বিনোদন ডেস্ক
১৫ অক্টোবর, ২০২৬, 11:44 PM
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তারকাদের চেহারা বসিয়ে তৈরি করা আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তারকাদের নিয়ে তৈরি এসব ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। মেহজাবীনের মতে, এআই দিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করে কাউকে হেয় করা কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী।
মেহজাবীন লিখেছেন, ‘এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ।’
তার মতে, একই ধরনের কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর শুধু একজনের অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এর মাধ্যমে বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র সামনে আসে।
এ ধরনের ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে সম্মান করার জন্য তাকে নিজের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন মেহজাবীন। তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে এসে সেই পুরোনো কথাটাও আর বলতে ইচ্ছে করে না যে, একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত! কারণ কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?’
সামাজিক মাধ্যমে ভিউ, লাইক, শেয়ার ও আলোচনায় থাকার প্রতিযোগিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। তার স্বীকারোক্তি, অনেকের কাছে কনটেন্ট তৈরি এখন জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। তবে এ জন্য অন্যকে অপমান বা অসম্মান করার প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মেহজাবীন প্রশ্ন তোলেন, ‘কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?’
তার মতে, প্রত্যেক মানুষের সম্মান পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কারও পরিচয় ব্যবহার করে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
অভিনেত্রী আরও বলেন, এ সমস্যা এখন শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভিউ, মানুষের সম্পৃক্ততা ও আলোচনায় থাকার প্রতিযোগিতায় যে কেউ ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরির অংশ হতে পারেন, আবার এর শিকারও হতে পারেন।
শুধু যারা এসব কনটেন্ট তৈরি করছেন, তাদের ভূমিকাই নয়, বরং যারা সেগুলো স্বেচ্ছায় শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন, তাদের ভূমিকাও উদ্বেগজনক বলে মনে করেন মেহজাবীন।
পোস্টের শেষাংশে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া ব্যক্তিদের নিজেদের বিবেক নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান তিনি। মেহজাবীনের ভাষ্য, ‘একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন।’
বিনোদন ডেস্ক
১৫ অক্টোবর, ২০২৬, 11:44 PM
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তারকাদের চেহারা বসিয়ে তৈরি করা আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তারকাদের নিয়ে তৈরি এসব ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। মেহজাবীনের মতে, এআই দিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করে কাউকে হেয় করা কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী।
মেহজাবীন লিখেছেন, ‘এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ।’
তার মতে, একই ধরনের কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর শুধু একজনের অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এর মাধ্যমে বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র সামনে আসে।
এ ধরনের ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে সম্মান করার জন্য তাকে নিজের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন মেহজাবীন। তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে এসে সেই পুরোনো কথাটাও আর বলতে ইচ্ছে করে না যে, একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত! কারণ কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?’
সামাজিক মাধ্যমে ভিউ, লাইক, শেয়ার ও আলোচনায় থাকার প্রতিযোগিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। তার স্বীকারোক্তি, অনেকের কাছে কনটেন্ট তৈরি এখন জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। তবে এ জন্য অন্যকে অপমান বা অসম্মান করার প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মেহজাবীন প্রশ্ন তোলেন, ‘কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?’
তার মতে, প্রত্যেক মানুষের সম্মান পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কারও পরিচয় ব্যবহার করে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
অভিনেত্রী আরও বলেন, এ সমস্যা এখন শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভিউ, মানুষের সম্পৃক্ততা ও আলোচনায় থাকার প্রতিযোগিতায় যে কেউ ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরির অংশ হতে পারেন, আবার এর শিকারও হতে পারেন।
শুধু যারা এসব কনটেন্ট তৈরি করছেন, তাদের ভূমিকাই নয়, বরং যারা সেগুলো স্বেচ্ছায় শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন, তাদের ভূমিকাও উদ্বেগজনক বলে মনে করেন মেহজাবীন।
পোস্টের শেষাংশে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া ব্যক্তিদের নিজেদের বিবেক নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান তিনি। মেহজাবীনের ভাষ্য, ‘একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন।’