নিউজ ডেস্ক
০২ মে, ২০২৬, 12:23 PM
হবিগঞ্জের হাওর এলাকার কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা চিত্র ভারী হয়ে উঠছে। পানির নিচে নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফলানো ফসল। এসব ধান ঘরে তুলতে গিয়ে চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। গলা পর্যন্ত পানিতে নেমে কিছু জমির ফসল কাটা হলেও টানা বৃষ্টির কারেন সে গুলোও শুকানো যাচ্ছে না।
লাভের আশায় এ বছর ধান চাষ করে লোকসানে গুনছেন কৃষকরা। টানা বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধানে গজিয়েছে চারা। কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে পানির নিছে নষ্ট হচ্ছে ধান। ধান কাটানোর শ্রমিক মিলছেনা। জমিতে পানি থাকায় সরকারের ভর্তুকির কম্বাইন হার্ভেস্টর যন্ত্রও নামানো যাচ্ছেনা।
কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ ১১হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমির ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে তাদেরকে সরকারেরর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।
চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে।
এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ধান, যা থেকে প্রায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৩৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত মোট আবাদকৃত জমির প্রায় ৫৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
০২ মে, ২০২৬, 12:23 PM
হবিগঞ্জের হাওর এলাকার কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা চিত্র ভারী হয়ে উঠছে। পানির নিচে নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফলানো ফসল। এসব ধান ঘরে তুলতে গিয়ে চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। গলা পর্যন্ত পানিতে নেমে কিছু জমির ফসল কাটা হলেও টানা বৃষ্টির কারেন সে গুলোও শুকানো যাচ্ছে না।
লাভের আশায় এ বছর ধান চাষ করে লোকসানে গুনছেন কৃষকরা। টানা বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধানে গজিয়েছে চারা। কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে পানির নিছে নষ্ট হচ্ছে ধান। ধান কাটানোর শ্রমিক মিলছেনা। জমিতে পানি থাকায় সরকারের ভর্তুকির কম্বাইন হার্ভেস্টর যন্ত্রও নামানো যাচ্ছেনা।
কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ ১১হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমির ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে তাদেরকে সরকারেরর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।
চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে।
এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ধান, যা থেকে প্রায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৩৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত মোট আবাদকৃত জমির প্রায় ৫৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।