CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৯ মে, ২০২৬

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!

#
news image

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন এই বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় বাজেটে নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা চলছে। তবে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে বেতন কমিশনের সব সুপারিশ একবারে নয়, বরং তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত করা হবে এবং সবশেষ ধাপে মূল বেতনের সঙ্গে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করা হবে।

প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত থাকছে, তবে বেতন বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন বর্তমান ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশন সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পেলে তা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এছাড়া ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে পেনশনে ৭৫ শতাংশ এবং এর বেশি পেনশনে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটির সুপারিশে বয়সভেদে অতিরিক্ত ভাতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীরা অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা, ৫৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সীরা ৮ হাজার টাকা এবং ৫৫ বছরের কম বয়সীরা ৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতাও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। যেমন প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২ হাজার টাকা ভাতা, টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং বৈশাখী উৎসব ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীদের যাতায়াত ভাতা দেওয়ার বিষয়টিও এই সুপারিশে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্যও পৃথক বেতন কমিশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত বছর এই জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল, যারা গত ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দিয়েছেন।

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে, ২০২৬,  11:55 AM

news image
সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন এই বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় বাজেটে নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা চলছে। তবে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে বেতন কমিশনের সব সুপারিশ একবারে নয়, বরং তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত করা হবে এবং সবশেষ ধাপে মূল বেতনের সঙ্গে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করা হবে।

প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত থাকছে, তবে বেতন বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন বর্তমান ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশন সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পেলে তা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এছাড়া ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে পেনশনে ৭৫ শতাংশ এবং এর বেশি পেনশনে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটির সুপারিশে বয়সভেদে অতিরিক্ত ভাতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীরা অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা, ৫৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সীরা ৮ হাজার টাকা এবং ৫৫ বছরের কম বয়সীরা ৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতাও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। যেমন প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২ হাজার টাকা ভাতা, টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং বৈশাখী উৎসব ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীদের যাতায়াত ভাতা দেওয়ার বিষয়টিও এই সুপারিশে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্যও পৃথক বেতন কমিশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত বছর এই জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল, যারা গত ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দিয়েছেন।