CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

না ফেরার দেশে ভারতের নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা

#
news image

শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ভারতীয় প্রবীণ অভিনেতা ও প্রযোজক সুদেশ কুমার না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তিনি মুম্বাইয়ে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর দুই সপ্তাহে স্ট্রোক করেছিলেন সুদেশ। পরে এই অভিনেতাকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে আবারও সুদেশ কুমারকে বাসায় নেওয়া হয়।

সুদেশ কুমার ১৯৩১ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি তিনি স্ত্রী জয়া এবং কন্যা মিশিকাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামীকাল সোমবার (৪ মে) বিকালে মুম্বাইয়ে তার মৃত্যুতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে।

দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতার স্ত্রী জয়া ধাওয়ান বলেন, তার অনুরোধে আমরা বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনি, যেখানে আমরা একটি অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলাম। কিন্তু পরদিন সকালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৩১ সালে পেশোয়ারে জন্মগ্রহণকারী এই অভিনেতা শৈশবে তার পরিবারের সঙ্গে বোম্বেতে চলে আসেন। ব্যাপক পরিচিতি পাওয়ার আগে তিনি স্বল্প বাজেটের কস্টিউম ড্রামা এবং ভক্তিমূলক চলচ্চিত্রে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন।

তিনি 'ছোটি বহেন' (১৯৫৯) ছবিতে একজন ডাক্তারের ভূমিকায় অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। 'সারঙ্গা' (১৯৬১) নামক একটি বিয়োগান্তক প্রেমের গল্পে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে এই অভিনেতা খ্যাতি অর্জন করেন এবং এরপর 'ভরসা' (১৯৬৩) ও 'খানদান' (১৯৬৫)-এর মতো ছবিতে কাজ করেন।

পরবর্তীতে তিনি প্রযোজনার জগতে পা রাখেন এবং 'মন মন্দির' (১৯৭১), 'গুলাম বেগম বাদশাহ' (১৯৭৩), 'উলঝান' (১৯৭৫), 'বদলতে রিশতে' (১৯৭৮), এবং 'জান হাতেলি পে' (১৯৮৭)-এর মতো ছবি প্রযোজনা করেন। তিনি 'পেয়ার কা বন্ধন' (১৯৬৩) এবং 'দো বদন' (১৯৬৬)-এর মতো ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন, যা ক্যামেরার পেছনে তার অবদানকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

তিনি ১৯৮২ সালে জয়া নায়েককে বিয়ে করেন। জয়া বেশ কয়েকটি প্রসাধনী এবং খাদ্য ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।
 

নিউজ ডেস্ক

০৪ মে, ২০২৬,  12:57 PM

news image
সংগৃহীত

শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ভারতীয় প্রবীণ অভিনেতা ও প্রযোজক সুদেশ কুমার না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তিনি মুম্বাইয়ে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর দুই সপ্তাহে স্ট্রোক করেছিলেন সুদেশ। পরে এই অভিনেতাকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে আবারও সুদেশ কুমারকে বাসায় নেওয়া হয়।

সুদেশ কুমার ১৯৩১ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি তিনি স্ত্রী জয়া এবং কন্যা মিশিকাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামীকাল সোমবার (৪ মে) বিকালে মুম্বাইয়ে তার মৃত্যুতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে।

দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতার স্ত্রী জয়া ধাওয়ান বলেন, তার অনুরোধে আমরা বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনি, যেখানে আমরা একটি অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলাম। কিন্তু পরদিন সকালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৩১ সালে পেশোয়ারে জন্মগ্রহণকারী এই অভিনেতা শৈশবে তার পরিবারের সঙ্গে বোম্বেতে চলে আসেন। ব্যাপক পরিচিতি পাওয়ার আগে তিনি স্বল্প বাজেটের কস্টিউম ড্রামা এবং ভক্তিমূলক চলচ্চিত্রে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন।

তিনি 'ছোটি বহেন' (১৯৫৯) ছবিতে একজন ডাক্তারের ভূমিকায় অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। 'সারঙ্গা' (১৯৬১) নামক একটি বিয়োগান্তক প্রেমের গল্পে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে এই অভিনেতা খ্যাতি অর্জন করেন এবং এরপর 'ভরসা' (১৯৬৩) ও 'খানদান' (১৯৬৫)-এর মতো ছবিতে কাজ করেন।

পরবর্তীতে তিনি প্রযোজনার জগতে পা রাখেন এবং 'মন মন্দির' (১৯৭১), 'গুলাম বেগম বাদশাহ' (১৯৭৩), 'উলঝান' (১৯৭৫), 'বদলতে রিশতে' (১৯৭৮), এবং 'জান হাতেলি পে' (১৯৮৭)-এর মতো ছবি প্রযোজনা করেন। তিনি 'পেয়ার কা বন্ধন' (১৯৬৩) এবং 'দো বদন' (১৯৬৬)-এর মতো ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন, যা ক্যামেরার পেছনে তার অবদানকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

তিনি ১৯৮২ সালে জয়া নায়েককে বিয়ে করেন। জয়া বেশ কয়েকটি প্রসাধনী এবং খাদ্য ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।