CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২১ মে, ২০২৬

ব্যারিস্টার আরমানের চিকিৎসা দরকার : গোলাম মাওলা রনি

#
news image

জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার আরমানের আচরণে সুস্থতার স্বাভাবিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না; বরং কিছুটা অসংলগ্নতা লক্ষ্য করা যায়। তার পোশাক-পরিচ্ছদ, কথাবার্তা এবং সামগ্রিক আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি।

সাম্প্রতিক এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেছেন তিনি।     

গোলাম মাওলা রনি বলেন, ব্যারিস্টার আরমানকে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি চিনি না। তবে তার বাবা যখন জেলে ছিলেন, সেই সময় কাশেম সাহেবের সঙ্গে আমাদের একসঙ্গে থাকার সুযোগ হয়েছিল। সেই সূত্রে আরমানের পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে আমার পরিচয় ও কথা হয়েছে।তার মা, বোন, চাচা, চাচি-এমনকি পরিবারের অনেক সদস্যের সঙ্গেই আমার কথা হয়েছে।

আরমানকে আমি সরাসরি কোর্টে যেভাবে দেখেছি, তিনি সাধারণভাবে শান্ত ও সংযত ছিলেন। তার বাবার সম্পর্কে যা শুনেছি, তাতেও একই ধরনের ধারণা পেয়েছি। কিন্তু বর্তমানে তার যে আচরণ দেখা যাচ্ছে, তা দেখে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হচ্ছে, তার একটি চিকিৎসা বা মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।

এটি নিয়ে কোনো ধরনের লুকোচুরি বা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন গোলাম মাওলা রনি।                    

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার কারণে অনেক সময় মানুষের মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন বা বিপর্যয় দেখা দিতে পারে-এটাও একটি বাস্তবতা। তবে সাম্প্রতিক আচরণ বিবেচনায় মনে হচ্ছে, ব্যারিস্টার মীর কাসেম আলীর ছেলের ক্ষেত্রে আগের স্বাভাবিকতার সঙ্গে বর্তমান অবস্থার কিছু পার্থক্য রয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

২০ মে, ২০২৬,  1:20 PM

news image
সংগৃহীত

জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার আরমানের আচরণে সুস্থতার স্বাভাবিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না; বরং কিছুটা অসংলগ্নতা লক্ষ্য করা যায়। তার পোশাক-পরিচ্ছদ, কথাবার্তা এবং সামগ্রিক আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি।

সাম্প্রতিক এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেছেন তিনি।     

গোলাম মাওলা রনি বলেন, ব্যারিস্টার আরমানকে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি চিনি না। তবে তার বাবা যখন জেলে ছিলেন, সেই সময় কাশেম সাহেবের সঙ্গে আমাদের একসঙ্গে থাকার সুযোগ হয়েছিল। সেই সূত্রে আরমানের পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে আমার পরিচয় ও কথা হয়েছে।তার মা, বোন, চাচা, চাচি-এমনকি পরিবারের অনেক সদস্যের সঙ্গেই আমার কথা হয়েছে।

আরমানকে আমি সরাসরি কোর্টে যেভাবে দেখেছি, তিনি সাধারণভাবে শান্ত ও সংযত ছিলেন। তার বাবার সম্পর্কে যা শুনেছি, তাতেও একই ধরনের ধারণা পেয়েছি। কিন্তু বর্তমানে তার যে আচরণ দেখা যাচ্ছে, তা দেখে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হচ্ছে, তার একটি চিকিৎসা বা মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।

এটি নিয়ে কোনো ধরনের লুকোচুরি বা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন গোলাম মাওলা রনি।                    

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার কারণে অনেক সময় মানুষের মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন বা বিপর্যয় দেখা দিতে পারে-এটাও একটি বাস্তবতা। তবে সাম্প্রতিক আচরণ বিবেচনায় মনে হচ্ছে, ব্যারিস্টার মীর কাসেম আলীর ছেলের ক্ষেত্রে আগের স্বাভাবিকতার সঙ্গে বর্তমান অবস্থার কিছু পার্থক্য রয়েছে।