CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

‘সরকারের ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব’

#
news image

আগামী ২০২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার যে বিশাল রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা করছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা শীর্ষক সেমিনারে এমন মন্তব্য করেন অর্থনীতিবিদরা। 

তারা বলেন, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২০১১ অর্থবছরে, যার হার ছিল ২৭.৩ শতাংশ। যদি আগামী অর্থবছরেও সেই সর্বোচ্চ রেকর্ড করা সম্ভব হয়, তাও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। আর গত ২৫ বছরের গড় প্রবৃদ্ধি ১৩.২ শতাংশ থেকে ১৪.১ শতাংশ বিবেচনা করলে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১.৪ লাখ কোটি টাকা। এমন বাস্তবতায় রাজনৈতিক বা বিশেষ বিবেচনায় বিভিন্ন খাতে দেওয়া কর ছাড় বা রেয়াত কমিয়ে আনা, ​বিনিয়োগ সুরক্ষা, আয়ের নতুন উৎস সন্ধান, সংস্কারের গতি বৃদ্ধির সুপারিশ করেন অর্থনীতিবিদরা। 

একই সঙ্গে প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে বাঁচাতে সুনির্দিষ্টভাবে ভর্তুকি পরিচালনা করা, কম সুদে এবং সহজ শর্তে নতুন বিদেশি ঋণ বা অনুদান পাওয়ার পথ তৈরি করার পরামর্শ দেন বিশ্লেষকরা। 

নিউজ ডেস্ক

১৮ মে, ২০২৬,  12:53 PM

news image
সংগৃহীত

আগামী ২০২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার যে বিশাল রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা করছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা শীর্ষক সেমিনারে এমন মন্তব্য করেন অর্থনীতিবিদরা। 

তারা বলেন, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২০১১ অর্থবছরে, যার হার ছিল ২৭.৩ শতাংশ। যদি আগামী অর্থবছরেও সেই সর্বোচ্চ রেকর্ড করা সম্ভব হয়, তাও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। আর গত ২৫ বছরের গড় প্রবৃদ্ধি ১৩.২ শতাংশ থেকে ১৪.১ শতাংশ বিবেচনা করলে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১.৪ লাখ কোটি টাকা। এমন বাস্তবতায় রাজনৈতিক বা বিশেষ বিবেচনায় বিভিন্ন খাতে দেওয়া কর ছাড় বা রেয়াত কমিয়ে আনা, ​বিনিয়োগ সুরক্ষা, আয়ের নতুন উৎস সন্ধান, সংস্কারের গতি বৃদ্ধির সুপারিশ করেন অর্থনীতিবিদরা। 

একই সঙ্গে প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে বাঁচাতে সুনির্দিষ্টভাবে ভর্তুকি পরিচালনা করা, কম সুদে এবং সহজ শর্তে নতুন বিদেশি ঋণ বা অনুদান পাওয়ার পথ তৈরি করার পরামর্শ দেন বিশ্লেষকরা।