নিউজ ডেস্ক
০৭ এপ্রিল, ২০২৬, 12:24 PM
রাতভর এপাশ-ওপাশ করে কাটানো বা সকালে ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্তিবোধ করা এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সমস্যা। ভালো ঘুমের জন্য কেবল বিছানায় যাওয়ার প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়, বরং সারা দিনের কিছু অভ্যাস ঘুমের মানে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। শরীরকে চনমনে ও সতেজ রাখতে জীবনযাত্রায় আনুন এই পাঁচটি পরিবর্তন:
১. আয়রনের ঘাটতি পূরণ শরীরে আয়রনের অভাব হলে প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়, যা রাতে বারবার ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে। খাদ্যতালিকায় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি ডাল ও সবুজ শাকসবজি রাখুন। আয়রন শোষণের জন্য এর সাথে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি।
২. প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত শাকসবজি ও ফলমূল খান, তাদের অনিদ্রার সমস্যা কম হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, চিনি বা ফাস্ট ফুড গভীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম শারীরিক পরিশ্রম বা মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম দ্রুত ঘুমাতে এবং ঘুমের সময় বাড়াতে সাহায্য করে। দিনে মাত্র ১০ মিনিট ব্যায়াম করলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। এমনকি ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে ব্যায়াম করলেও ঘুমের কোনো ক্ষতি হয় না।
৪. ক্ষতিকর অভ্যাস বর্জন ধূমপান ও মদ্যপান ঘুমের চরম শত্রু। তামাকের কারণে গভীর ঘুম কমে যায় এবং অ্যালকোহল সাময়িক তন্দ্রা আনলেও দীর্ঘমেয়াদে অনিদ্রার ঝুঁকি বাড়ায়। সতেজ থাকতে এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য পুরোপুরি পরিহার করুন।
৫. সকালের পুষ্টিকর নাশতা সকালে নিয়মিত নাশতা করলে শরীরের ক্লান্তি কমে এবং সারাদিন কাজের শক্তি পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালে পুষ্টিকর খাবার খান, তাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি অন্যদের তুলনায় ভালো থাকে।
ভালো ঘুম কেবল বিশ্রামের জন্য নয়, বরং কর্মক্ষম থাকার অন্যতম শর্ত। তাই আজ থেকেই নিজের খাদ্যাভ্যাস ও রুটিনে পরিবর্তন আনুন।
নিউজ ডেস্ক
০৭ এপ্রিল, ২০২৬, 12:24 PM
রাতভর এপাশ-ওপাশ করে কাটানো বা সকালে ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্তিবোধ করা এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সমস্যা। ভালো ঘুমের জন্য কেবল বিছানায় যাওয়ার প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়, বরং সারা দিনের কিছু অভ্যাস ঘুমের মানে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। শরীরকে চনমনে ও সতেজ রাখতে জীবনযাত্রায় আনুন এই পাঁচটি পরিবর্তন:
১. আয়রনের ঘাটতি পূরণ শরীরে আয়রনের অভাব হলে প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়, যা রাতে বারবার ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে। খাদ্যতালিকায় মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি ডাল ও সবুজ শাকসবজি রাখুন। আয়রন শোষণের জন্য এর সাথে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি।
২. প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত শাকসবজি ও ফলমূল খান, তাদের অনিদ্রার সমস্যা কম হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, চিনি বা ফাস্ট ফুড গভীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম শারীরিক পরিশ্রম বা মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম দ্রুত ঘুমাতে এবং ঘুমের সময় বাড়াতে সাহায্য করে। দিনে মাত্র ১০ মিনিট ব্যায়াম করলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। এমনকি ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে ব্যায়াম করলেও ঘুমের কোনো ক্ষতি হয় না।
৪. ক্ষতিকর অভ্যাস বর্জন ধূমপান ও মদ্যপান ঘুমের চরম শত্রু। তামাকের কারণে গভীর ঘুম কমে যায় এবং অ্যালকোহল সাময়িক তন্দ্রা আনলেও দীর্ঘমেয়াদে অনিদ্রার ঝুঁকি বাড়ায়। সতেজ থাকতে এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য পুরোপুরি পরিহার করুন।
৫. সকালের পুষ্টিকর নাশতা সকালে নিয়মিত নাশতা করলে শরীরের ক্লান্তি কমে এবং সারাদিন কাজের শক্তি পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালে পুষ্টিকর খাবার খান, তাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি অন্যদের তুলনায় ভালো থাকে।
ভালো ঘুম কেবল বিশ্রামের জন্য নয়, বরং কর্মক্ষম থাকার অন্যতম শর্ত। তাই আজ থেকেই নিজের খাদ্যাভ্যাস ও রুটিনে পরিবর্তন আনুন।