CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জাতীয় তাফসীর পরিষদের

#
news image

ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় তাফসীর পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মহাসচিব হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব শায়খুল হাদীস ও প্রিন্সিপাল মুফতি বাকি বিল্লাহ। 


আজ রবিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ, এ সিদ্ধান্তকে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানান। খোদ জাতিসংঘের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অহরহ। জাতিসংঘই বার বার মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আসছে। এ জন্য বিশ্ব মুসলিম নেতৃবৃন্দ জাতিসংঘকে মুসলিম নিধন সংঘ নামে অভিহিত করে মুসলিম জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছেন।


জাতীয় তাফসীর পরিষদ নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবাধিকার রক্ষার নামে তারা দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়াদিতে নাক গলাবে। ইসলামী মূল্যবোধের উপরও আঘাত হানবে। নারী-পুরুষের সমতা বিধানের নামে তারা বাংলাদেশে বলবৎ ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে তারা পরিবর্তন আনার চেষ্টা চালাবে। সার্বজনীন যৌন শিক্ষার নামে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবাধ যৌনাচার, জিনা-ব্যভিচার, সমকামীতা ও ট্রান্সজেন্ডারের দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা চালাবে। যা এদেশের জনগণ কখনোই মেনে নিবে না।


তারা বলেন, দেশে দেশে মুসলমানদের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের দৃশ্যমান কোন কার্যক্রর ভূমিকা নেই।  যুগ যুগ ধরে ফিলিস্তিনের লাখ লাখ মুসলিম নারী শিশুকে হত্যা করে ইসরাইল মানবাধিকারের কবর রচনা করেছে। এক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরীহ ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণ কারো গোলামী করে বাঁচতে চায় না, ভারতীয় আধিপত্য যেমনি এদেশের  মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তেমনিভাবে মার্কিনসহ অন্য কোন রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না।  
 নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশে অফিস স্থাপনের সুযোগ দিলে এরা রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।  অবিলম্বে এই দেশ বিরোধী আত্মঘাতী  সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অন্তর্র্বতী সরকারের নিকট জোর দাবি জানান

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ জুলাই, ২০২৫,  9:08 PM

news image

ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় তাফসীর পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মহাসচিব হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব শায়খুল হাদীস ও প্রিন্সিপাল মুফতি বাকি বিল্লাহ। 


আজ রবিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ, এ সিদ্ধান্তকে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানান। খোদ জাতিসংঘের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অহরহ। জাতিসংঘই বার বার মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আসছে। এ জন্য বিশ্ব মুসলিম নেতৃবৃন্দ জাতিসংঘকে মুসলিম নিধন সংঘ নামে অভিহিত করে মুসলিম জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছেন।


জাতীয় তাফসীর পরিষদ নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবাধিকার রক্ষার নামে তারা দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়াদিতে নাক গলাবে। ইসলামী মূল্যবোধের উপরও আঘাত হানবে। নারী-পুরুষের সমতা বিধানের নামে তারা বাংলাদেশে বলবৎ ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে তারা পরিবর্তন আনার চেষ্টা চালাবে। সার্বজনীন যৌন শিক্ষার নামে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবাধ যৌনাচার, জিনা-ব্যভিচার, সমকামীতা ও ট্রান্সজেন্ডারের দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা চালাবে। যা এদেশের জনগণ কখনোই মেনে নিবে না।


তারা বলেন, দেশে দেশে মুসলমানদের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের দৃশ্যমান কোন কার্যক্রর ভূমিকা নেই।  যুগ যুগ ধরে ফিলিস্তিনের লাখ লাখ মুসলিম নারী শিশুকে হত্যা করে ইসরাইল মানবাধিকারের কবর রচনা করেছে। এক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরীহ ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণ কারো গোলামী করে বাঁচতে চায় না, ভারতীয় আধিপত্য যেমনি এদেশের  মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তেমনিভাবে মার্কিনসহ অন্য কোন রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না।  
 নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশে অফিস স্থাপনের সুযোগ দিলে এরা রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।  অবিলম্বে এই দেশ বিরোধী আত্মঘাতী  সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অন্তর্র্বতী সরকারের নিকট জোর দাবি জানান