নিউজ ডেস্ক
১৬ মে, ২০২৬, 3:18 PM
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ৬৬ বছর বয়সী শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে জামাতা ফয়েজ হক সাকিল ওরফে সাকিল ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে নাসিক ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত সাকিল ফকির বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার বড় বাড়িয়া এলাকার মো. জাহিদুল হক ফকিরের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে প্রায় ছয় মাস ধরে দুবাই প্রবাসী। ওই বৃদ্ধা তার সাত বছর বয়সী নাতিকে নিয়ে ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকার তোফাজ্জল সাহেবের ১০ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। ফ্ল্যাটটির এক কক্ষে থাকতেন সাকিল এবং অন্য কক্ষে শাশুড়ি ও তার নাতি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সাকিল তার শাশুড়িকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। পরে জোরপূর্বক তাকে নিজের কক্ষে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি গোপন রাখেন। পরবর্তীতে প্রবাসী মেয়ে ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাসুম বিল্লাহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত সাকিলকে গ্রেপ্তার করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, “শাশুড়িকে ধর্ষণের মতো জঘন্য ও নৈতিক স্খলনের ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।”
নিউজ ডেস্ক
১৬ মে, ২০২৬, 3:18 PM
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ৬৬ বছর বয়সী শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে জামাতা ফয়েজ হক সাকিল ওরফে সাকিল ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে নাসিক ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত সাকিল ফকির বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার বড় বাড়িয়া এলাকার মো. জাহিদুল হক ফকিরের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে প্রায় ছয় মাস ধরে দুবাই প্রবাসী। ওই বৃদ্ধা তার সাত বছর বয়সী নাতিকে নিয়ে ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকার তোফাজ্জল সাহেবের ১০ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। ফ্ল্যাটটির এক কক্ষে থাকতেন সাকিল এবং অন্য কক্ষে শাশুড়ি ও তার নাতি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সাকিল তার শাশুড়িকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। পরে জোরপূর্বক তাকে নিজের কক্ষে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি গোপন রাখেন। পরবর্তীতে প্রবাসী মেয়ে ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাসুম বিল্লাহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত সাকিলকে গ্রেপ্তার করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, “শাশুড়িকে ধর্ষণের মতো জঘন্য ও নৈতিক স্খলনের ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।”