নিউজ ডেস্ক
২০ মে, ২০২৬, 1:03 PM
দীর্ঘ চার দশক, অর্থাৎ পুরো ৪০ বছর পর বিশ্বমঞ্চে এক অভাবনীয় ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আগামী ২ জুনের এই মহা-লড়াইয়ে জিতলে বিশ্বরাজনীতিতে কতটা বদলে যাবে বাংলাদেশের ভাগ্য?
এর আগে ১৯৮৬ সালে ৪১তম অধিবেশনে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রখ্যাত কূটনীতিক হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৪০টি বছর। আবারও বিশ্বমঞ্চের এই সর্বোচ্চ চেয়ারে বসার সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সামনে।
সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদটি এবার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত। আর এই পদের জন্য বাংলাদেশের মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ইউরোপের দেশ সাইপ্রাস। বাংলাদেশের পক্ষে এই মর্যাদার লড়াইয়ের হাল ধরেছেন খোদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
এখন প্রশ্ন হলো, এই নির্বাচনে জয়ী হলে বাংলাদেশ ঠিক কী রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাবে? বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি কোনো বাড়তি আর্থিক বা রাষ্ট্রীয় পুরস্কার না মিললেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান মনে করেন, এই পদের জন্য কোনো বস্তুগত পুরস্কার দেওয়া হয় না, তাই লাভের হিসাব করা ঠিক হবে না। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিশ্বমঞ্চে যেখানেই যাবেন কোনো নেগোসিয়েশন হোক বা রিপ্রেজেন্টেশন, সব জায়গাতেই তিনি এবং বাংলাদেশ বাড়তি একটি সমীহ ও সম্মান পাবে। আর এটাই হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিভার্সিটি অফ কেন্টাকির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নির্ঝর সাকিব মনে করেন, এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে লাইমলাইটে আসবে।
এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে, সেই আগ্রহটাকে আমরা কীভাবে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে পারি। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাওয়া এই মেগা অধিবেশনের মূল চাবিকাঠি কি তবে এবার বাংলাদেশের হাতেই আসছে?
নিউজ ডেস্ক
২০ মে, ২০২৬, 1:03 PM
দীর্ঘ চার দশক, অর্থাৎ পুরো ৪০ বছর পর বিশ্বমঞ্চে এক অভাবনীয় ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আগামী ২ জুনের এই মহা-লড়াইয়ে জিতলে বিশ্বরাজনীতিতে কতটা বদলে যাবে বাংলাদেশের ভাগ্য?
এর আগে ১৯৮৬ সালে ৪১তম অধিবেশনে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রখ্যাত কূটনীতিক হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৪০টি বছর। আবারও বিশ্বমঞ্চের এই সর্বোচ্চ চেয়ারে বসার সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সামনে।
সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদটি এবার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত। আর এই পদের জন্য বাংলাদেশের মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ইউরোপের দেশ সাইপ্রাস। বাংলাদেশের পক্ষে এই মর্যাদার লড়াইয়ের হাল ধরেছেন খোদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
এখন প্রশ্ন হলো, এই নির্বাচনে জয়ী হলে বাংলাদেশ ঠিক কী রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাবে? বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি কোনো বাড়তি আর্থিক বা রাষ্ট্রীয় পুরস্কার না মিললেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান মনে করেন, এই পদের জন্য কোনো বস্তুগত পুরস্কার দেওয়া হয় না, তাই লাভের হিসাব করা ঠিক হবে না। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিশ্বমঞ্চে যেখানেই যাবেন কোনো নেগোসিয়েশন হোক বা রিপ্রেজেন্টেশন, সব জায়গাতেই তিনি এবং বাংলাদেশ বাড়তি একটি সমীহ ও সম্মান পাবে। আর এটাই হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিভার্সিটি অফ কেন্টাকির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নির্ঝর সাকিব মনে করেন, এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে লাইমলাইটে আসবে।
এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে, সেই আগ্রহটাকে আমরা কীভাবে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে পারি। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাওয়া এই মেগা অধিবেশনের মূল চাবিকাঠি কি তবে এবার বাংলাদেশের হাতেই আসছে?