CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে দুই পর্বে

#
news image

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সমন্বয় করবেন ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনার বিষয়টি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রটি বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি–শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড নিয়োগ করা এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকার কথা পরিপত্রে বলা হয়েছে।

প্রথম পর্বে, চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ থাকবেন।

দ্বিতীয় পর্বে, ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আট থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন বলে পরিপত্রে জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে বলে পরিপত্রে জানিয়েছে সরকার।

একইসাথে প্রয়োজনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিম পুনর্বিন্যাসও করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারি, ২০২৬,  2:17 PM

news image
ফাইল ছবি

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সমন্বয় করবেন ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনার বিষয়টি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রটি বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি–শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড নিয়োগ করা এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকার কথা পরিপত্রে বলা হয়েছে।

প্রথম পর্বে, চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ থাকবেন।

দ্বিতীয় পর্বে, ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আট থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন বলে পরিপত্রে জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে বলে পরিপত্রে জানিয়েছে সরকার।

একইসাথে প্রয়োজনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিম পুনর্বিন্যাসও করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।