নিউজ ডেস্ক
১৬ এপ্রিল, ২০২৬, 1:00 PM
দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেছেন ইনু মিয়া। তাঁর পছন্দের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছে দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। অবশেষে ভাত খেয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের এই পাঁড় বিএনপিভক্ত।
মঙ্গলবার তাঁকে খাবার পরিবেশন করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলম।
ইনু মিয়া কুলিয়ারচরের রামদী ইউনিয়নের জগৎচর পশ্চিমপাড়ার মৃত সুলায়মান মিয়ার ছেলে। আগে তিনি ছিলেন কৃষিশ্রমিক। কয়েক বছর আগে দুর্ঘটনায় বাঁ পায়ে আঘাত পান।
এর পর থেকে তেমন কাজকর্ম করতে পারেননি। ইনু মিয়ার ভাষ্য, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে মারধরের শিকার হন। সেদিনই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, তাঁর পছন্দের দল বিএনপি ক্ষমতায় না যাওয়া পর্যন্ত ভাত খাবেন না। সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেন ইনু মিয়া। অবশেষে ছয় হাজার ৩১৫ দিন পর মঙ্গলবার ভাত খান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১২ জানুয়ারি জগৎচর পশ্চিমপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির এক কর্মিসভা। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি প্রার্থী মো. শরীফুল আলম।
তিনি ইনু মিয়ার প্রতিজ্ঞার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে ভাত-তরকারি এনে খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু খেতে রাজি হননি ইনু। তখন শরীফুল আলম কথা দেন, দল ক্ষমতায় এলে ইনু মিয়াকে তিনি নিজ হাতে ভাত খাওয়াবেন।
সেই কথা রক্ষা করতেই মঙ্গলবার দুপুরে ইনু মিয়ার বাড়িতে গাছের ছায়াঘেরা পরিবেশে তাঁর ভাত খাওয়া উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রামদী ইউনিয়ন বিএনপি। প্রধান অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই তিনি ইনু মিয়াকে নিজ হাতে পরিবেশন করে ভাত খাওয়ান।
এর আগে মাইকে কথা বলেন ইনু মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি ভোট দিতে গেছিলাম, হেরা আমারে মারছে।’ বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় উপস্থিত নারী-পুরুষ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম ইনু মিয়ার জন্য বয়স্ক ভাতা, একটি ঘর নির্মাণ ও আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন। রামদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজি মজনু মিয়ার সভাপতিত্বে সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী, সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শাহ আলম প্রমুখ।
নিউজ ডেস্ক
১৬ এপ্রিল, ২০২৬, 1:00 PM
দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেছেন ইনু মিয়া। তাঁর পছন্দের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছে দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। অবশেষে ভাত খেয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের এই পাঁড় বিএনপিভক্ত।
মঙ্গলবার তাঁকে খাবার পরিবেশন করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলম।
ইনু মিয়া কুলিয়ারচরের রামদী ইউনিয়নের জগৎচর পশ্চিমপাড়ার মৃত সুলায়মান মিয়ার ছেলে। আগে তিনি ছিলেন কৃষিশ্রমিক। কয়েক বছর আগে দুর্ঘটনায় বাঁ পায়ে আঘাত পান।
এর পর থেকে তেমন কাজকর্ম করতে পারেননি। ইনু মিয়ার ভাষ্য, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে মারধরের শিকার হন। সেদিনই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, তাঁর পছন্দের দল বিএনপি ক্ষমতায় না যাওয়া পর্যন্ত ভাত খাবেন না। সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেন ইনু মিয়া। অবশেষে ছয় হাজার ৩১৫ দিন পর মঙ্গলবার ভাত খান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১২ জানুয়ারি জগৎচর পশ্চিমপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির এক কর্মিসভা। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি প্রার্থী মো. শরীফুল আলম।
তিনি ইনু মিয়ার প্রতিজ্ঞার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে ভাত-তরকারি এনে খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু খেতে রাজি হননি ইনু। তখন শরীফুল আলম কথা দেন, দল ক্ষমতায় এলে ইনু মিয়াকে তিনি নিজ হাতে ভাত খাওয়াবেন।
সেই কথা রক্ষা করতেই মঙ্গলবার দুপুরে ইনু মিয়ার বাড়িতে গাছের ছায়াঘেরা পরিবেশে তাঁর ভাত খাওয়া উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রামদী ইউনিয়ন বিএনপি। প্রধান অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই তিনি ইনু মিয়াকে নিজ হাতে পরিবেশন করে ভাত খাওয়ান।
এর আগে মাইকে কথা বলেন ইনু মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি ভোট দিতে গেছিলাম, হেরা আমারে মারছে।’ বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় উপস্থিত নারী-পুরুষ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম ইনু মিয়ার জন্য বয়স্ক ভাতা, একটি ঘর নির্মাণ ও আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন। রামদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজি মজনু মিয়ার সভাপতিত্বে সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী, সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শাহ আলম প্রমুখ।