নিউজ ডেস্ক
১৩ মার্চ, ২০২৬, 4:13 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে। অধিবেশনের শুরুতেই সংসদে বিভিন্ন স্থায়ী ও বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংসদ কক্ষে বিরোধীদলীয় বেঞ্চে (স্পিকারের বাম পাশে) প্রথম সারিতে বসেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতারা। বিরোধীদলীয় বেঞ্চের প্রথম আসনে বসেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তার বাম পাশে বসেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এরপর পর্যায়ক্রমে বসেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম, সিনিয়র নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
প্রথম দিনেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটিসহ পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়। জাতীয় সংসদের প্রথম দিনে এসব কমিটির ঘোষণা দেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বিশেষ কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত কমিটি এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির নাম প্রস্তাব করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। পরে স্পিকার প্রস্তাবগুলো ভোটে দিলে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে তা অনুমোদিত হয়।
এদিন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হয়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করেন। পরে এই অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় ১৪ সদস্যবিশিষ্ট এক বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সর্বসম্মতভাবে এটি পাশ হয়।
কার্য-উপদেষ্টার কমিটির সভাপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ কমিটির সদস্য হচ্ছেন সংসদনেতা তারেক রহমান, বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান, সংসদ-সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম মনি, আসাদুজ্জামান, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এটিএম আজহারুল ইসলাম, নাহিদ ইসলাম ও নওশাদ জমির।
সংসদ কমিটির সভাপতি সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। এ কমিটির সদস্য রাকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, কায়ছার আহমদ, শহীদুল ইসলাম, চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সাইফুল আলম ও আবুল হাসনাত।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করার জন্য ১৪ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ কমিটি করা হয়। এ কমিটির সভাপতি জয়নাল আবদিন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম মনি, আসাদুজ্জামান, ড. এম ওসমান ফারুক, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আব্দুল বারী, নওশাদ জমির, মুজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান ও জিএম নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সদস্যরা হলেন সংসদনেতা তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান, কায়সার কামাল, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নূরুল ইসলাম মনি, জয়নাল আবদিন ফারুক, নাহিদ ইসলাম। বিরোধী দল থেকে আরেকজন সদস্য মনোনয়ন করা হবে এ কমিটিতে। পরে এ কমিটি ভোটে দেন স্পিকার, যা সংসদ-সদস্যদের কণ্ঠভোটে পাশ হয়।
বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান। সদস্যরা হলেন আসাদুজ্জামান, আমান উল্লাহ আমান, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, তাহসিনা রুশদীর লুনা, নওশাদ জমির, শাহজাহান চৌধুরী, নুরুল ইসলাম বুলবুল, আখতার হোসেন।
পরে এ কমিটি ভোটে দেন স্পিকার, যা সংসদ-সদস্যদের কণ্ঠভোটে পাশ হয়।
সংসদে ১৩৩ অধ্যাদেশ উত্থাপন : সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। এ তালিকায় আছে বাংলাদেশ ব্যাংক (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৪, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা আইন সংশোধন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ।
এছাড়া শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সংশোধন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সংশোধন, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী সংশোধন এবং জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা রহিতকরণ অধ্যাদেশ, সরকারি চাকরি, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ভোটার তালিকা, স্থানীয় সরকার, জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল সংশোধন, সিভিল কোর্টস অ্যামেন্ডমেন্ট, কোড অব ক্রিমিনাল প্রোসিডিউর সংশোধন এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস সংশোধনের একাধিক অধ্যাদেশ।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংশ্লিষ্ট দুটি অধ্যাদেশও কার্যসূচিতে রাখা হয়েছে। এগুলো হলো-জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি তহবিল অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬। তালিকায় আরও রয়েছে মাইক্রো ফাইন্যান্স ব্যাংক, বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, বাংলাদেশ গ্যাস, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্র–মেন্টস (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৬, বাংলাদেশ হাউজবিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৬ এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬।
নিউজ ডেস্ক
১৩ মার্চ, ২০২৬, 4:13 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে। অধিবেশনের শুরুতেই সংসদে বিভিন্ন স্থায়ী ও বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংসদ কক্ষে বিরোধীদলীয় বেঞ্চে (স্পিকারের বাম পাশে) প্রথম সারিতে বসেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতারা। বিরোধীদলীয় বেঞ্চের প্রথম আসনে বসেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তার বাম পাশে বসেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এরপর পর্যায়ক্রমে বসেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম, সিনিয়র নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
প্রথম দিনেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটিসহ পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়। জাতীয় সংসদের প্রথম দিনে এসব কমিটির ঘোষণা দেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বিশেষ কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত কমিটি এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির নাম প্রস্তাব করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। পরে স্পিকার প্রস্তাবগুলো ভোটে দিলে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে তা অনুমোদিত হয়।
এদিন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হয়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করেন। পরে এই অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় ১৪ সদস্যবিশিষ্ট এক বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সর্বসম্মতভাবে এটি পাশ হয়।
কার্য-উপদেষ্টার কমিটির সভাপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ কমিটির সদস্য হচ্ছেন সংসদনেতা তারেক রহমান, বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান, সংসদ-সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম মনি, আসাদুজ্জামান, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এটিএম আজহারুল ইসলাম, নাহিদ ইসলাম ও নওশাদ জমির।
সংসদ কমিটির সভাপতি সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। এ কমিটির সদস্য রাকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, কায়ছার আহমদ, শহীদুল ইসলাম, চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সাইফুল আলম ও আবুল হাসনাত।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করার জন্য ১৪ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ কমিটি করা হয়। এ কমিটির সভাপতি জয়নাল আবদিন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম মনি, আসাদুজ্জামান, ড. এম ওসমান ফারুক, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আব্দুল বারী, নওশাদ জমির, মুজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান ও জিএম নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সদস্যরা হলেন সংসদনেতা তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান, কায়সার কামাল, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নূরুল ইসলাম মনি, জয়নাল আবদিন ফারুক, নাহিদ ইসলাম। বিরোধী দল থেকে আরেকজন সদস্য মনোনয়ন করা হবে এ কমিটিতে। পরে এ কমিটি ভোটে দেন স্পিকার, যা সংসদ-সদস্যদের কণ্ঠভোটে পাশ হয়।
বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান। সদস্যরা হলেন আসাদুজ্জামান, আমান উল্লাহ আমান, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, তাহসিনা রুশদীর লুনা, নওশাদ জমির, শাহজাহান চৌধুরী, নুরুল ইসলাম বুলবুল, আখতার হোসেন।
পরে এ কমিটি ভোটে দেন স্পিকার, যা সংসদ-সদস্যদের কণ্ঠভোটে পাশ হয়।
সংসদে ১৩৩ অধ্যাদেশ উত্থাপন : সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। এ তালিকায় আছে বাংলাদেশ ব্যাংক (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৪, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা আইন সংশোধন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ।
এছাড়া শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সংশোধন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সংশোধন, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী সংশোধন এবং জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা রহিতকরণ অধ্যাদেশ, সরকারি চাকরি, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ভোটার তালিকা, স্থানীয় সরকার, জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল সংশোধন, সিভিল কোর্টস অ্যামেন্ডমেন্ট, কোড অব ক্রিমিনাল প্রোসিডিউর সংশোধন এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস সংশোধনের একাধিক অধ্যাদেশ।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংশ্লিষ্ট দুটি অধ্যাদেশও কার্যসূচিতে রাখা হয়েছে। এগুলো হলো-জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি তহবিল অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬। তালিকায় আরও রয়েছে মাইক্রো ফাইন্যান্স ব্যাংক, বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, বাংলাদেশ গ্যাস, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্র–মেন্টস (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৬, বাংলাদেশ হাউজবিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৬ এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬।