CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৭ মে, ২০২৬

নিজের জীবন দিয়েও শিশুকন্যাকে বাঁচাতে পারলেন না মা

#
news image

চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া শিশুকন্যাকে বাঁচাতে গিয়ে কাভার্ডভ্যানের চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন মা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ওই শিশুটিও। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) রাত আটটার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী বিএমএ রেলগেট সংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- তারিন আক্তার (৩২) ও তাঁর এক বছর বয়সী কন্যাসন্তান ইয়াসা। তারিন আক্তার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তারিনের স্বামী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে স্বামী ও দুই সন্তানসহ মোটরসাইকেলে করে ভাটিয়ারী এলাকার একটি মেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন তারিন। পথে চলন্ত মোটরসাইকেলে মায়ের কোল থেকে হঠাৎ মহাসড়কে পড়ে যায় শিশু ইয়াসা। সন্তানকে উদ্ধার করতে স্বামী দ্রুত মোটরসাইকেল থামানোর চেষ্টা করলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে উল্টে যায়। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাতনামা কাভার্ডভ্যান তারিন আক্তারকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু ইয়াসাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে শিশুটিরও মৃত্যু হয়।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি নিয়ে চালক পালিয়ে গেছেন। ঘাতক যানটি শনাক্ত ও চালককে আটক করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১৬ মে, ২০২৬,  12:56 PM

news image
সংগৃহীত

চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া শিশুকন্যাকে বাঁচাতে গিয়ে কাভার্ডভ্যানের চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন মা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ওই শিশুটিও। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) রাত আটটার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী বিএমএ রেলগেট সংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- তারিন আক্তার (৩২) ও তাঁর এক বছর বয়সী কন্যাসন্তান ইয়াসা। তারিন আক্তার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তারিনের স্বামী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে স্বামী ও দুই সন্তানসহ মোটরসাইকেলে করে ভাটিয়ারী এলাকার একটি মেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন তারিন। পথে চলন্ত মোটরসাইকেলে মায়ের কোল থেকে হঠাৎ মহাসড়কে পড়ে যায় শিশু ইয়াসা। সন্তানকে উদ্ধার করতে স্বামী দ্রুত মোটরসাইকেল থামানোর চেষ্টা করলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে উল্টে যায়। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাতনামা কাভার্ডভ্যান তারিন আক্তারকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু ইয়াসাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে শিশুটিরও মৃত্যু হয়।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি নিয়ে চালক পালিয়ে গেছেন। ঘাতক যানটি শনাক্ত ও চালককে আটক করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।