CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

জাতীয় পার্টিতে সক্রিয় হচ্ছেন বিদিশা

#
news image

আজ ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী সামনে রেখে সক্রিয় হচ্ছেন বিদিশা এরশাদ। ২০২০ সালে তার হাত ধরে শুরু হওয়া ‘জাতীয় পার্টির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া’কে সামনে রেখে আবারও সামনে আসছেন বিদিশা।  আজ ১৪ জুলাই এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি অংশ নেন আলোচনায়। দেন নতুন বার্তা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ জাতীয় পার্টির প্রবীণ নেতারা চুপ হয়ে যান। রওশন এরশাদ নীরব থাকেন। এই অংশের মহাসচিব হিসেবে কাজী মামুনুর রশীদ বিবৃতি দিতেন।  বিদিশার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তার। যদিও এই দূরত্ব এখন আর নেই। তারা একসঙ্গে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে থেকে দলটি গোছাচ্ছেন।  

জানা গেছে, জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিদিশা এরশাদকে। কাজী মো. মামুনুর রশীদকে মহাসচিব করা হয়েছে। বিষয়টি গত ১৯ জুন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছেন তারা। নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত অবহিতকরণের চিঠিটি গ্রহণ করেছে। বিদিশার সঙ্গে এরিক এরশাদও আবার সক্রিয় হচ্ছেন রাজনীতিতে। 

বিদিশা এরশাদ এ ব্যাপারে বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির রাজনীতি দেশের জন্য প্রাসঙ্গিক। আগামী নির্বাচন ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় পার্টির রাজনীতি মানুষের কাছে আকাঙ্ক্ষার বিষয়। দলের নেতাকর্মীরা চান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সন্তান এরিকও সক্রিয় হোক। ছেলের মতো আমিও চাই তার পাশে থাকতে। আমি ও এরিক মানুষের জন্য কাজ করতে সক্রিয় হচ্ছি আবার। আজ ১৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের বার্তা থাকবে, আসুন আমরা সবাই একসঙ্গে স্বৈরাচার  জি এম কাদের ও শেরীফা কাদেরের হাত থেকে জাতীয় পার্টিকে রক্ষা করি।  এরশাদের রেখে যাওয়ার সম্পদকে রক্ষা করি। 

তিনি বলেন, আমি দেশের জন্য কাজ করতে চাই, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, ইয়াং জেনারেশনকে পথ প্রদর্শন করতে চাই। সিনিয়র নেতারা যারা আরেকটা জাতীয় পার্টি করার চেষ্টা করছেন, প্লিজ এটা করবেন না। আসুন, আমরা স্যারের রেখে যাওয়া পার্টি একসঙ্গে করি। আলাদা, আলাদা, টুকরো, টুকরো  জাতীয় পার্টি কখনোই অর্থ বহন করবে না। আসেন না একবার আমাদের পার্সোনাল ইগো বাদ দিয়ে আমরা সবাই আবার এক হই। 

বিদিশা বলেন, আমাকে নিয়ে আপনার ভয় পাবেন না। আমি এরিকের মা, মাই থাকতে চাই, এর থেকে পদ পদবি আপনারা আমাকে দিতে হবে না। আমার কোনো প্রয়োজনও নেই। আমার এমপি-মন্ত্রী হওয়ার কোনো খায়েশও নেই।  আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, মানুষের হৃদয়ে বাস করতে চাই। আপনারা যারা সিনিয়র নেতারা তাদের বলতে চাই, আপনারা হচ্ছেন মাথার তাজ, মুকুট। আমরা সম্মান দিয়ে রাখবো আপনাদের। তবুও দয়া করে পার্টি ভাঙবেন না।’ 

তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান হবে কে? মহাসচিব হবে কে? পদ পদবি চিন্তা না করে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় পার্টিটাকে জি এম কাদেরের হাত থেকে বাঁচানো আমাদের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত এই মুহূর্তে। আসুন এরশাদের নামটা আমরা ছড়িয়ে দিই সারা দেশে।  এরশাদ ভালো ভালো যে কাজগুলো করে গেছেন, সেগুলো বেশি বেশি করে মানুষের মাঝে জানিয়ে দিই আমরা। ছড়িয়ে দই এরশাদের নাম।’  

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ জুলাই, ২০২৫,  6:27 PM

news image

আজ ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী সামনে রেখে সক্রিয় হচ্ছেন বিদিশা এরশাদ। ২০২০ সালে তার হাত ধরে শুরু হওয়া ‘জাতীয় পার্টির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া’কে সামনে রেখে আবারও সামনে আসছেন বিদিশা।  আজ ১৪ জুলাই এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি অংশ নেন আলোচনায়। দেন নতুন বার্তা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ জাতীয় পার্টির প্রবীণ নেতারা চুপ হয়ে যান। রওশন এরশাদ নীরব থাকেন। এই অংশের মহাসচিব হিসেবে কাজী মামুনুর রশীদ বিবৃতি দিতেন।  বিদিশার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তার। যদিও এই দূরত্ব এখন আর নেই। তারা একসঙ্গে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে থেকে দলটি গোছাচ্ছেন।  

জানা গেছে, জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিদিশা এরশাদকে। কাজী মো. মামুনুর রশীদকে মহাসচিব করা হয়েছে। বিষয়টি গত ১৯ জুন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছেন তারা। নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত অবহিতকরণের চিঠিটি গ্রহণ করেছে। বিদিশার সঙ্গে এরিক এরশাদও আবার সক্রিয় হচ্ছেন রাজনীতিতে। 

বিদিশা এরশাদ এ ব্যাপারে বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির রাজনীতি দেশের জন্য প্রাসঙ্গিক। আগামী নির্বাচন ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় পার্টির রাজনীতি মানুষের কাছে আকাঙ্ক্ষার বিষয়। দলের নেতাকর্মীরা চান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সন্তান এরিকও সক্রিয় হোক। ছেলের মতো আমিও চাই তার পাশে থাকতে। আমি ও এরিক মানুষের জন্য কাজ করতে সক্রিয় হচ্ছি আবার। আজ ১৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের বার্তা থাকবে, আসুন আমরা সবাই একসঙ্গে স্বৈরাচার  জি এম কাদের ও শেরীফা কাদেরের হাত থেকে জাতীয় পার্টিকে রক্ষা করি।  এরশাদের রেখে যাওয়ার সম্পদকে রক্ষা করি। 

তিনি বলেন, আমি দেশের জন্য কাজ করতে চাই, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, ইয়াং জেনারেশনকে পথ প্রদর্শন করতে চাই। সিনিয়র নেতারা যারা আরেকটা জাতীয় পার্টি করার চেষ্টা করছেন, প্লিজ এটা করবেন না। আসুন, আমরা স্যারের রেখে যাওয়া পার্টি একসঙ্গে করি। আলাদা, আলাদা, টুকরো, টুকরো  জাতীয় পার্টি কখনোই অর্থ বহন করবে না। আসেন না একবার আমাদের পার্সোনাল ইগো বাদ দিয়ে আমরা সবাই আবার এক হই। 

বিদিশা বলেন, আমাকে নিয়ে আপনার ভয় পাবেন না। আমি এরিকের মা, মাই থাকতে চাই, এর থেকে পদ পদবি আপনারা আমাকে দিতে হবে না। আমার কোনো প্রয়োজনও নেই। আমার এমপি-মন্ত্রী হওয়ার কোনো খায়েশও নেই।  আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, মানুষের হৃদয়ে বাস করতে চাই। আপনারা যারা সিনিয়র নেতারা তাদের বলতে চাই, আপনারা হচ্ছেন মাথার তাজ, মুকুট। আমরা সম্মান দিয়ে রাখবো আপনাদের। তবুও দয়া করে পার্টি ভাঙবেন না।’ 

তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান হবে কে? মহাসচিব হবে কে? পদ পদবি চিন্তা না করে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় পার্টিটাকে জি এম কাদেরের হাত থেকে বাঁচানো আমাদের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত এই মুহূর্তে। আসুন এরশাদের নামটা আমরা ছড়িয়ে দিই সারা দেশে।  এরশাদ ভালো ভালো যে কাজগুলো করে গেছেন, সেগুলো বেশি বেশি করে মানুষের মাঝে জানিয়ে দিই আমরা। ছড়িয়ে দই এরশাদের নাম।’