নিউজ ডেস্ক
২৯ এপ্রিল, ২০২৬, 1:54 PM
রাজধানীর আইনজীবীদের অন্যতম প্রভাবশালী সংগঠন ঢাকা আইনজীবী সমিতির নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে শুরু হয়েছে বহুল আলোচিত নির্বাচন। ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের কার্যকরী কমিটি গঠনে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। একই সময়সূচিতে বৃহস্পতিবারও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২১ হাজারের বেশি আইনজীবী, যা সমিতির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভোটার উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভোটগ্রহণের মাঝখানে এক ঘণ্টার বিরতি রাখা হয়েছে, আর ভোট শেষে শুক্রবার ফলাফল ঘোষণা করা হবে- সদস্য পদে ইভিএমে গণনা হলেও সম্পাদকীয় পদগুলোতে হাতে ভোট গণনা করা হবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ২৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে, যেখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে দুটি বড় প্যানেলের মধ্যে। একদিকে রয়েছে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘নীল প্যানেল’, অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি সমর্থিত ‘সবুজ প্যানেল’। উভয় প্যানেল থেকেই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও লড়াইয়ে রয়েছেন।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। নীল প্যানেল থেকে নেতৃত্বের দৌড়ে রয়েছেন মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ আবুল কালাম খান। অন্যদিকে সবুজ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এস এম কামাল উদ্দিন ও মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক।
নির্বাচন ঘিরে আইনজীবী মহলে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেলেও এর পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সমিতির কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতে গঠিত অ্যাডহক কমিটি থেকেই বর্তমান নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
২৯ এপ্রিল, ২০২৬, 1:54 PM
রাজধানীর আইনজীবীদের অন্যতম প্রভাবশালী সংগঠন ঢাকা আইনজীবী সমিতির নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে শুরু হয়েছে বহুল আলোচিত নির্বাচন। ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের কার্যকরী কমিটি গঠনে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। একই সময়সূচিতে বৃহস্পতিবারও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২১ হাজারের বেশি আইনজীবী, যা সমিতির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভোটার উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভোটগ্রহণের মাঝখানে এক ঘণ্টার বিরতি রাখা হয়েছে, আর ভোট শেষে শুক্রবার ফলাফল ঘোষণা করা হবে- সদস্য পদে ইভিএমে গণনা হলেও সম্পাদকীয় পদগুলোতে হাতে ভোট গণনা করা হবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ২৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে, যেখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে দুটি বড় প্যানেলের মধ্যে। একদিকে রয়েছে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘নীল প্যানেল’, অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি সমর্থিত ‘সবুজ প্যানেল’। উভয় প্যানেল থেকেই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও লড়াইয়ে রয়েছেন।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। নীল প্যানেল থেকে নেতৃত্বের দৌড়ে রয়েছেন মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ আবুল কালাম খান। অন্যদিকে সবুজ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এস এম কামাল উদ্দিন ও মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক।
নির্বাচন ঘিরে আইনজীবী মহলে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেলেও এর পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সমিতির কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতে গঠিত অ্যাডহক কমিটি থেকেই বর্তমান নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।