নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:25 PM
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে জাতীয় ঐক্যমত্য ও সমঝোতার ভিত্তিতে অংশগ্রহণমূলক হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)-এর প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে জনতা পার্টি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এনডিএফ-এর এক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রধান সমন্বয়কের বার্তা
গোলাম সারোয়ার মিলন দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন:
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
সমান সুযোগ (Level Playing Field): জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনের আগে স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি করা, মিথ্যা মামলায় হয়রানি বন্ধ এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
সহিংসতা পরিহার: সংঘাত ও সহিংসতার পথ পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
সভায় জোটের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও তাদের মতামত ব্যক্ত করেন:
আবু নাছের এম ওহেদ ফারুক (চেয়ারম্যান, জাতীয় ইসলামী মহাজোট): তিনি বলেন, "গণতন্ত্র সুসংহত করতে রাজনৈতিক সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার কোনো বিকল্প নেই।"
মো. আসাদুজ্জামান (ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জনতা পার্টি বাংলাদেশ): তিনি জাতীয় স্বার্থে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ
সমন্বয় সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ছিলেন:
মেজর ডা. শেখ হাবিবুর রহমান (অব.), মহাসচিব, তৃণমূল বিএনপি।
মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, সভাপতি, জাসদ (শাজাহান সিরাজ)।
মো. মিজানুর রহমান মিজু, চেয়ারম্যান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি।
আবু আহাদ আল মামুন দীপু মীর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্ট।
দিলীপ কুমার দাশগুপ্ত, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মাইনোরিটি ইউনাইটেড ফ্রন্ট।
মাহবুব আলম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।
মো. হোসেন হাওলাদার, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ লিবারেল পার্টি।
এছাড়াও সভায় বাংলাদেশ সংস্কার পার্টির মহাসচিব মো. মেহেবুব চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল এবং জনতা পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এম এ ইউসুফসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:25 PM
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে জাতীয় ঐক্যমত্য ও সমঝোতার ভিত্তিতে অংশগ্রহণমূলক হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)-এর প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে জনতা পার্টি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এনডিএফ-এর এক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রধান সমন্বয়কের বার্তা
গোলাম সারোয়ার মিলন দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন:
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
সমান সুযোগ (Level Playing Field): জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনের আগে স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি করা, মিথ্যা মামলায় হয়রানি বন্ধ এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
সহিংসতা পরিহার: সংঘাত ও সহিংসতার পথ পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
সভায় জোটের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও তাদের মতামত ব্যক্ত করেন:
আবু নাছের এম ওহেদ ফারুক (চেয়ারম্যান, জাতীয় ইসলামী মহাজোট): তিনি বলেন, "গণতন্ত্র সুসংহত করতে রাজনৈতিক সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার কোনো বিকল্প নেই।"
মো. আসাদুজ্জামান (ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জনতা পার্টি বাংলাদেশ): তিনি জাতীয় স্বার্থে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ
সমন্বয় সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ছিলেন:
মেজর ডা. শেখ হাবিবুর রহমান (অব.), মহাসচিব, তৃণমূল বিএনপি।
মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, সভাপতি, জাসদ (শাজাহান সিরাজ)।
মো. মিজানুর রহমান মিজু, চেয়ারম্যান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি।
আবু আহাদ আল মামুন দীপু মীর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্ট।
দিলীপ কুমার দাশগুপ্ত, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মাইনোরিটি ইউনাইটেড ফ্রন্ট।
মাহবুব আলম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।
মো. হোসেন হাওলাদার, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ লিবারেল পার্টি।
এছাড়াও সভায় বাংলাদেশ সংস্কার পার্টির মহাসচিব মো. মেহেবুব চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল এবং জনতা পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এম এ ইউসুফসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।