বিশেষ প্রতিবেদক
২২ জুন, ২০২৬, 5:15 PM
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের ব্যাংক খাতে এক নতুন অস্থিতিশীলতা, চাঁদাবাজি ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ এবং জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর বিতর্কিত কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন তালুকদার (সেলিম)-এর বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন, নিয়মবহির্ভূত ‘কমিটি বাণিজ্য’ এবং ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে মতিঝিল এলাকাকে কেন্দ্র করে এই চক্রটি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। আর এর পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এমপি মজিবর রহমান। অভিযোগ রয়েছে এমডির নিজের পদ রক্ষায় তাদের সহয়তা করছেন। পাশাপাশি অর্থেও ভাগ পাচ্ছেন।
সূত্রে জানায়, জিয়া পরিষদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দোহাই দিয়ে ব্যাংক পাড়ায় একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করছেন আবদুল্লাহিল মাসুদ। প্রতিটি নতুন কমিটি গঠন বা পদায়নের জন্য তিনি ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারাও নিজেদের পদোন্নতি ও কাঙ্ক্ষিত বদলির আশায় বিপুল অর্থ ঢালছেন। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে জনতা ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) এবং জিয়া পরিষদ ময়মনসিংহ বিভাগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল আবেদীন তালুকদার (সেলিম)-এর ঘটনা।
বিগত ১০/০২/২০১৯ তারিখে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত ও অব্যাহতি প্রাপ্ত হওয়া এই কর্মকর্তার বহিষ্কারাদেশ দীর্ঘ ৭ বছর পর, গত ২৩/০৫/২০২৬ তারিখে আকস্মিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, জিয়া পরিষদের স্থায়ী কমিটির কোনো আনুষ্ঠানিক সভা ছাড়াই, সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছেন আবদুল্লাহিল মাসুদ।
স্বার্থের সংঘাত ও তড়িঘড়ি নতুন কমিটি গঠন: সাইফুল আবেদীন সেলিমের চাকরির মেয়াদ আর মাত্র ৪ মাস বাকি রয়েছে। অথচ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের মাত্র এক মাসের মাথায়, এক বছর আগে ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ না করেই, নতুন আরেকটি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জনতা ব্যাংক জিয়া পরিষদের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাকে সভাপতি করার জন্য মোটা অঙ্কের অর্থের চুক্তি হয়েছে। সাধারণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশ্ন চাকরির শেষ সময়ে থাকা একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে নিয়ে কেন এত তড়িঘড়ি করা হচ্ছে?
অতীতের বিতর্ক ও রহস্যময় প্রত্যাহার: অতীতে এই সাইফুল আবেদীন সেলিমের বিরুদ্ধে তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুসের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানে পুলিশ ডেকে হেনস্তা এবং এমনকি গ্রেপ্তার করানোর চেষ্টার অভিযোগ ছিল। গত ২৬/০৪/২০২৬ তারিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ড. আব্দুল কুদ্দুস মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর মাত্র এক মাসের মাথায় অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে সেলিমের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়, যা এই আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের সত্যতাকে আরও জোরালো করে।
জনতা ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। অসৎ কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন সেলিম ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মজিবর রহমানের সিন্ডিকেটের সহায়তায় জনতা ব্যাংকে বদলি বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি এখন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
সেলিম তার এক আত্মীয় এমপির পরিচয় ব্যবহার করে এবং এমডিকে পদে পুনর্বহাল করার প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন অফিসারদের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বদলির ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হচ্ছে। যারাই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, তাদেরকে এমডির সহায়তায় ঢাকার বাইরে শাস্তিমূলক বদলি করা হচ্ছে। আবার টাকা দিলে পুনরায় ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। গত সপ্তাহেও রংপুর বিভাগ থেকে একসাথে ৩০ জন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। কেউ এমডিকে নিয়ে আলোচনা কিংবা সমালোচনা করলে সেলিম গংদের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া ও বানোয়াট অভিযোগ তৈরি করে বেনামী পত্র পাঠানো হয়। এমডি সেই পত্র ভিজিল্যান্স ডিপার্টমেন্টে প্রেরণ করে খারাপ রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং সেই রিপোর্টের অজুহাতে নিরীহ কর্মকর্তাদের হয়রানি করা হয়। এছাড়া এমডির সরাসরি সহায়তায় ব্যাংকের ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে তৈল বাণিজ্য এবং এয়ারপোর্ট বুথ থেকে মাসিক ভিত্তিতে নিয়মিত মোটা অঙ্কের মাসোহারা তুলছেন সেলিম।
এদিকে নেতাকর্মীদের এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে খোদ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও চরম ক্ষুব্ধ। কিছুদিন পূর্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রয়াত চেয়ারম্যান ড. আব্দুল কুদ্দুসের নাগরিক শোক সভায় এসে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আপনারা তো দোকান খুলে বসেছেন।’ মহাসচিবের এই মন্তব্য যে ব্যাংক পাড়ার এই চাঁদাবাজি ও কমিটি বাণিজ্যকে ইঙ্গিত করেই ছিল, তা এখন স্পষ্ট। এই বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জিয়া পরিষদের একাধিক শীর্ষ নেতা আবদুল্লাহিল মাসুদের এই ধরনের চাঁদাবাজি, বদলি বাণিজ্য এবং সাংগঠনিক অনিয়মের কথা স্বীকার করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের অপকর্মের ফলে ব্যাংক খাতে জিয়া পরিষদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
বর্তমানে জনতা ব্যাংকে কোনো পদোন্নতি নেই, ইনসেনটিভ নেই, যার কারণে সাধারণ ব্যাংকাররা এমনিতেই চরম অতিষ্ঠ। কিন্তু বদলির ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। সাধারণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের দাবি, এই ফ্যাসিস্ট এমডির অপসারণ এবং বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো মুহূর্তে রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংকটিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির উদ্রেক হতে পারে।
বিশেষ প্রতিবেদক
২২ জুন, ২০২৬, 5:15 PM
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের ব্যাংক খাতে এক নতুন অস্থিতিশীলতা, চাঁদাবাজি ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ এবং জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর বিতর্কিত কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন তালুকদার (সেলিম)-এর বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন, নিয়মবহির্ভূত ‘কমিটি বাণিজ্য’ এবং ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে মতিঝিল এলাকাকে কেন্দ্র করে এই চক্রটি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। আর এর পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এমপি মজিবর রহমান। অভিযোগ রয়েছে এমডির নিজের পদ রক্ষায় তাদের সহয়তা করছেন। পাশাপাশি অর্থেও ভাগ পাচ্ছেন।
সূত্রে জানায়, জিয়া পরিষদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দোহাই দিয়ে ব্যাংক পাড়ায় একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করছেন আবদুল্লাহিল মাসুদ। প্রতিটি নতুন কমিটি গঠন বা পদায়নের জন্য তিনি ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারাও নিজেদের পদোন্নতি ও কাঙ্ক্ষিত বদলির আশায় বিপুল অর্থ ঢালছেন। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে জনতা ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) এবং জিয়া পরিষদ ময়মনসিংহ বিভাগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল আবেদীন তালুকদার (সেলিম)-এর ঘটনা।
বিগত ১০/০২/২০১৯ তারিখে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত ও অব্যাহতি প্রাপ্ত হওয়া এই কর্মকর্তার বহিষ্কারাদেশ দীর্ঘ ৭ বছর পর, গত ২৩/০৫/২০২৬ তারিখে আকস্মিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, জিয়া পরিষদের স্থায়ী কমিটির কোনো আনুষ্ঠানিক সভা ছাড়াই, সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছেন আবদুল্লাহিল মাসুদ।
স্বার্থের সংঘাত ও তড়িঘড়ি নতুন কমিটি গঠন: সাইফুল আবেদীন সেলিমের চাকরির মেয়াদ আর মাত্র ৪ মাস বাকি রয়েছে। অথচ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের মাত্র এক মাসের মাথায়, এক বছর আগে ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ না করেই, নতুন আরেকটি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জনতা ব্যাংক জিয়া পরিষদের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাকে সভাপতি করার জন্য মোটা অঙ্কের অর্থের চুক্তি হয়েছে। সাধারণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশ্ন চাকরির শেষ সময়ে থাকা একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে নিয়ে কেন এত তড়িঘড়ি করা হচ্ছে?
অতীতের বিতর্ক ও রহস্যময় প্রত্যাহার: অতীতে এই সাইফুল আবেদীন সেলিমের বিরুদ্ধে তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুসের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানে পুলিশ ডেকে হেনস্তা এবং এমনকি গ্রেপ্তার করানোর চেষ্টার অভিযোগ ছিল। গত ২৬/০৪/২০২৬ তারিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ড. আব্দুল কুদ্দুস মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর মাত্র এক মাসের মাথায় অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে সেলিমের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়, যা এই আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের সত্যতাকে আরও জোরালো করে।
জনতা ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। অসৎ কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন সেলিম ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মজিবর রহমানের সিন্ডিকেটের সহায়তায় জনতা ব্যাংকে বদলি বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি এখন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
সেলিম তার এক আত্মীয় এমপির পরিচয় ব্যবহার করে এবং এমডিকে পদে পুনর্বহাল করার প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন অফিসারদের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বদলির ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হচ্ছে। যারাই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, তাদেরকে এমডির সহায়তায় ঢাকার বাইরে শাস্তিমূলক বদলি করা হচ্ছে। আবার টাকা দিলে পুনরায় ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। গত সপ্তাহেও রংপুর বিভাগ থেকে একসাথে ৩০ জন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। কেউ এমডিকে নিয়ে আলোচনা কিংবা সমালোচনা করলে সেলিম গংদের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া ও বানোয়াট অভিযোগ তৈরি করে বেনামী পত্র পাঠানো হয়। এমডি সেই পত্র ভিজিল্যান্স ডিপার্টমেন্টে প্রেরণ করে খারাপ রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং সেই রিপোর্টের অজুহাতে নিরীহ কর্মকর্তাদের হয়রানি করা হয়। এছাড়া এমডির সরাসরি সহায়তায় ব্যাংকের ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে তৈল বাণিজ্য এবং এয়ারপোর্ট বুথ থেকে মাসিক ভিত্তিতে নিয়মিত মোটা অঙ্কের মাসোহারা তুলছেন সেলিম।
এদিকে নেতাকর্মীদের এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে খোদ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও চরম ক্ষুব্ধ। কিছুদিন পূর্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রয়াত চেয়ারম্যান ড. আব্দুল কুদ্দুসের নাগরিক শোক সভায় এসে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আপনারা তো দোকান খুলে বসেছেন।’ মহাসচিবের এই মন্তব্য যে ব্যাংক পাড়ার এই চাঁদাবাজি ও কমিটি বাণিজ্যকে ইঙ্গিত করেই ছিল, তা এখন স্পষ্ট। এই বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জিয়া পরিষদের একাধিক শীর্ষ নেতা আবদুল্লাহিল মাসুদের এই ধরনের চাঁদাবাজি, বদলি বাণিজ্য এবং সাংগঠনিক অনিয়মের কথা স্বীকার করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের অপকর্মের ফলে ব্যাংক খাতে জিয়া পরিষদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
বর্তমানে জনতা ব্যাংকে কোনো পদোন্নতি নেই, ইনসেনটিভ নেই, যার কারণে সাধারণ ব্যাংকাররা এমনিতেই চরম অতিষ্ঠ। কিন্তু বদলির ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। সাধারণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের দাবি, এই ফ্যাসিস্ট এমডির অপসারণ এবং বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো মুহূর্তে রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংকটিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির উদ্রেক হতে পারে।