CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

চলে গেলেন সাবেক সিইসি শামসুল হুদা

#
news image

ঢাকা : মারা গেছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা। শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গুলশানের বাসভবনে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শামসুল হুদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ভগ্নিপতি আশফাক কাদেরী।

আশফাক কাদেরী বলেন, সকাল ৯টায় বাসায় মারা যান এটিএম শামসুল হুদা। পরে তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। 

এক মাস আগে ঘরের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেটার চিকিৎসা চলছিল বলেও জানান আশফাক কাদেরী।

২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এটিএম শামসুল হুদা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নেন। তিনি কাজ করেন ২০১২ সাল পর্যন্ত। ভোটের আগে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন হয় এই কমিশনের সময়। সংলাপ করে নির্বাচনী আইন সংস্কার করা হয়। চালু হয় রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের নিয়ম ও ইভিএম।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন করে শামসুল হুদা কমিশন। ৮৭ শতাংশের বেশি ভোটারের উপস্থিতিতে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০, বিএনপি ৩০ ও জাতীয় পার্টি ২৭ আসন পায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ জুলাই, ২০২৫,  6:34 PM

news image

ঢাকা : মারা গেছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা। শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গুলশানের বাসভবনে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শামসুল হুদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ভগ্নিপতি আশফাক কাদেরী।

আশফাক কাদেরী বলেন, সকাল ৯টায় বাসায় মারা যান এটিএম শামসুল হুদা। পরে তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। 

এক মাস আগে ঘরের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেটার চিকিৎসা চলছিল বলেও জানান আশফাক কাদেরী।

২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এটিএম শামসুল হুদা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নেন। তিনি কাজ করেন ২০১২ সাল পর্যন্ত। ভোটের আগে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন হয় এই কমিশনের সময়। সংলাপ করে নির্বাচনী আইন সংস্কার করা হয়। চালু হয় রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের নিয়ম ও ইভিএম।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন করে শামসুল হুদা কমিশন। ৮৭ শতাংশের বেশি ভোটারের উপস্থিতিতে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০, বিএনপি ৩০ ও জাতীয় পার্টি ২৭ আসন পায়।