নিউজ ডেস্ক
০২ মে, ২০২৬, 11:51 AM
বিমান যাত্রার নাম শুনলেই আতঙ্কে ভোগেন আমির খান। পেশাগত ও ব্যক্তিগত কারণে নিয়মিতই তাঁকে আকাশপথে যাতায়াত করতে হয়, কিন্তু এই যাত্রা তাঁর জন্য বরাবরই মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
জানা যায়, প্লেনে উঠলেই নানা ধরনের অশান্ত চিন্তা ঘিরে ধরে অভিনেতাকে। কখনও কখনও মৃত্যুভয়ের মতো অনুভূতিও তাঁকে অস্থির করে তোলে। এই অজানা আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতেই তিনি একটি বিশেষ অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।
প্রতিবার বিমানযাত্রার আগে আমির তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী মনসুর খান-কে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তিনি নিজের ভাবনা, কাজের অগ্রগতি এবং অনিশ্চয়তার কথা জানিয়ে রাখেন, যেন কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলেও তাঁর কাজ অসম্পূর্ণ না থাকে।
মনসুর খানের সঙ্গে আমিরের সম্পর্ক বহু বছরের। একসময় একসঙ্গে কাজ করার পর তাঁদের পেশাগত পথ আলাদা হলেও ব্যক্তিগত বন্ধন অটুট থাকে। সেই বিশ্বাস থেকেই আমির তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং দায়িত্বের বিষয়গুলোও এই বন্ধুর সঙ্গে ভাগ করে নেন।
এক সাক্ষাৎকারে আমির জানিয়েছেন, শুটিং বা পোস্ট-প্রোডাকশনের সময় তিনি প্রায়ই এই চিঠি লিখে রাখেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হলেও কাজ থেমে না যায়। তাঁর এই অভ্যাস যেমন বিস্ময় তৈরি করেছে, তেমনই প্রকাশ করেছে তাঁর সংবেদনশীল মানসিক দিক।
সব মিলিয়ে, বাহ্যিকভাবে সফল ও আত্মবিশ্বাসী একজন তারকার মধ্যেও এমন এক অদৃশ্য ভয় কাজ করে, যা তিনি নিজের মতো করে সামলানোর চেষ্টা করেন এই চিঠির মাধ্যমে।
নিউজ ডেস্ক
০২ মে, ২০২৬, 11:51 AM
বিমান যাত্রার নাম শুনলেই আতঙ্কে ভোগেন আমির খান। পেশাগত ও ব্যক্তিগত কারণে নিয়মিতই তাঁকে আকাশপথে যাতায়াত করতে হয়, কিন্তু এই যাত্রা তাঁর জন্য বরাবরই মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
জানা যায়, প্লেনে উঠলেই নানা ধরনের অশান্ত চিন্তা ঘিরে ধরে অভিনেতাকে। কখনও কখনও মৃত্যুভয়ের মতো অনুভূতিও তাঁকে অস্থির করে তোলে। এই অজানা আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতেই তিনি একটি বিশেষ অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।
প্রতিবার বিমানযাত্রার আগে আমির তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী মনসুর খান-কে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তিনি নিজের ভাবনা, কাজের অগ্রগতি এবং অনিশ্চয়তার কথা জানিয়ে রাখেন, যেন কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলেও তাঁর কাজ অসম্পূর্ণ না থাকে।
মনসুর খানের সঙ্গে আমিরের সম্পর্ক বহু বছরের। একসময় একসঙ্গে কাজ করার পর তাঁদের পেশাগত পথ আলাদা হলেও ব্যক্তিগত বন্ধন অটুট থাকে। সেই বিশ্বাস থেকেই আমির তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং দায়িত্বের বিষয়গুলোও এই বন্ধুর সঙ্গে ভাগ করে নেন।
এক সাক্ষাৎকারে আমির জানিয়েছেন, শুটিং বা পোস্ট-প্রোডাকশনের সময় তিনি প্রায়ই এই চিঠি লিখে রাখেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হলেও কাজ থেমে না যায়। তাঁর এই অভ্যাস যেমন বিস্ময় তৈরি করেছে, তেমনই প্রকাশ করেছে তাঁর সংবেদনশীল মানসিক দিক।
সব মিলিয়ে, বাহ্যিকভাবে সফল ও আত্মবিশ্বাসী একজন তারকার মধ্যেও এমন এক অদৃশ্য ভয় কাজ করে, যা তিনি নিজের মতো করে সামলানোর চেষ্টা করেন এই চিঠির মাধ্যমে।