CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

জাবির প্রক্টরিয়াল বডিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কার্যালয়ে তালা

#
news image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশাসন অপরাধীকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি ঘটনার তথ্য গোপন, বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনের পর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের দুটি দরজার তালা ভেঙে নতুন তালা ঝুলিয়ে দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল রবিবার থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবন অবরোধের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন।
‎এর আগে শুক্রবার রাত ২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আন্দোলনকারীরা।

‎আন্দোলনকারীরা শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অবস্থানের পর তারা প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গত ১৩ মে আমরা ৬ দফা দাবি উত্থাপন করে অপরাধীকে গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। শুক্রবার রাত ৩টায় সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। অপরাধী এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং দাবি অস্বীকার করছে। উপাচার্য স্বাক্ষরের মাধ্যমে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

‎শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রশাসন ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছে এবং ভুল ছবি প্রচার করে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। তারা বলেন, এই প্রক্টরের আমলে তরিকুল ধর্ষণকাণ্ড ও শারমিন হত্যা মামলা হয়েছে, অথচ উপাচার্য তাকে ‘সবচেয়ে এফিসিয়েন্ট প্রক্টর’ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ের পর নারী শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেন।

তারা জানান, আগামীকাল থেকে রেজিস্ট্রার ভবনে সব প্রশাসনিক কার্যক্রম অবরোধ করা হবে। প্রক্টরের পদত্যাগ, অপরাধী গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ হয়েছে। পুলিশ চেষ্টা করছে এবং কিছু অগ্রগতি আছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে অভিযোগকারী ও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বাসভবনের সামনে দাড়িয়ে প্রক্টরকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ নেই।’

‎উপাচার্য আরো বলেন, ‘ভুল ছবি প্রকাশের বিষয়টিও তদন্ত কমিটিতে দেখা হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষার্থীরা তদন্তের জন্য কিছু সময় দেবেন।

‎নারী শিক্ষার্থীরা জানান, প্রক্টরিয়াল বডিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পর থেকেই প্রক্টর অফিস তালাবদ্ধ করা হয়েছে। তালা ঝুলানোর পর প্রক্টর অফিসের দরজা, জানালা ও দেয়ালে ‘গেট লস্ট, অবাঞ্ছিত প্রক্টর, রাশেদ তুই ভাগ, তুমি ভুয়া-ব্যর্থ-বেহায়া’ গ্রাফিতি লেখা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

১৬ মে, ২০২৬,  3:03 PM

news image
সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশাসন অপরাধীকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি ঘটনার তথ্য গোপন, বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনের পর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের দুটি দরজার তালা ভেঙে নতুন তালা ঝুলিয়ে দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল রবিবার থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবন অবরোধের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন।
‎এর আগে শুক্রবার রাত ২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আন্দোলনকারীরা।

‎আন্দোলনকারীরা শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অবস্থানের পর তারা প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গত ১৩ মে আমরা ৬ দফা দাবি উত্থাপন করে অপরাধীকে গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। শুক্রবার রাত ৩টায় সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। অপরাধী এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং দাবি অস্বীকার করছে। উপাচার্য স্বাক্ষরের মাধ্যমে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

‎শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রশাসন ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছে এবং ভুল ছবি প্রচার করে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। তারা বলেন, এই প্রক্টরের আমলে তরিকুল ধর্ষণকাণ্ড ও শারমিন হত্যা মামলা হয়েছে, অথচ উপাচার্য তাকে ‘সবচেয়ে এফিসিয়েন্ট প্রক্টর’ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ের পর নারী শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেন।

তারা জানান, আগামীকাল থেকে রেজিস্ট্রার ভবনে সব প্রশাসনিক কার্যক্রম অবরোধ করা হবে। প্রক্টরের পদত্যাগ, অপরাধী গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ হয়েছে। পুলিশ চেষ্টা করছে এবং কিছু অগ্রগতি আছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে অভিযোগকারী ও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বাসভবনের সামনে দাড়িয়ে প্রক্টরকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ নেই।’

‎উপাচার্য আরো বলেন, ‘ভুল ছবি প্রকাশের বিষয়টিও তদন্ত কমিটিতে দেখা হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষার্থীরা তদন্তের জন্য কিছু সময় দেবেন।

‎নারী শিক্ষার্থীরা জানান, প্রক্টরিয়াল বডিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পর থেকেই প্রক্টর অফিস তালাবদ্ধ করা হয়েছে। তালা ঝুলানোর পর প্রক্টর অফিসের দরজা, জানালা ও দেয়ালে ‘গেট লস্ট, অবাঞ্ছিত প্রক্টর, রাশেদ তুই ভাগ, তুমি ভুয়া-ব্যর্থ-বেহায়া’ গ্রাফিতি লেখা হয়েছে।