CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
ছড়িয়ে পড়া আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে যা বললেন মেহজাবীন গার্দিওলার ফেরা, সিটির লড়াই, পিএসজির ঝড় আব্দুল হাইয়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সঙ্গে সহযোগিতার আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে : অর্থমন্ত্রী নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা সবুজ প্রাঙ্গণে সচিবালয় নির্মাণে পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপ গুলশানের 'পেয়ারি তেহারি' রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা  সবার সুরক্ষা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান, ডিবির সম্মাননা পেলেন পুলিশ কর্মকর্তা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন

সবুজ প্রাঙ্গণে সচিবালয় নির্মাণে পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপ

#
news image

কৃষি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় জমির সংকটের মধ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগকে পরিবেশ ও গবেষণার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তাঁদের আশঙ্কা, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের উন্মুক্ত সবুজ প্রাঙ্গণে বড় অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কৃষি গবেষণার সুযোগ আরও সংকুচিত হবে। এ অবস্থায় প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুরোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে রাজপথে নেমেছেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন, পরে সংবাদ সম্মেলন এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের প্রতিনিধিরা। ‘গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধার স্টিয়ারিং কমিটি’র উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচি থেকে মাঠটি ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।

সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পুরোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠটি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। তাঁদের দাবি, সাবেক এরশাদ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই মাঠটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর জমিটি ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি হলেও সেখানে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নতুন সচিবালয়ের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার না করেও বক্তারা বলেন, কৃষি গবেষণার জমি ও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সবুজ প্রাঙ্গণ নষ্ট করে এমন বড় অবকাঠামো নির্মাণ দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হবে না। তাঁদের মতে, প্রস্তাবিত স্থাপনার প্রভাব আশপাশের পরিবেশ, জিয়া উদ্যান, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা,বিশ্ববিদ্যালয় এবং কাছাকাছি হাসপাতালগুলোর ওপরও পড়তে পারে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিবেশগত ও আইনগত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

২৯৮ একর থেকে ৮৭ একরে বিশ্ববিদ্যালয়

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত লিখিত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির ইতিহাস তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ১৯২০ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কৃষিশিক্ষার প্রসার ও গবেষণার জন্য বেঙ্গল অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউটের নামে ২৯৮ দশমিক ৪৮২ একর জমি অধিগ্রহণ করে। পরে আশির দশকে সাবেক এরশাদ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অমতে ২৮ দশমিক ১৩ একর জমি অস্থায়ীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য নেওয়া হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন কমে প্রায় ৮৭ একরে দাঁড়িয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা বলেন, বিষয়টি শুধু জমির মালিকানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে কৃষি গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ, ঐতিহাসিক স্থাপনার মর্যাদা এবং আইনগত বাধ্যবাধকতার প্রশ্নও জড়িত। জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কানের মূল নকশার মর্যাদা, জিয়া উদ্যানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং শেরেবাংলা নগরের পরিবেশগত ভারসাম্য বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

এ ছাড়া প্রত্নসম্পদ আইন, ১৯৬৮, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ এবং বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ২০২২–২০৩৫-এর আলোকে প্রস্তাবিত স্থাপনার পরিবেশগত ও আইনগত প্রভাব পর্যালোচনার আহ্বান জানান বক্তারা।

মাঠ ফেরত না পেয়ে রাজপথে শিক্ষার্থীরা

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে তাঁরা বিভিন্ন সময়ে নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু এখন সেই মাঠে সচিবালয় স্থাপনের পরিকল্পনার কথা শুনে তাঁদের আবারও রাজপথে নামতে হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, গবেষণা মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া না হলে কৃষিশিক্ষা ও হাতে-কলমে গবেষণার সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়বে। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে ‘টেক ব্যাক শেকৃবি ল্যান্ড’ শীর্ষক কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। ওই কর্মসূচি থেকেও মাঠটি দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় জমির সংকটে শেকৃবির বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মাঠটি ফিরে পেলে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
এ অবস্থায় গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ বাতিল করে জমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের মতে, কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার স্বার্থের পাশাপাশি রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ অক্টোবর, ২০২৬,  11:21 PM

news image

কৃষি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় জমির সংকটের মধ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগকে পরিবেশ ও গবেষণার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তাঁদের আশঙ্কা, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের উন্মুক্ত সবুজ প্রাঙ্গণে বড় অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কৃষি গবেষণার সুযোগ আরও সংকুচিত হবে। এ অবস্থায় প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুরোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে রাজপথে নেমেছেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন, পরে সংবাদ সম্মেলন এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের প্রতিনিধিরা। ‘গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধার স্টিয়ারিং কমিটি’র উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচি থেকে মাঠটি ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।

সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পুরোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠটি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। তাঁদের দাবি, সাবেক এরশাদ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই মাঠটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর জমিটি ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি হলেও সেখানে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নতুন সচিবালয়ের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার না করেও বক্তারা বলেন, কৃষি গবেষণার জমি ও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সবুজ প্রাঙ্গণ নষ্ট করে এমন বড় অবকাঠামো নির্মাণ দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হবে না। তাঁদের মতে, প্রস্তাবিত স্থাপনার প্রভাব আশপাশের পরিবেশ, জিয়া উদ্যান, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা,বিশ্ববিদ্যালয় এবং কাছাকাছি হাসপাতালগুলোর ওপরও পড়তে পারে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিবেশগত ও আইনগত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

২৯৮ একর থেকে ৮৭ একরে বিশ্ববিদ্যালয়

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত লিখিত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির ইতিহাস তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ১৯২০ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কৃষিশিক্ষার প্রসার ও গবেষণার জন্য বেঙ্গল অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউটের নামে ২৯৮ দশমিক ৪৮২ একর জমি অধিগ্রহণ করে। পরে আশির দশকে সাবেক এরশাদ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অমতে ২৮ দশমিক ১৩ একর জমি অস্থায়ীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য নেওয়া হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন কমে প্রায় ৮৭ একরে দাঁড়িয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা বলেন, বিষয়টি শুধু জমির মালিকানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে কৃষি গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ, ঐতিহাসিক স্থাপনার মর্যাদা এবং আইনগত বাধ্যবাধকতার প্রশ্নও জড়িত। জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কানের মূল নকশার মর্যাদা, জিয়া উদ্যানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং শেরেবাংলা নগরের পরিবেশগত ভারসাম্য বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

এ ছাড়া প্রত্নসম্পদ আইন, ১৯৬৮, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ এবং বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ২০২২–২০৩৫-এর আলোকে প্রস্তাবিত স্থাপনার পরিবেশগত ও আইনগত প্রভাব পর্যালোচনার আহ্বান জানান বক্তারা।

মাঠ ফেরত না পেয়ে রাজপথে শিক্ষার্থীরা

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে তাঁরা বিভিন্ন সময়ে নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু এখন সেই মাঠে সচিবালয় স্থাপনের পরিকল্পনার কথা শুনে তাঁদের আবারও রাজপথে নামতে হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, গবেষণা মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া না হলে কৃষিশিক্ষা ও হাতে-কলমে গবেষণার সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়বে। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে ‘টেক ব্যাক শেকৃবি ল্যান্ড’ শীর্ষক কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। ওই কর্মসূচি থেকেও মাঠটি দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় জমির সংকটে শেকৃবির বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মাঠটি ফিরে পেলে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
এ অবস্থায় গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ বাতিল করে জমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের মতে, কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার স্বার্থের পাশাপাশি রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।