CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ মে, ২০২৬

যে খাবার খেলে শরীর থেকে আসবে সুঘ্রাণ

#
news image

আমাদের শরীরের ঘ্রাণ শুধু সাবান বা প্রসাধনী সামগ্রীর ওপর নির্ভর করে না; আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসও এতে বড় ভূমিকা রাখে। কী খাচ্ছি, তা শরীর থেকে কেমন ঘ্রাণ বের হবে, তা অনেকাংশে নির্ধারণ করে দেয়। সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের রাসায়নিক উপাদান হজমের পর রক্তে মিশে ঘামের সাথে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা শরীরের গন্ধে পরিবর্তন আনে।

যেসব খাবারে দুর্গন্ধ হতে পারে: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব খাবারে সালফার বেশি থাকে, সেগুলো শরীর থেকে তীব্র গন্ধ তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে রসুন, পেঁয়াজ, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি। তবে একটি মজার তথ্য হলো, গবেষণায় দেখা গেছে রসুন খাওয়ার পর পুরুষের ঘামের গন্ধ নারীদের কাছে অনেক সময় আকর্ষণীয় মনে হয়। এছাড়া অতিরিক্ত মাংস, মাছ, কফি এবং মদ্যপানও শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টির কারণ হতে পারে।

মিষ্টি ও সতেজ ঘ্রাণের জন্য: শরীরের গন্ধ মনোরম রাখতে ফল ও শাকসবজির বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে ফল ও শাকসবজি গ্রহণ করেন, তাদের শরীরের ঘ্রাণ অন্যদের কাছে অনেক বেশি সতেজ ও মনোরম মনে হয়।

সতর্কতা ও করণীয়: শরীরের গন্ধ মূলত জিন, হরমোন এবং স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তবে অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস বর্জন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে শরীরের ঘ্রাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই সুস্থতা ও সতেজ ঘ্রাণ বজায় রাখতে নিয়মিত ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পানের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

এই বিষয়টি বেশ কৌতুহল উদ্দীপক, তাই না? আমরা যে খাবারগুলো খাচ্ছি তা কীভাবে আমাদের শরীরের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে ঘ্রাণ বদলে দিচ্ছে, তা বেশ জটিল একটি প্রক্রিয়া।

নিউজ ডেস্ক

০২ মে, ২০২৬,  12:29 PM

news image
সংগৃহীত

আমাদের শরীরের ঘ্রাণ শুধু সাবান বা প্রসাধনী সামগ্রীর ওপর নির্ভর করে না; আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসও এতে বড় ভূমিকা রাখে। কী খাচ্ছি, তা শরীর থেকে কেমন ঘ্রাণ বের হবে, তা অনেকাংশে নির্ধারণ করে দেয়। সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের রাসায়নিক উপাদান হজমের পর রক্তে মিশে ঘামের সাথে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা শরীরের গন্ধে পরিবর্তন আনে।

যেসব খাবারে দুর্গন্ধ হতে পারে: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব খাবারে সালফার বেশি থাকে, সেগুলো শরীর থেকে তীব্র গন্ধ তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে রসুন, পেঁয়াজ, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি। তবে একটি মজার তথ্য হলো, গবেষণায় দেখা গেছে রসুন খাওয়ার পর পুরুষের ঘামের গন্ধ নারীদের কাছে অনেক সময় আকর্ষণীয় মনে হয়। এছাড়া অতিরিক্ত মাংস, মাছ, কফি এবং মদ্যপানও শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টির কারণ হতে পারে।

মিষ্টি ও সতেজ ঘ্রাণের জন্য: শরীরের গন্ধ মনোরম রাখতে ফল ও শাকসবজির বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে ফল ও শাকসবজি গ্রহণ করেন, তাদের শরীরের ঘ্রাণ অন্যদের কাছে অনেক বেশি সতেজ ও মনোরম মনে হয়।

সতর্কতা ও করণীয়: শরীরের গন্ধ মূলত জিন, হরমোন এবং স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তবে অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস বর্জন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে শরীরের ঘ্রাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই সুস্থতা ও সতেজ ঘ্রাণ বজায় রাখতে নিয়মিত ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পানের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

এই বিষয়টি বেশ কৌতুহল উদ্দীপক, তাই না? আমরা যে খাবারগুলো খাচ্ছি তা কীভাবে আমাদের শরীরের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে ঘ্রাণ বদলে দিচ্ছে, তা বেশ জটিল একটি প্রক্রিয়া।