CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনা, জুমার নামাজের পর জানাজা

#
news image

বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনে ও শিশুসহ ১৪ জন নিহতের ঘটনায় শোকে স্তব্ধ মোংলা। বিয়েবাড়িতে ৯ জনের লাশ সারি সারি করে রাখা হয়েছে। জুমার নামাজের পর তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ১৪ জনের মধ্যে ৯ জনই মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্য। নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কনের স্বজনরা গ্রহণ করেছেন। তাদের জানাজা ও দাফন খুলনার কয়রা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে।

অপরদিকে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তার দুই ছেলে, এক মেয়ে, চার নাতি ও এক পুত্রবধূসহ মোট ৯ জনের মরদেহ মোংলায় আনা হয়েছে। তাদের গোসল সম্পন্ন করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর মোংলা উপজেলা মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে নিহত মাইক্রোবাসচালকের জানাজাও সেখানে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌবাহিনীর স্টাফ বাসটি রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা মোংলাগামী বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন।

রামপাল থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, নৌবাহিনীর যাত্রীবাহী বাসটি খুলনার দিকে যাচ্ছিল এবং মাইক্রোবাসটি মোংলার দিকে যাচ্ছিল। বেলাইব্রিজ এলাকায় দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে হতাহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিউজ ডেস্ক

১৩ মার্চ, ২০২৬,  2:40 PM

news image
সংগৃহীত

বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনে ও শিশুসহ ১৪ জন নিহতের ঘটনায় শোকে স্তব্ধ মোংলা। বিয়েবাড়িতে ৯ জনের লাশ সারি সারি করে রাখা হয়েছে। জুমার নামাজের পর তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ১৪ জনের মধ্যে ৯ জনই মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্য। নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কনের স্বজনরা গ্রহণ করেছেন। তাদের জানাজা ও দাফন খুলনার কয়রা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে।

অপরদিকে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তার দুই ছেলে, এক মেয়ে, চার নাতি ও এক পুত্রবধূসহ মোট ৯ জনের মরদেহ মোংলায় আনা হয়েছে। তাদের গোসল সম্পন্ন করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর মোংলা উপজেলা মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে নিহত মাইক্রোবাসচালকের জানাজাও সেখানে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌবাহিনীর স্টাফ বাসটি রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা মোংলাগামী বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন।

রামপাল থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, নৌবাহিনীর যাত্রীবাহী বাসটি খুলনার দিকে যাচ্ছিল এবং মাইক্রোবাসটি মোংলার দিকে যাচ্ছিল। বেলাইব্রিজ এলাকায় দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে হতাহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।