CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৯ মে, ২০২৬

পিছু হটলেন ট্রাম্প, দায় চাপালেন অন্যদের ঘাড়ে!

#
news image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও তার অযৌক্তিক দাবিগুলো থেকে পিছু হটে দাবি করেছেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যে সামরিক হামলা মঙ্গলবার  চালানোর পরিকল্পনা ছিল, তা ওই অঞ্চলের কয়েকজন নেতার অনুরোধে স্থগিত করা হয়েছে। 

ট্রাম্পের দাবি, কাতারের আমির, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আমাকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

দাবি অনুযায়ী, এই অনুরোধের কারণ হলো ইরান ইস্যুতে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ চলমান থাকা। ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির লক্ষ্য হলো ‘ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।’

তবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি গ্রহণযোগ্য কোনো সমঝোতা না হয়, তাহলে যেকোনো মুহূর্তে পূর্ণমাত্রার বৃহৎ সামরিক হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তার দাবি, তিনি মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান এবং মার্কিন বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আগামীকালের হামলা না চালানো হয়। এছাড়া যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে ‘বিস্তৃত হামলা’ৎ শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

এর আগে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোস্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, এই চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সম্পর্কিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে, ২০২৬,  10:23 AM

news image
ইন্টারনেট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও তার অযৌক্তিক দাবিগুলো থেকে পিছু হটে দাবি করেছেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যে সামরিক হামলা মঙ্গলবার  চালানোর পরিকল্পনা ছিল, তা ওই অঞ্চলের কয়েকজন নেতার অনুরোধে স্থগিত করা হয়েছে। 

ট্রাম্পের দাবি, কাতারের আমির, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আমাকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

দাবি অনুযায়ী, এই অনুরোধের কারণ হলো ইরান ইস্যুতে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ চলমান থাকা। ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির লক্ষ্য হলো ‘ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।’

তবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি গ্রহণযোগ্য কোনো সমঝোতা না হয়, তাহলে যেকোনো মুহূর্তে পূর্ণমাত্রার বৃহৎ সামরিক হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তার দাবি, তিনি মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান এবং মার্কিন বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আগামীকালের হামলা না চালানো হয়। এছাড়া যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে ‘বিস্তৃত হামলা’ৎ শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

এর আগে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোস্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, এই চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সম্পর্কিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।