CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১ ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকার দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু ১৬০ রান করে কত রানে জিততে হবে বাংলাদেশের

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কায়কোবাদের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি

#
news image

দুর্নীতি, অনুসন্ধান ও তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা কর্মকর্তা মো. কায়কোবাদ অবশেষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল) পদে চলতি দায়িত্ব পেয়েছেন। গত ২১ অক্টোবর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা–৭ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। তার এই পদোন্নতিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে 'নীরব ভূমিকম্প' হিসেবে আলোচনা করা হচ্ছে।

এক বছর আগে সতর্ক করেছিল ‘আমাদের মাতৃভূমি’কায়কোবাদের এই উত্থান এমন সময়ে ঘটল, যখন তাঁর বিরুদ্ধে এক বছর ধরে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট পরিচালনা ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে তোলপাড় চলছে।প্রথম উন্মোচনকারী: দৈনিক “আমাদের মাতৃভূমি” ঠিক এক বছর আগেই প্রথম সাহসিকতার সঙ্গে কায়কোবাদ ও তার সিন্ডিকেটের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছিল।স্বীকৃতি: অনেকেই এই সাহসী সাংবাদিকতার জন্য সংবাদপত্রটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।সিন্ডিকেটের ছায়ায় ক্ষমতার উত্থানঅভ্যন্তরীণ সূত্র এবং অভিযোগ অনুযায়ী, মো. কায়কোবাদ একা নন, তিনি প্রধান প্রকৌশলী মো. শামীম আখতারের প্রত্যক্ষ মদদে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন।

এই সিন্ডিকেটের মূল সদস্যরা হলেন:পদমর্যাদানামভূমিকাঅতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম জোন)আশরাফ আলমকায়কোবাদের ডান হাতনির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম বিভাগ–৪)নিয়াজ মোহাম্মদ তানভীর আলমসিন্ডিকেট সদস্যনির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম বিভাগ–৫)সাইদ তামজিদ হোসেনসিন্ডিকেট সদস্যনির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম বিভাগ–৬)তরিকুল আলমসিন্ডিকেট সদস্যঅভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এই সিন্ডিকেট টেন্ডার, সরঞ্জাম ক্রয় ও কন্ট্রাক্ট অনুমোদনের নামে 'তিনস্তর বিশিষ্ট কমিশন চক্র' চালায়, যার মাধ্যমে নিয়মিত কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়।মেধার বদলে আনুগত্যের মানদণ্ডকায়কোবাদের এই নিয়োগের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও নৈরাজ্যের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, প্রতিষ্ঠানে এখন যোগ্যতা নয়, সিন্ডিকেটের প্রতি আনুগত্যই পদোন্নতির মূল মানদণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক সিনিয়র কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এভাবে চললে মেধাবীরা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে পালাবে।"দুর্নীতি ও ভাবমূর্তি সংকটঅভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইএম বিভাগগুলোতে সরঞ্জাম সরবরাহ, লিফট ইনস্টলেশন, এসি সার্ভিসিং এবং বিদ্যুৎ রক্ষণাবেক্ষণে অতিমূল্য নির্ধারণ, বিল ফোলানো ও অনিয়মের মহোৎসব চলছে। অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসবের ইঙ্গিত থাকলেও, সিন্ডিকেটের প্রভাবে তা ধামাচাপা পড়ে থাকে।বিশ্লেষকদের মতে, কায়কোবাদের এই পদোন্নতি কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং একটি সিন্ডিকেটের শক্তির প্রকাশ। এই নিয়োগ গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার ওপর গভীর আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, "যোগ্যতা নয়, আনুগত্যই কি এখন গণপূর্তের নতুন মানদণ্ড?"

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ অক্টোবর, ২০২৫,  2:48 PM

news image

দুর্নীতি, অনুসন্ধান ও তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা কর্মকর্তা মো. কায়কোবাদ অবশেষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল) পদে চলতি দায়িত্ব পেয়েছেন। গত ২১ অক্টোবর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা–৭ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। তার এই পদোন্নতিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে 'নীরব ভূমিকম্প' হিসেবে আলোচনা করা হচ্ছে।

এক বছর আগে সতর্ক করেছিল ‘আমাদের মাতৃভূমি’কায়কোবাদের এই উত্থান এমন সময়ে ঘটল, যখন তাঁর বিরুদ্ধে এক বছর ধরে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট পরিচালনা ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে তোলপাড় চলছে।প্রথম উন্মোচনকারী: দৈনিক “আমাদের মাতৃভূমি” ঠিক এক বছর আগেই প্রথম সাহসিকতার সঙ্গে কায়কোবাদ ও তার সিন্ডিকেটের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছিল।স্বীকৃতি: অনেকেই এই সাহসী সাংবাদিকতার জন্য সংবাদপত্রটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।সিন্ডিকেটের ছায়ায় ক্ষমতার উত্থানঅভ্যন্তরীণ সূত্র এবং অভিযোগ অনুযায়ী, মো. কায়কোবাদ একা নন, তিনি প্রধান প্রকৌশলী মো. শামীম আখতারের প্রত্যক্ষ মদদে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন।

এই সিন্ডিকেটের মূল সদস্যরা হলেন:পদমর্যাদানামভূমিকাঅতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম জোন)আশরাফ আলমকায়কোবাদের ডান হাতনির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম বিভাগ–৪)নিয়াজ মোহাম্মদ তানভীর আলমসিন্ডিকেট সদস্যনির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম বিভাগ–৫)সাইদ তামজিদ হোসেনসিন্ডিকেট সদস্যনির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম বিভাগ–৬)তরিকুল আলমসিন্ডিকেট সদস্যঅভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এই সিন্ডিকেট টেন্ডার, সরঞ্জাম ক্রয় ও কন্ট্রাক্ট অনুমোদনের নামে 'তিনস্তর বিশিষ্ট কমিশন চক্র' চালায়, যার মাধ্যমে নিয়মিত কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়।মেধার বদলে আনুগত্যের মানদণ্ডকায়কোবাদের এই নিয়োগের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও নৈরাজ্যের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, প্রতিষ্ঠানে এখন যোগ্যতা নয়, সিন্ডিকেটের প্রতি আনুগত্যই পদোন্নতির মূল মানদণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক সিনিয়র কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এভাবে চললে মেধাবীরা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে পালাবে।"দুর্নীতি ও ভাবমূর্তি সংকটঅভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইএম বিভাগগুলোতে সরঞ্জাম সরবরাহ, লিফট ইনস্টলেশন, এসি সার্ভিসিং এবং বিদ্যুৎ রক্ষণাবেক্ষণে অতিমূল্য নির্ধারণ, বিল ফোলানো ও অনিয়মের মহোৎসব চলছে। অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসবের ইঙ্গিত থাকলেও, সিন্ডিকেটের প্রভাবে তা ধামাচাপা পড়ে থাকে।বিশ্লেষকদের মতে, কায়কোবাদের এই পদোন্নতি কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং একটি সিন্ডিকেটের শক্তির প্রকাশ। এই নিয়োগ গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার ওপর গভীর আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, "যোগ্যতা নয়, আনুগত্যই কি এখন গণপূর্তের নতুন মানদণ্ড?"