করে সূর্যের তাপ আটকে দিলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এছাড়া ঘর ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর দরজা-জানালা বারবার না খোলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এই সাধারণ অভ্যাসগুলো কেবল ব্যক্তিগত খরচই কমায় না, বরং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপের ভার লাঘব করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নিউজ ডেস্ক
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 12:06 PM
তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে এসি এখন বিলাসিতা ছাড়িয়ে প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের চড়া অঙ্ক অনেকের জন্যই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ এসির রিমোটের সঠিক ব্যবহার এবং কিছু কৌশল জানলে ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলও রাখা সম্ভব সাধ্যের মধ্যে।
তাপমাত্রা নির্ধারণে মিতব্যয়ী হওয়া
অতিরিক্ত ঠান্ডার আশায় অনেকেই এসির তাপমাত্রা ১৮ বা ২০ ডিগ্রিতে সেট করেন, যা বিদ্যুৎ বিল দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির আদর্শ তাপমাত্রা হওয়া উচিত ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই মাত্রায় এসি চললে যেমন আরামদায়ক পরিবেশ বজায় থাকে, তেমনি যন্ত্রটির ওপর চাপ কম পড়ায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
ইকো মোড ও ফ্যানের সমন্বয়
আধুনিক অধিকাংশ এসিতেই ‘ইকো’ (Eco) বা পাওয়ার সেভিং মোড থাকে। দীর্ঘ সময় এসি চালানোর ক্ষেত্রে এই মোডটি ব্যবহার করলে সাধারণ মোডের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চলাকালীন হালকা গতিতে সিলিং ফ্যান চালু রাখলে ঠান্ডা বাতাস দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে এসিকে ঘর ঠান্ডা করতে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না।
ফিল্টার পরিষ্কারের গুরুত্ব
এসির কার্যকারিতা অনেকাংশেই নির্ভর করে এর পরিচ্ছন্নতার ওপর। বিশেষ করে ইনডোর ইউনিটের ফিল্টারে ধুলোবালি জমলে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয় এবং ঘর ঠান্ডা হতে দেরি হয়। এতে এসি দীর্ঘ সময় সচল থাকে এবং বিল বেড়ে যায়। তাই অন্তত প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখা জরুরি।
প্রাকৃতিক তাপ নিয়ন্ত্রণ
দিনের বেলা ঘরে সরাসরি রোদ ঢুকলে এসির কার্যকারিতা কমে যায়। ভারী পর্দা ব্যবহার করে সূর্যের তাপ আটকে দিলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এছাড়া ঘর ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর দরজা-জানালা বারবার না খোলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এই সাধারণ অভ্যাসগুলো কেবল ব্যক্তিগত খরচই কমায় না, বরং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপের ভার লাঘব করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।