নিউজ ডেস্ক
১৯ মে, ২০২৬, 1:15 PM
ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি জালিয়াতির মামলা খারিজের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে তার একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এ পদক্ষেপ নেয়। বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন আদানির আইনজীবী—যিনি একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী—জানান, চলমান মামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পরিকল্পিত ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আটকে আছে।
ফোর্বসের তথ্যমতে, আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮২ বিলিয়ন ডলার।
মামলায় অভিযোগ ছিল, আদানি গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রিন এনার্জিকে ভারতের বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন পাইয়ে দিতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এরপর মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
প্রসিকিউটরদের দাবি ছিল, এসব তথ্য গোপন করে বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতাদের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে আদানি গ্রুপ সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, আদানি গ্রুপের অংশ আদানি এন্টারপ্রাইজেস ইরান-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পরিশোধে সম্মত হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি দুবাইভিত্তিক এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস কিনেছিল, যা ওমান ও ইরাকের বলে দাবি করা হলেও প্রকৃত উৎস ছিল ইরান।
পরে আদানি এন্টারপ্রাইজেস এ ধরনের আমদানি বন্ধ করে এবং আন্তর্জাতিক নির্দেশনা মেনে চলা নিশ্চিত করতে নতুন কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থা চালু করে।
এছাড়া ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়ের করা দেওয়ানি মামলাও সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির পথে রয়েছে বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
১৯ মে, ২০২৬, 1:15 PM
ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি জালিয়াতির মামলা খারিজের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে তার একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এ পদক্ষেপ নেয়। বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন আদানির আইনজীবী—যিনি একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী—জানান, চলমান মামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পরিকল্পিত ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আটকে আছে।
ফোর্বসের তথ্যমতে, আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮২ বিলিয়ন ডলার।
মামলায় অভিযোগ ছিল, আদানি গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রিন এনার্জিকে ভারতের বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন পাইয়ে দিতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এরপর মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
প্রসিকিউটরদের দাবি ছিল, এসব তথ্য গোপন করে বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতাদের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে আদানি গ্রুপ সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, আদানি গ্রুপের অংশ আদানি এন্টারপ্রাইজেস ইরান-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পরিশোধে সম্মত হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি দুবাইভিত্তিক এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস কিনেছিল, যা ওমান ও ইরাকের বলে দাবি করা হলেও প্রকৃত উৎস ছিল ইরান।
পরে আদানি এন্টারপ্রাইজেস এ ধরনের আমদানি বন্ধ করে এবং আন্তর্জাতিক নির্দেশনা মেনে চলা নিশ্চিত করতে নতুন কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থা চালু করে।
এছাড়া ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়ের করা দেওয়ানি মামলাও সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির পথে রয়েছে বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।