CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

বিভাগের শিক্ষককে হেনস্থার অভিযোগে প্রশাসন ভবন তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ

#
news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের দুই উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিনেট ভবনে বিভাগের ছাত্রী সায়মা হোসাইনের মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট ঘোষণার সময় এই হেনস্থার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পর প্রশাসন ভবন তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন তাঁরা। 

শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তদের প্রকাশ্যে ক্ষমা ও বহিস্কারের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করছেন।

এসময় তারা, " প্রক্টরের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে ", " এক দুই তিন চার প্রক্টর তুই গদি ছাড় " ,আমার স্যার হেনস্তা কেন প্রশাসন  জবাব দে ", " একশান একশান ডাইরেক্ট একশান " প্রভৃতি স্লোগান দেয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ, প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এবং জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার। 
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে, সায়মার মৃত্যুর তদন্ত রিপোর্ট পাঠ শেষে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আমিনুল ইসলামকে হেনস্থা করে। তদন্ত রিপোর্ট পাঠ শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকলেও বিভাগের শিক্ষার্থীদের কোনো প্রশ্ন গ্রহণ করা হয়না।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, তদন্ত রিপোর্ট ঘোষণার সময় প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আমিনুল ইসলামকে  প্রশ্ন করতে বাধা দেয় অভিযুক্তরা। এর অভিযোগে সিনেট ভবনেই স্লোগান শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও জনসংযোগ কর্মকর্তাকে একাধিকবার কল করা হলেও তারা সাড়া দেননি।প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে ওই শিক্ষকের এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক আরও ভালোভাবে বলতে পারবেন তার সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা।’

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে সায়মার আকষ্মিক মৃত্যুতে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব ৭২ ঘন্টার মধ্যে মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্তের আশ্বাসে সেদিন আন্দোলন প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীরা। এরপর গত তিন দিন প্যারিস রোডে অবস্থান নেন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হলে আজ দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা।

রাবি প্রতিনিধি 

৩০ অক্টোবর, ২০২৫,  6:41 PM

news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের দুই উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিনেট ভবনে বিভাগের ছাত্রী সায়মা হোসাইনের মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট ঘোষণার সময় এই হেনস্থার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পর প্রশাসন ভবন তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন তাঁরা। 

শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তদের প্রকাশ্যে ক্ষমা ও বহিস্কারের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করছেন।

এসময় তারা, " প্রক্টরের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে ", " এক দুই তিন চার প্রক্টর তুই গদি ছাড় " ,আমার স্যার হেনস্তা কেন প্রশাসন  জবাব দে ", " একশান একশান ডাইরেক্ট একশান " প্রভৃতি স্লোগান দেয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ, প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এবং জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার। 
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে, সায়মার মৃত্যুর তদন্ত রিপোর্ট পাঠ শেষে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আমিনুল ইসলামকে হেনস্থা করে। তদন্ত রিপোর্ট পাঠ শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকলেও বিভাগের শিক্ষার্থীদের কোনো প্রশ্ন গ্রহণ করা হয়না।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, তদন্ত রিপোর্ট ঘোষণার সময় প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আমিনুল ইসলামকে  প্রশ্ন করতে বাধা দেয় অভিযুক্তরা। এর অভিযোগে সিনেট ভবনেই স্লোগান শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও জনসংযোগ কর্মকর্তাকে একাধিকবার কল করা হলেও তারা সাড়া দেননি।প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে ওই শিক্ষকের এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক আরও ভালোভাবে বলতে পারবেন তার সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা।’

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে সায়মার আকষ্মিক মৃত্যুতে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব ৭২ ঘন্টার মধ্যে মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্তের আশ্বাসে সেদিন আন্দোলন প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীরা। এরপর গত তিন দিন প্যারিস রোডে অবস্থান নেন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হলে আজ দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা।