CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী মানুষে মানুষে সম্পর্কের বিকল্প নেই

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস

#
news image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর চাঁদাবাজির যে পরিচর্যা করা হয়েছে, মাদক ও সন্ত্রাসকে লালন করা হয়েছে। ৫ আগষ্টের পর দুই মাস চাঁদাবাজ মুক্ত করতে আমি স্পেশাল টিম করেছিলাম। হটলাইন খুলেছিলাম। দুটি গাড়ী প্রস্তুত রেখেছিলাম। চাঁদাবাজির খবর পেলেই আমরা পুলিশ নিয়ে ভুক্তভোগীর পাশে দাড়িয়েছি। এই দুই মাস আমার এলাকা শান্ত ছিলো। যখনই দায়িত্ব প্রত্যাহার করলাম তখন পুলিশও অফ হয়ে গেলো। আবার শুরু হলো চাঁদাবাজি। এতে প্রায় সকল দলই জড়িত হলো। আমি যাদের নিয়ে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করবো তারা চায় সংস্কার। তারাও জড়িত এই চাঁদাবাজিতে। 

 

তিনি বলেন, মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা। 

 

শনিবার কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউট মিলনায়তনে মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। উল্লেখ্য, মির্জা এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন। 

 

মির্জা আব্বাস বলেন, ২৪-এর আন্দোলনে আমিসহ বিএনপির সকল নেতাকর্মী অংশ নিয়েছে। তবে, ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ আর ২৪ এক করা যাবে না। কারণ, ৭১রে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে আর ২৪ স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন। আমরা এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে আমরা অনেক সন্তান, ভাই এবং পিতাহারা হয়েছি। অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। 

 

মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে আলাদা করে দিতে হবে মন্তব্য করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমাদের ছেলেদের ধ্বংস ও নষ্ট করতে একটি গোষ্ঠী এবং একটি দেশ তৎপর। একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে প্রথমেই লেখাপড়া ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। 

 

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মদের উন্নত বিকাশ ঘটাতে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে। বেশি করে বই পড়তে হবে। সোসাল মিডিয়া মাদকের মত একটি মারাত্মক রোগ। এটি মাদকের মত সন্তানদের বিপথগামী করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬,  7:16 PM

news image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর চাঁদাবাজির যে পরিচর্যা করা হয়েছে, মাদক ও সন্ত্রাসকে লালন করা হয়েছে। ৫ আগষ্টের পর দুই মাস চাঁদাবাজ মুক্ত করতে আমি স্পেশাল টিম করেছিলাম। হটলাইন খুলেছিলাম। দুটি গাড়ী প্রস্তুত রেখেছিলাম। চাঁদাবাজির খবর পেলেই আমরা পুলিশ নিয়ে ভুক্তভোগীর পাশে দাড়িয়েছি। এই দুই মাস আমার এলাকা শান্ত ছিলো। যখনই দায়িত্ব প্রত্যাহার করলাম তখন পুলিশও অফ হয়ে গেলো। আবার শুরু হলো চাঁদাবাজি। এতে প্রায় সকল দলই জড়িত হলো। আমি যাদের নিয়ে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করবো তারা চায় সংস্কার। তারাও জড়িত এই চাঁদাবাজিতে। 

 

তিনি বলেন, মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা। 

 

শনিবার কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউট মিলনায়তনে মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। উল্লেখ্য, মির্জা এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন। 

 

মির্জা আব্বাস বলেন, ২৪-এর আন্দোলনে আমিসহ বিএনপির সকল নেতাকর্মী অংশ নিয়েছে। তবে, ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ আর ২৪ এক করা যাবে না। কারণ, ৭১রে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে আর ২৪ স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন। আমরা এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে আমরা অনেক সন্তান, ভাই এবং পিতাহারা হয়েছি। অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। 

 

মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে আলাদা করে দিতে হবে মন্তব্য করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমাদের ছেলেদের ধ্বংস ও নষ্ট করতে একটি গোষ্ঠী এবং একটি দেশ তৎপর। একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে প্রথমেই লেখাপড়া ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। 

 

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মদের উন্নত বিকাশ ঘটাতে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে। বেশি করে বই পড়তে হবে। সোসাল মিডিয়া মাদকের মত একটি মারাত্মক রোগ। এটি মাদকের মত সন্তানদের বিপথগামী করছে।