নিউজ ডেস্ক
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:31 PM
আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ইউনেস্কো বিশ্বজুড়ে পঠন-পাঠন, প্রকাশনা ও কপিরাইটকে উৎসাহ দিতে দিবসটি উদযাপন শুরু করে। মূলত বই পড়া, বই ছাপা এবং বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৮২ সালে লন্ডনে আন্তর্জাতিক গ্রন্থ সম্মেলনের আয়োজন করে ইউনেস্কো। সেখানে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ‘পড়ুয়া সমাজ’ গঠনের ঘোষণা আসে। এরপর ১৯৯৫ সালের প্যারিস অধিবেশনে দিনটিকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য হলো লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠন আজ আলোচনা সভা এবং র্যালির আয়োজন করেছে।
পাঠাগার আন্দোলনের সাথে যুক্ত কর্মীরা মনে করেন, বই হোক মানুষের নিত্যসঙ্গী এবং কপিরাইট রক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হোক লেখকের ন্যায্য অধিকার।
নিউজ ডেস্ক
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:31 PM
আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ইউনেস্কো বিশ্বজুড়ে পঠন-পাঠন, প্রকাশনা ও কপিরাইটকে উৎসাহ দিতে দিবসটি উদযাপন শুরু করে। মূলত বই পড়া, বই ছাপা এবং বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৮২ সালে লন্ডনে আন্তর্জাতিক গ্রন্থ সম্মেলনের আয়োজন করে ইউনেস্কো। সেখানে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ‘পড়ুয়া সমাজ’ গঠনের ঘোষণা আসে। এরপর ১৯৯৫ সালের প্যারিস অধিবেশনে দিনটিকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য হলো লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠন আজ আলোচনা সভা এবং র্যালির আয়োজন করেছে।
পাঠাগার আন্দোলনের সাথে যুক্ত কর্মীরা মনে করেন, বই হোক মানুষের নিত্যসঙ্গী এবং কপিরাইট রক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হোক লেখকের ন্যায্য অধিকার।