CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২১ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
দেশের পরিস্তিতি ভালো তাই ব্যারাকে ফিরছে সেনাসদস্যরা: সেনাপ্রধান বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ফেবারিট হয়েও বিশ্বকাপে কোন বড় আতঙ্কে ভুগছে স্পেন?  এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মোদি, সব মন্ত্রীকে দিল্লিতে থাকার নির্দেশ জামায়াত বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্যও রাজপথে থাকবে: হামিদুর রহমান রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনই প্রধান লক্ষ্য: সিইসি আড়াই মাস পর পদ ফিরে পেলেন ছাত্রদলের হামিম সরকারি হাসপাতালের মেশিন সারা বছর নষ্ট থাকে : রুমিন ফারহানা

রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনই প্রধান লক্ষ্য: সিইসি

#
news image

প্রতিটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এসব সংঘাত বন্ধে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন নির্বাচন আয়োজনই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

সিইসি বলেন,‘আমরা কোনো রক্তপাত চাই না। রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঐতিহাসিকভাবেই বেশি সংঘাতপূর্ণ হয়ে থাকে। বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানির পাশাপাশি বহু মানুষ আহত হন, যা বড় উদ্বেগের বিষয়। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সংঘাত প্রতিরোধে নির্বাচন কমিশন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও চালু করবে। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে সবাইকে একত্রিত করার চেষ্টা করা হবে, যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিইসি অতীতের সহিংসতার তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত হন। এছাড়া আইন ও সালিশ কেন্দ্র’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১১৬ জন নিহত হন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকবে না। সবার সহযোগিতা পেলে দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা সফল হতে পারব। গণতন্ত্র শুধু জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; তৃণমূলের গণতন্ত্র আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউপি সদস্যরা সরাসরি মানুষের সেবার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক সরকারের সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।’

নিউজ ডেস্ক

২১ মে, ২০২৬,  4:06 PM

news image
সংগৃহীত

প্রতিটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এসব সংঘাত বন্ধে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন নির্বাচন আয়োজনই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

সিইসি বলেন,‘আমরা কোনো রক্তপাত চাই না। রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঐতিহাসিকভাবেই বেশি সংঘাতপূর্ণ হয়ে থাকে। বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানির পাশাপাশি বহু মানুষ আহত হন, যা বড় উদ্বেগের বিষয়। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সংঘাত প্রতিরোধে নির্বাচন কমিশন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও চালু করবে। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে সবাইকে একত্রিত করার চেষ্টা করা হবে, যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিইসি অতীতের সহিংসতার তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত হন। এছাড়া আইন ও সালিশ কেন্দ্র’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১১৬ জন নিহত হন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকবে না। সবার সহযোগিতা পেলে দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা সফল হতে পারব। গণতন্ত্র শুধু জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; তৃণমূলের গণতন্ত্র আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউপি সদস্যরা সরাসরি মানুষের সেবার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক সরকারের সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।’