নিউজ ডেস্ক
২০ মে, ২০২৬, 1:05 PM
ইতিহাস, মহাকাব্যিক ইতিহাস! পাকিস্তানের অহংকার চূর্ণ-বিচূর্ণ করে সিলেটে নতুন এক রূপকথা লিখল বাংলাদেশ! টানটান উত্তেজনা আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা! কীভাবে এলো এই অবিশ্বাস্য জয়?
আজ বুধবার টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এক অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে থাকল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ম্যাচের শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ১২১ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ৩টি উইকেট। তবে দিনের শুরুতেই তৈরি হয়েছিল চরম নাটকীয়তা!
নাহিদ রানার বলে পাকিস্তানের ইনফর্ম ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের সহজ ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রিজওয়ান ও সাজিদ খান অষ্টম উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে রীতিমতো চাপে ফেলে দেন। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল ম্যাচটি হয়তো বাংলাদেশের হাত থেকেই ফসকে যাবে।
ঠিক যখন পাকিস্তানের ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছিল, তখনই বাংলাদেশের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৯৬তম ওভারে তাইজুলের করা ঘূর্ণি বলটি ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে শান্তর হাতে ক্যাচ দেন ২৮ রান করা সাজিদ খান। ভেঙে যায় পাকিস্তানের জয়ের স্বপ্ন বোনা সেই জুটি।
পরের ওভারেই আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। দুর্দান্ত খেলতে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ৯৪ রানে থামিয়ে গালিতে ক্যাচ লুফে নেন মিরাজ। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থেকে রিজওয়ান বিদায় নিলে পাকিস্তানের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত খুররাম শাহজাদকে আউট করে পাকিস্তানকে ৩৫৮ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ।
এই ইনিংসে ১২০ রান খরচায় একাই ৬ উইকেট শিকার করেন স্পিন জাদুকর তাইজুল ইসলাম। দুই ইনিংস মিলিয়ে তার ঝুলিতে গেছে মোট ৯টি উইকেট। ম্যাচের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৭৮ রান তোলে। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান।
এর আগে ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে বাবর আজমদের ধবলধোলাই করেছিল টাইগাররা। আর এবার ২০২৬-এ নিজেদের ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার অবিস্মরণীয় রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।
নিউজ ডেস্ক
২০ মে, ২০২৬, 1:05 PM
ইতিহাস, মহাকাব্যিক ইতিহাস! পাকিস্তানের অহংকার চূর্ণ-বিচূর্ণ করে সিলেটে নতুন এক রূপকথা লিখল বাংলাদেশ! টানটান উত্তেজনা আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা! কীভাবে এলো এই অবিশ্বাস্য জয়?
আজ বুধবার টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এক অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে থাকল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ম্যাচের শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ১২১ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ৩টি উইকেট। তবে দিনের শুরুতেই তৈরি হয়েছিল চরম নাটকীয়তা!
নাহিদ রানার বলে পাকিস্তানের ইনফর্ম ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের সহজ ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রিজওয়ান ও সাজিদ খান অষ্টম উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে রীতিমতো চাপে ফেলে দেন। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল ম্যাচটি হয়তো বাংলাদেশের হাত থেকেই ফসকে যাবে।
ঠিক যখন পাকিস্তানের ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছিল, তখনই বাংলাদেশের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৯৬তম ওভারে তাইজুলের করা ঘূর্ণি বলটি ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে শান্তর হাতে ক্যাচ দেন ২৮ রান করা সাজিদ খান। ভেঙে যায় পাকিস্তানের জয়ের স্বপ্ন বোনা সেই জুটি।
পরের ওভারেই আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। দুর্দান্ত খেলতে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ৯৪ রানে থামিয়ে গালিতে ক্যাচ লুফে নেন মিরাজ। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থেকে রিজওয়ান বিদায় নিলে পাকিস্তানের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত খুররাম শাহজাদকে আউট করে পাকিস্তানকে ৩৫৮ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ।
এই ইনিংসে ১২০ রান খরচায় একাই ৬ উইকেট শিকার করেন স্পিন জাদুকর তাইজুল ইসলাম। দুই ইনিংস মিলিয়ে তার ঝুলিতে গেছে মোট ৯টি উইকেট। ম্যাচের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৭৮ রান তোলে। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান।
এর আগে ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে বাবর আজমদের ধবলধোলাই করেছিল টাইগাররা। আর এবার ২০২৬-এ নিজেদের ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার অবিস্মরণীয় রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।