CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

উত্তরাঞ্চলে আসছেন তারেক রহমান, অংশ নেবেন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিতে

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন রাজনৈতিক উত্তাপ ও নানা অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, ঠিক এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের 

উত্তরাঞ্চলের সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি উত্তরাঞ্চল সফরে আসছেন। 

 

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই সফর সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোনোভাবেই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারীকৃত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হবে না। এ লক্ষ্যে বিএনপি’র পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনসহ সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফর চলাকালে কোনো রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বা নির্বাচনী প্রচারণা থাকবে না। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য উত্তরাঞ্চল সফরসূচি  ৪ দিনের।  সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় পৌঁছাবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করবেন। ১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে রওয়ানা দিয়ে রংপুরের পীরগঞ্জ হয়ে দিনাজপুর অতিক্রম করে ঠাকুরগাঁও পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। ১৩ জানুয়ারি  ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে পৌঁছে রাত্রিযাপন করবেন। ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে সরাসরি বগুড়ায় এসে সেখান থেকে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।

 

‎বিএনপি দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তারেক রহমান মহান নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ, প্রয়াত তৈয়বা মজুমদারসহ বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। সেই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন তিনি। 

 

এ ছাড়াও আহত জুলাইযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব কর্মসূচি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই পালন করা হবে। বিএনপি নেতারা জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই এই সফর আয়োজন করা হচ্ছে। কোনও ধরনের নির্বাচনী বক্তব্য, মিছিল কিংবা দলীয় কর্মসূচি রাখা হয়নি বলেও তারা দাবি করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের এই উত্তরাঞ্চলে সফরকে ঘিরে ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে, বিএনপি জোর দিয়ে বলছে, সফরটি রাজনৈতিক নয় বরং ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

‎বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনী পরিবেশে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা বিতর্ক এড়াতে সফর চলাকালে আচরণবিধির প্রতিটি ধারা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

‎কোনও ব্যানার, ফেস্টুন, শ্লোগান, গণসংযোগ কিংবা দলীয় জনসমাবেশ আয়োজন করা হবে না বলে দাবি করেছে দলটি। যদিও বিএনপি দাবি করছে সফরটি রাজনৈতিক নয়। তবে,উত্তরাঞ্চলে রাজনীতিতে তারেক রহমানের এই সফর ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে সামাজিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। 

 

মোস্তাফিজার বাবলু,‎রংপুর অফিস ‎

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  4:13 PM

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন রাজনৈতিক উত্তাপ ও নানা অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, ঠিক এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের 

উত্তরাঞ্চলের সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি উত্তরাঞ্চল সফরে আসছেন। 

 

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই সফর সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোনোভাবেই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারীকৃত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হবে না। এ লক্ষ্যে বিএনপি’র পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনসহ সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফর চলাকালে কোনো রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বা নির্বাচনী প্রচারণা থাকবে না। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য উত্তরাঞ্চল সফরসূচি  ৪ দিনের।  সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় পৌঁছাবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করবেন। ১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে রওয়ানা দিয়ে রংপুরের পীরগঞ্জ হয়ে দিনাজপুর অতিক্রম করে ঠাকুরগাঁও পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। ১৩ জানুয়ারি  ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে পৌঁছে রাত্রিযাপন করবেন। ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে সরাসরি বগুড়ায় এসে সেখান থেকে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।

 

‎বিএনপি দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তারেক রহমান মহান নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ, প্রয়াত তৈয়বা মজুমদারসহ বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। সেই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন তিনি। 

 

এ ছাড়াও আহত জুলাইযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব কর্মসূচি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই পালন করা হবে। বিএনপি নেতারা জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই এই সফর আয়োজন করা হচ্ছে। কোনও ধরনের নির্বাচনী বক্তব্য, মিছিল কিংবা দলীয় কর্মসূচি রাখা হয়নি বলেও তারা দাবি করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের এই উত্তরাঞ্চলে সফরকে ঘিরে ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে, বিএনপি জোর দিয়ে বলছে, সফরটি রাজনৈতিক নয় বরং ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

‎বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনী পরিবেশে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা বিতর্ক এড়াতে সফর চলাকালে আচরণবিধির প্রতিটি ধারা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

‎কোনও ব্যানার, ফেস্টুন, শ্লোগান, গণসংযোগ কিংবা দলীয় জনসমাবেশ আয়োজন করা হবে না বলে দাবি করেছে দলটি। যদিও বিএনপি দাবি করছে সফরটি রাজনৈতিক নয়। তবে,উত্তরাঞ্চলে রাজনীতিতে তারেক রহমানের এই সফর ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে সামাজিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।