CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৯ মে, ২০২৬

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ আর নেই

#
news image

ক্রিকেট বিশ্বে ‘এমজেকে’ নামে পরিচিত ওয়ারউইকশায়ার ও ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। খবর বিবিসির। 

ডানহাতি ব্যাটার স্মিথ ইংল্যান্ডের হয়ে ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন এবং এর মধ্যে ঠিক অর্ধেক ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১৯ বছর ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে খেলেছেন।

১৯৫৮ সালে এজবাস্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় তার। দীর্ঘ ১৪ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনি ২,২৭৮ রান করেন, যেখানে ছিল ৩টি সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ-সেঞ্চুরি। ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সালে তাকে ‘ওবিই’ সম্মাননা দেয়া হয়।
 
ওয়ারউইকশায়ার ও গ্ল্যামারগানের মধ্যকার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ শুরুর আগে সোমবার এজবাস্টনে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাকে শ্রদ্ধা জানান।

লেস্টারশায়ারে জন্ম নেয়া স্মিথ স্ট্যামফোর্ড স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি নিজ জেলা দল লেস্টারশায়ার ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলেন এবং এরপর ওয়ারউইকশায়ারে যোগ দেন।

১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত তিনি ওয়ারউইকশায়ারের অধিনায়ক ছিলেন। কাউন্টি ক্যারিয়ারে ৬৩৭ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৩৯,৮৩২ রান, যা ইতিহাসে ১৮তম সর্বোচ্চ।
 
তিনি এখনও ওয়ারউইকশায়ারের এক মৌসুমে সর্বাধিক রান করার রেকর্ড ধরে রেখেছেন। ১৯৫৯ সালে তিনি এক মৌসুমে ২,৪১৭ রান করেন। ১৯৬০ সালে তিনি উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি আইসিসি ম্যাচ রেফারি হিসেবেও কাজ করেছেন এবং চারটি টেস্ট ও ১৭টি ওয়ানডে পরিচালনা করেন।

ক্রিকেটের পাশাপাশি স্মিথ ছিলেন দ্বৈত আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ। তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলেন এবং ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জাতীয় রাগবি দলের হয়ে একটি ক্যাপ অর্জন করেন।

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে, ২০২৬,  10:35 AM

news image
সংগৃহীত

ক্রিকেট বিশ্বে ‘এমজেকে’ নামে পরিচিত ওয়ারউইকশায়ার ও ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। খবর বিবিসির। 

ডানহাতি ব্যাটার স্মিথ ইংল্যান্ডের হয়ে ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন এবং এর মধ্যে ঠিক অর্ধেক ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১৯ বছর ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে খেলেছেন।

১৯৫৮ সালে এজবাস্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় তার। দীর্ঘ ১৪ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনি ২,২৭৮ রান করেন, যেখানে ছিল ৩টি সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ-সেঞ্চুরি। ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সালে তাকে ‘ওবিই’ সম্মাননা দেয়া হয়।
 
ওয়ারউইকশায়ার ও গ্ল্যামারগানের মধ্যকার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ শুরুর আগে সোমবার এজবাস্টনে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাকে শ্রদ্ধা জানান।

লেস্টারশায়ারে জন্ম নেয়া স্মিথ স্ট্যামফোর্ড স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি নিজ জেলা দল লেস্টারশায়ার ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলেন এবং এরপর ওয়ারউইকশায়ারে যোগ দেন।

১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত তিনি ওয়ারউইকশায়ারের অধিনায়ক ছিলেন। কাউন্টি ক্যারিয়ারে ৬৩৭ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৩৯,৮৩২ রান, যা ইতিহাসে ১৮তম সর্বোচ্চ।
 
তিনি এখনও ওয়ারউইকশায়ারের এক মৌসুমে সর্বাধিক রান করার রেকর্ড ধরে রেখেছেন। ১৯৫৯ সালে তিনি এক মৌসুমে ২,৪১৭ রান করেন। ১৯৬০ সালে তিনি উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি আইসিসি ম্যাচ রেফারি হিসেবেও কাজ করেছেন এবং চারটি টেস্ট ও ১৭টি ওয়ানডে পরিচালনা করেন।

ক্রিকেটের পাশাপাশি স্মিথ ছিলেন দ্বৈত আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ। তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলেন এবং ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জাতীয় রাগবি দলের হয়ে একটি ক্যাপ অর্জন করেন।